ঢাকা ১০:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

ডিম আমদানির পরও কমছে না দাম

  • আপডেট সময় : ০৩:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি টিম রাজধানীর দুই কাঁচাবাজার তদারকি করেছে। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরেও অভিযানের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকালে রাজধানীর মিরপুরে শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার ও শনিরআখড়া কাঁচাবাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এদিকে ভারত থেকে ডিম আমদানি হলেও যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলসহ সব বাজারে পণ্যটির দাম কমেনি। বরং প্রতি পিস ডিমের দাম চার টাকা বেড়ে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আমদানি করা ডিমগুলো সাদা রঙের এবং এসব ডিম সাধারণত কিনে থাকেন বেকারি মালিকরা। সাধারণ ভোক্তারা বাদামি রঙের ডিম বেশি পছন্দ করেন। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকার ওপরে। আমদানি করা পণ্য সাধারণত পাইকারি বাজারে দাম কমায়, তবে এইবার ডিমের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকালে যশোরের বেনাপোল ও নাভারণ বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাইকাররা ডিম বিক্রি করছেন ১৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। ভারত থেকে ডিম আমদানি হলেও পাইকারি বাজারে এর কোনও প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। সাদা ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশে দিনে এক কোটি ডিমের চাহিদা রয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের ৫ নভেম্বর ৬১ হাজার ৯৫০ পিস, চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস, ৬ অক্টোবর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস ও ৭ অক্টোবর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস ডিম ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। এ নিয়ে চার চালানে মোট ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তা ছাড়া ভারত থেকে আমদানি করা ডিমগুলো সাদা রঙের এবং এসব ডিমের চাহিদা কম। সাদা ডিমের দাম কিছুটা কম থাকায় বেকারিতে এর চাহিদা একটু বেশি থাকে। অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তার কাছে বাদামি ডিমের চাহিদা একটু বেশি। তাই সাদা ডিম আমদানি হলেও ভোক্তা পর্যায়ে ডিমের দাম কমছে না। বেনাপোলের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার বিনয় কৃষ্ণ মণ্ডল জানিয়েছেন, দেশে প্রতিদিন লাখ লাখ ডিমের চাহিদা রয়েছে। ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। সাদা ডিমের দাম কম থাকায় বেকারিতে এর চাহিদা বেশি। কিন্তু দেশে বাদামি ডিমের চাহিদা বেশি। বাদামি ডিমের ওজন ৬০ থেকে ৬৫ গ্রাম হয়ে থাকে, আর সাদা ডিমের ওজন ৫০ থেকে ৫৫ গ্রাম। ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের বিক্রয় যথাযথভাবে না হলে পরবর্তী সময়ে আমদানিতে আগ্রহ কমতে পারে। বেনাপোল ডিম ব্যবসায়ীদের সভাপতি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে ডিমের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং চাহিদাও ভালো। তবে বাড়তি দরে ডিম কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পড়ছে। শার্শার নাভারণ এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘ভারত থেকে ডিম আমদানি করে লাভ কী? খুচরা দোকানগুলোতে ভারত থেকে আমদানি করা ডিম পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বাদামি রঙের ডিম ১৫ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। চাহিদাকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। বেনাপোলের খুচরা ডিম ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, সিন্ডিকেট ডিমের দাম নির্ধারণ করে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে ডিমের বাজার চড়া। এসএমএসের মাধ্যমে সিন্ডিকেট চক্র এর দর নির্ধারণ করে, যাতে নজর দেওয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ডিম কিনে আনা এবং বিক্রি করার মূল্য খতিয়ে দেখতে হবে এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারে সমানতালে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ইয়াসিন জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছেন। ক্রয়-বিক্রয় রশিদ, মূল্য তালিকা, বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কিনা সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ডিমের দামে কোনও কারসাজি হচ্ছে কিনা তাও যাচাই করা হবে। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের ৫ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ভারত থেকে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। যা শুল্কায়নসহ প্রতি পিস ডিমের দাম পড়েছে সাড়ে ৭ টাকা। ডিমগুলোর রফতানি করেছে ভারতের শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ ভান্ডার এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ঢাকার হাইড্রো ল্যান্ড সলিউশন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুই টিমের অভিযান
এদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি টিম রাজধানীর দুই কাঁচাবাজার তদারকি করেছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয় ৷ সকালে রাজধানীর মিরপুরে শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার ও শনিরআখড়া কাঁচাবাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার তদারকি টিমের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুন। এ সময় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে চাল,ডাল, আলু, ডিম, সবজি ও মুরগীর বাজারে তদারকি করা হয়। মূল্য তালিকা হালনাগাদ করাসহ সকল পণ্য ক্রয়ের ও বিক্রয়ের রশিদ যাচাই করেন তারা। এছাড়াও মূল্য তালিকা সঠিকভাবে না টাঙানো, যথাযথভাবে না লেখা ও সংরক্ষণ না করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানাও করা হয়। অপরদিকে রাজধানীর শনিরআখড়ার কাঁচাবাজারেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রয় ও বিক্রি মূল্য যাচাই করা হয়। এ অভিযানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিম আমদানির পরও কমছে না দাম

আপডেট সময় : ০৩:০৩:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি টিম রাজধানীর দুই কাঁচাবাজার তদারকি করেছে। এ ছাড়া রাজধানীর বাইরেও অভিযানের খবর পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সকালে রাজধানীর মিরপুরে শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার ও শনিরআখড়া কাঁচাবাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এদিকে ভারত থেকে ডিম আমদানি হলেও যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোলসহ সব বাজারে পণ্যটির দাম কমেনি। বরং প্রতি পিস ডিমের দাম চার টাকা বেড়ে ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ভারত থেকে আমদানি করা ডিমগুলো সাদা রঙের এবং এসব ডিম সাধারণত কিনে থাকেন বেকারি মালিকরা। সাধারণ ভোক্তারা বাদামি রঙের ডিম বেশি পছন্দ করেন। বর্তমানে পাইকারি বাজারে প্রতি পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকার ওপরে। আমদানি করা পণ্য সাধারণত পাইকারি বাজারে দাম কমায়, তবে এইবার ডিমের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকালে যশোরের বেনাপোল ও নাভারণ বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পাইকাররা ডিম বিক্রি করছেন ১৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। ভারত থেকে ডিম আমদানি হলেও পাইকারি বাজারে এর কোনও প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। সাদা ডিম ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশে দিনে এক কোটি ডিমের চাহিদা রয়েছে। বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের ৫ নভেম্বর ৬১ হাজার ৯৫০ পিস, চলতি বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস, ৬ অক্টোবর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস ও ৭ অক্টোবর ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস ডিম ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে। এ নিয়ে চার চালানে মোট ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। তা ছাড়া ভারত থেকে আমদানি করা ডিমগুলো সাদা রঙের এবং এসব ডিমের চাহিদা কম। সাদা ডিমের দাম কিছুটা কম থাকায় বেকারিতে এর চাহিদা একটু বেশি থাকে। অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তার কাছে বাদামি ডিমের চাহিদা একটু বেশি। তাই সাদা ডিম আমদানি হলেও ভোক্তা পর্যায়ে ডিমের দাম কমছে না। বেনাপোলের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার বিনয় কৃষ্ণ মণ্ডল জানিয়েছেন, দেশে প্রতিদিন লাখ লাখ ডিমের চাহিদা রয়েছে। ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের পরিমাণ চাহিদার তুলনায় অনেক কম। সাদা ডিমের দাম কম থাকায় বেকারিতে এর চাহিদা বেশি। কিন্তু দেশে বাদামি ডিমের চাহিদা বেশি। বাদামি ডিমের ওজন ৬০ থেকে ৬৫ গ্রাম হয়ে থাকে, আর সাদা ডিমের ওজন ৫০ থেকে ৫৫ গ্রাম। ভারত থেকে আমদানি করা ডিমের বিক্রয় যথাযথভাবে না হলে পরবর্তী সময়ে আমদানিতে আগ্রহ কমতে পারে। বেনাপোল ডিম ব্যবসায়ীদের সভাপতি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বর্তমানে ডিমের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং চাহিদাও ভালো। তবে বাড়তি দরে ডিম কিনতে হচ্ছে, যার প্রভাব পাইকারি ও খুচরা বাজারে পড়ছে। শার্শার নাভারণ এলাকার বাসিন্দা মনিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘ভারত থেকে ডিম আমদানি করে লাভ কী? খুচরা দোকানগুলোতে ভারত থেকে আমদানি করা ডিম পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বাদামি রঙের ডিম ১৫ টাকা করে কিনতে হচ্ছে। চাহিদাকে পুঁজি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা দরকার। বেনাপোলের খুচরা ডিম ব্যবসায়ী রাসেল বলেন, সিন্ডিকেট ডিমের দাম নির্ধারণ করে থাকে। দীর্ঘদিন ধরে ডিমের বাজার চড়া। এসএমএসের মাধ্যমে সিন্ডিকেট চক্র এর দর নির্ধারণ করে, যাতে নজর দেওয়া প্রয়োজন। ব্যবসায়ীদের ডিম কিনে আনা এবং বিক্রি করার মূল্য খতিয়ে দেখতে হবে এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারে সমানতালে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণের শার্শা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত ইয়াসিন জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করছেন। ক্রয়-বিক্রয় রশিদ, মূল্য তালিকা, বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে কিনা সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ডিমের দামে কোনও কারসাজি হচ্ছে কিনা তাও যাচাই করা হবে। যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে গত বছরের ৫ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ে ভারত থেকে ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭০ পিস ডিম আমদানি করা হয়েছে। যা শুল্কায়নসহ প্রতি পিস ডিমের দাম পড়েছে সাড়ে ৭ টাকা। ডিমগুলোর রফতানি করেছে ভারতের শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ ভান্ডার এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ঢাকার হাইড্রো ল্যান্ড সলিউশন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুই টিমের অভিযান
এদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি টিম রাজধানীর দুই কাঁচাবাজার তদারকি করেছে। গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) তথ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয় ৷ সকালে রাজধানীর মিরপুরে শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার ও শনিরআখড়া কাঁচাবাজারে তদারকি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শাহ্আলী সিটি কর্পোরেশন মার্কেট কাঁচাবাজার তদারকি টিমের নেতৃত্ব দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফুয়ারা খাতুন। এ সময় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে চাল,ডাল, আলু, ডিম, সবজি ও মুরগীর বাজারে তদারকি করা হয়। মূল্য তালিকা হালনাগাদ করাসহ সকল পণ্য ক্রয়ের ও বিক্রয়ের রশিদ যাচাই করেন তারা। এছাড়াও মূল্য তালিকা সঠিকভাবে না টাঙানো, যথাযথভাবে না লেখা ও সংরক্ষণ না করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানাও করা হয়। অপরদিকে রাজধানীর শনিরআখড়ার কাঁচাবাজারেও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রয় ও বিক্রি মূল্য যাচাই করা হয়। এ অভিযানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।