ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আসল হীরা চিনে কিনতে হয়

  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: শখ আর সাধ্য মিলে গেলে কেউ কেউ হীরার গয়না কেনেন। কিন্তু গয়না কেনার পর যদি জানতে পারেন গয়নাটি আসলে কাচের, তাহলে মন খারাপ হওয়া খুব স্বাভাবিক। কেনার পরে মন খারাপ সময় যাচাই করে নিতে পারেন। কেন অ্যান্ড ডানা ডিজাইন-এর তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি উপায় জেনে নিন।
একটি গ্লাসে চার ভাগের তিন ভাগ পানিতে হীরা ছেড়ে দিয়ে খেয়াল করুন, হীরা যদি তলিয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে প্রকৃত হীরা। আর যদি হীরা আংশিক ডুবে যায় তাহলে বুঝতে হবে এটি নকল বা কৃত্রিম হীরা। সেক্ষেত্রে শর্ত থাকে যে, হীরা যদি অন্য ধাতব পদার্থের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে এই পরীক্ষায় সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে না। কারণ, ধাতুসহ হীরা সহজে ডুবে যেতে পারে।
হীরা তাপ সুপরিবাহী হয়ে থাকে। একটি সহজ পরীক্ষা হচ্ছে হীরা দুই আঙুলের মধ্যে রেখে এটির সামনে শ্বাস ছেড়ে কুয়াশার মতো তৈরি করতে পারেন। আসল হীরা হলে দেখতে দেখতেই কুয়াশা কেটে যাবে। নকল হীরা হলে কুয়াশা কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হবে।
আসল হীরা ইউভি লাইটের নিচে রাখলে নীল রঙের দ্যুতি ছড়ায়। তবে এই পরীক্ষাটি সব সময় ঠিক নাও হতে পারে।
আসল হীরা পরীক্ষার আরেকটি প্রচলিত দিক হচ্ছে, একটি কাগজে বিন্দু এঁকে তার ওপর হীরার ওপরের দিককার সোজা অংশ রাখতে হবে। আলো প্রসারিত হয়ে বিভিন্ন দিকে চলে গেলে তাহলে বুঝতে হবে এটি আসল হীরা।
আসল হীরা শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেও কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। কৃত্রিম হীরা শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলে দাগ পড়ে যায়।

 

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একটি শক্তি নির্বাচন বিলম্বিতের চেষ্টা করছে, তবে পেছানোর সুযোগ নেই

আসল হীরা চিনে কিনতে হয়

আপডেট সময় : ১১:৪১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লাইফস্টাইল ডেস্ক: শখ আর সাধ্য মিলে গেলে কেউ কেউ হীরার গয়না কেনেন। কিন্তু গয়না কেনার পর যদি জানতে পারেন গয়নাটি আসলে কাচের, তাহলে মন খারাপ হওয়া খুব স্বাভাবিক। কেনার পরে মন খারাপ সময় যাচাই করে নিতে পারেন। কেন অ্যান্ড ডানা ডিজাইন-এর তথ্য অনুযায়ী কয়েকটি উপায় জেনে নিন।
একটি গ্লাসে চার ভাগের তিন ভাগ পানিতে হীরা ছেড়ে দিয়ে খেয়াল করুন, হীরা যদি তলিয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে প্রকৃত হীরা। আর যদি হীরা আংশিক ডুবে যায় তাহলে বুঝতে হবে এটি নকল বা কৃত্রিম হীরা। সেক্ষেত্রে শর্ত থাকে যে, হীরা যদি অন্য ধাতব পদার্থের সঙ্গে যুক্ত থাকে তাহলে এই পরীক্ষায় সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে না। কারণ, ধাতুসহ হীরা সহজে ডুবে যেতে পারে।
হীরা তাপ সুপরিবাহী হয়ে থাকে। একটি সহজ পরীক্ষা হচ্ছে হীরা দুই আঙুলের মধ্যে রেখে এটির সামনে শ্বাস ছেড়ে কুয়াশার মতো তৈরি করতে পারেন। আসল হীরা হলে দেখতে দেখতেই কুয়াশা কেটে যাবে। নকল হীরা হলে কুয়াশা কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হবে।
আসল হীরা ইউভি লাইটের নিচে রাখলে নীল রঙের দ্যুতি ছড়ায়। তবে এই পরীক্ষাটি সব সময় ঠিক নাও হতে পারে।
আসল হীরা পরীক্ষার আরেকটি প্রচলিত দিক হচ্ছে, একটি কাগজে বিন্দু এঁকে তার ওপর হীরার ওপরের দিককার সোজা অংশ রাখতে হবে। আলো প্রসারিত হয়ে বিভিন্ন দিকে চলে গেলে তাহলে বুঝতে হবে এটি আসল হীরা।
আসল হীরা শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলেও কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না। কৃত্রিম হীরা শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষলে দাগ পড়ে যায়।