ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বর্ষসেরা গোলরক্ষকের দৌড়ে মার্তিনেস-কোর্তোয়া-বোনো

  • আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
  • ১২০ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া ডেস্ক : কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পোস্টে দুর্বার এমিলিয়ানো মার্তিনেস আছেন ফিফা বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে। তার সঙ্গে এই লড়াইয়ে আছেন থিবো কোর্তোয়া ও ইয়াসিন বোনো। ২০২১ সালে ৮ অগাস্ট থেকে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর-এই সময় কালে পারফরম্যান্স বিবেচনায় বর্ষসেরা গোলরক্ষক নির্বাচনে প্রথমে মনোনয়ন পেয়েছিলেন পাঁচজন। দুজনকে বাদ দিয়ে তিন জন চূড়ান্ত ফাইনালিস্টের নাম ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি। তিন জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ঠাঁই হয়নি ব্রাজিলের আলিসন ও এদেরসনের। জাতীয় দলের কোচ ও অধিনায়ক এবং গণমাধ্যমকর্মী ও ফুটবলপ্রেমীদের ভোটে এই তালিকা তৈরি হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর লুসাইলে বিশ্বকাপ ফাইনালে অবিশ্বাস্য পারফর্ম করেন মার্তিনেস। ফ্রান্সের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শ্বাসরুদ্ধকর টাইব্রেকারে জয়ে কিংসলে কোমানের শট আটকান। এর আগে অতিরিক্ত সময়েও ঠেকান কোলো মুয়ানির শট। দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে কাতার বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতে নেন মার্তিনেস। উদযাপনের ভঙ্গির কারণে সমালোচিত হওয়া ৩০ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন এখন ফিফার বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পাওয়ার দাবিদারদের একজন।
মরুভূমিতে হওয়া প্রথম বিশ্বকাপে চমক জাগানো দল ছিল মরক্কো। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে তাদের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠায় দারুণ অবদান রাখেন বোনোর। আর্জেন্টিনার মার্তিনেসের মতোই তিনটি ক্লিন শিট নিয়ে আসর শেষ করেন মরক্কোর এই গোলরক্ষক। ফ্রান্সের কাছে সেমি-ফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ থেকে মরক্কো ছিটকে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পোস্টের নিচে মুগ্ধতা ছড়ান বোনো। শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে টাইব্রেকারে তিনটি শট আটকান; কোয়ার্টার-ফাইনালে পর্তুগালের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচেও দারুণ বিশ্বস্ততায় আগলে রাখেন পোস্ট। কোর্তোয়া অবশ্য বিশ্বমঞ্চে নয়, আলো ছড়ান ক্লাব ফুটবলে। রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জয়ে রাখেন দারুণ ভূমিকা। ক্লাব ফুটবলের ইউরোপ সেরার মঞ্চে রিয়ালকে সাফল্যের পথে রাখতে বেলজিয়ান এই গোলরক্ষক ১৩ ম্যাচে ৫৯টি সেভ করেন; পাঁচ ম্যাচে তার জালের নাগাল পায়নি প্রতিপক্ষ। মাদ্রিদের দলটি জিতে নেয় ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। প্যারিসের ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচ ৯টি সেভ করেছিলেন কোর্তোয়া। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫৭২ জন, নেই মৃত্যু

বর্ষসেরা গোলরক্ষকের দৌড়ে মার্তিনেস-কোর্তোয়া-বোনো

আপডেট সময় : ১১:৫৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

ক্রীড়া ডেস্ক : কাতার বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পোস্টে দুর্বার এমিলিয়ানো মার্তিনেস আছেন ফিফা বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জয়ের দৌড়ে। তার সঙ্গে এই লড়াইয়ে আছেন থিবো কোর্তোয়া ও ইয়াসিন বোনো। ২০২১ সালে ৮ অগাস্ট থেকে ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বর-এই সময় কালে পারফরম্যান্স বিবেচনায় বর্ষসেরা গোলরক্ষক নির্বাচনে প্রথমে মনোনয়ন পেয়েছিলেন পাঁচজন। দুজনকে বাদ দিয়ে তিন জন চূড়ান্ত ফাইনালিস্টের নাম ঘোষণা করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থাটি। তিন জনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় ঠাঁই হয়নি ব্রাজিলের আলিসন ও এদেরসনের। জাতীয় দলের কোচ ও অধিনায়ক এবং গণমাধ্যমকর্মী ও ফুটবলপ্রেমীদের ভোটে এই তালিকা তৈরি হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর লুসাইলে বিশ্বকাপ ফাইনালে অবিশ্বাস্য পারফর্ম করেন মার্তিনেস। ফ্রান্সের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শ্বাসরুদ্ধকর টাইব্রেকারে জয়ে কিংসলে কোমানের শট আটকান। এর আগে অতিরিক্ত সময়েও ঠেকান কোলো মুয়ানির শট। দুর্দান্ত গোলকিপিংয়ে কাতার বিশ্বকাপের সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার জিতে নেন মার্তিনেস। উদযাপনের ভঙ্গির কারণে সমালোচিত হওয়া ৩০ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন এখন ফিফার বর্ষসেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার পাওয়ার দাবিদারদের একজন।
মরুভূমিতে হওয়া প্রথম বিশ্বকাপে চমক জাগানো দল ছিল মরক্কো। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে তাদের বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠায় দারুণ অবদান রাখেন বোনোর। আর্জেন্টিনার মার্তিনেসের মতোই তিনটি ক্লিন শিট নিয়ে আসর শেষ করেন মরক্কোর এই গোলরক্ষক। ফ্রান্সের কাছে সেমি-ফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ থেকে মরক্কো ছিটকে যাওয়ার আগ পর্যন্ত পোস্টের নিচে মুগ্ধতা ছড়ান বোনো। শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে টাইব্রেকারে তিনটি শট আটকান; কোয়ার্টার-ফাইনালে পর্তুগালের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচেও দারুণ বিশ্বস্ততায় আগলে রাখেন পোস্ট। কোর্তোয়া অবশ্য বিশ্বমঞ্চে নয়, আলো ছড়ান ক্লাব ফুটবলে। রিয়াল মাদ্রিদের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগা জয়ে রাখেন দারুণ ভূমিকা। ক্লাব ফুটবলের ইউরোপ সেরার মঞ্চে রিয়ালকে সাফল্যের পথে রাখতে বেলজিয়ান এই গোলরক্ষক ১৩ ম্যাচে ৫৯টি সেভ করেন; পাঁচ ম্যাচে তার জালের নাগাল পায়নি প্রতিপক্ষ। মাদ্রিদের দলটি জিতে নেয় ১৪তম চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা। প্যারিসের ফাইনালে লিভারপুলের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচ ৯টি সেভ করেছিলেন কোর্তোয়া। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।