ঢাকা ০৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রীক স্থাপত্যের আদলে ‘অ্যাম্ফিথিয়েটার’

  • আপডেট সময় : ১২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা : পার্বত্য খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে নির্মাণ করা হয়েছে অ্যাম্পিথিয়েটার। এটিই পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রে দেশের প্রথম অ্যাম্পিথিয়েটার। দেশের প্রথম এ অ্যাম্পিথিয়েটারে সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার পর্যটকদের জন্য থাকবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। খাগড়াছড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মুগ্ধতা ছড়াবে ‘অ্যাম্পিথিয়েটার’। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) চাকমা সম্প্রদায়ের গীতিনাট্য ‘রাধামন ধনপুদি’ মঞ্চয়ানের মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে উচ্ছ্বাসিত খাগড়াছড়ি ও সাজেক ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। খাগাড়ছড়ি ও সাজেতে আসা পর্যটকদের ভ্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করবে এ অ্যাম্পিথিয়েটার। অ্যাম্পিথিয়েটার খাগড়াছড়ির পর্যটন শিল্পে ভিন্ন আমেজ যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে এর মাধ্যমে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে পাহাড়ে আসা পর্যটকরা। বাংলাদেশের ভিন্ন ধারার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে তারা। এক হাজার আসন বিশিষ্ট গ্রীক স্থাপত্যের আদলে দেশের প্রথম অ্যাম্ফিথিয়েটারের নীচতলায় আছে ২৫০ বর্গফুট আয়তনের একটি মাল্টিপারপাস কক্ষ। যেটি মূলত শিল্পীদের গ্রিনরুম হিসেবে ব্যবহার হবে।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণে আসা পর্যটক নিশাত তাবাচ্ছুম বলেন, পরিবার নিয়ে আমরা পাহাড়ে বেড়াতে এসেছি। পাহাড়ের বর্ণিল সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এ পরিবেশনা আমাদের বাড়তি আমেজ দিয়েছে। এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে পর্যটকরা খাগড়াছড়ি ভ্রমণে উৎসাহিত হবে। এমন কালারফুল পরিবেশনা উপভোগ করতে বারবার ছুটে আসবে ভ্রমণপিপাসুরা।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘রাধমন ধনপুদি’ চাকমা সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিল্প নান্দনিকতার বহুমাত্রিক গীতিনাট্য। পাহাড়ের বেড়াতে আসা পর্যটকদের ভালো লাগবে। শুধু ‘রাধামন ধনপুদি’ নয়, অ্যাম্পিথিয়েটারে পর্যায়ক্রমে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফুটে উঠবে। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মারমা সম্প্রদায়ের রূপকথা নিয়েও গীতিনাট্য এখানে মঞ্চায়ন করা হবে। পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিকে দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতেই অ্যাম্পিথিয়েটারে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রহস্যময় সুরঙ্গখ্যাত আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র নতুন ভাবে পরিচিত হবে। বিশ্ব ঐতিহ্যের অনুরূপ ছোঁয়া পেতে আলুটিলায় পর্যটন পার্কে পাহাড়ের ভাঁজে কোনোরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিনষ্ট না করে গ্রীক স্থাপত্যের আদলে অ্যাম্ফিথিয়েটার নির্মাণ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট তৈরি করবো: তারেক রহমান

গ্রীক স্থাপত্যের আদলে ‘অ্যাম্ফিথিয়েটার’

আপডেট সময় : ১২:৩৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ নভেম্বর ২০২২

খাগড়াছড়ি সংবাদদাতা : পার্বত্য খাগড়াছড়ির আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্রে নির্মাণ করা হয়েছে অ্যাম্পিথিয়েটার। এটিই পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রে দেশের প্রথম অ্যাম্পিথিয়েটার। দেশের প্রথম এ অ্যাম্পিথিয়েটারে সপ্তাহের শুক্র ও শনিবার পর্যটকদের জন্য থাকবে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। খাগড়াছড়িতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির মুগ্ধতা ছড়াবে ‘অ্যাম্পিথিয়েটার’। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) চাকমা সম্প্রদায়ের গীতিনাট্য ‘রাধামন ধনপুদি’ মঞ্চয়ানের মধ্য দিয়ে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের এমন উদ্যোগে উচ্ছ্বাসিত খাগড়াছড়ি ও সাজেক ভ্রমণে আসা পর্যটকরা। খাগাড়ছড়ি ও সাজেতে আসা পর্যটকদের ভ্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করবে এ অ্যাম্পিথিয়েটার। অ্যাম্পিথিয়েটার খাগড়াছড়ির পর্যটন শিল্পে ভিন্ন আমেজ যোগ করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে এর মাধ্যমে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে পাহাড়ে আসা পর্যটকরা। বাংলাদেশের ভিন্ন ধারার বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবে তারা। এক হাজার আসন বিশিষ্ট গ্রীক স্থাপত্যের আদলে দেশের প্রথম অ্যাম্ফিথিয়েটারের নীচতলায় আছে ২৫০ বর্গফুট আয়তনের একটি মাল্টিপারপাস কক্ষ। যেটি মূলত শিল্পীদের গ্রিনরুম হিসেবে ব্যবহার হবে।
খাগড়াছড়ি ভ্রমণে আসা পর্যটক নিশাত তাবাচ্ছুম বলেন, পরিবার নিয়ে আমরা পাহাড়ে বেড়াতে এসেছি। পাহাড়ের বর্ণিল সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এ পরিবেশনা আমাদের বাড়তি আমেজ দিয়েছে। এ উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে পর্যটকরা খাগড়াছড়ি ভ্রমণে উৎসাহিত হবে। এমন কালারফুল পরিবেশনা উপভোগ করতে বারবার ছুটে আসবে ভ্রমণপিপাসুরা।
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ‘রাধমন ধনপুদি’ চাকমা সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শিল্প নান্দনিকতার বহুমাত্রিক গীতিনাট্য। পাহাড়ের বেড়াতে আসা পর্যটকদের ভালো লাগবে। শুধু ‘রাধামন ধনপুদি’ নয়, অ্যাম্পিথিয়েটারে পর্যায়ক্রমে পাহাড়ে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ফুটে উঠবে। খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, মারমা সম্প্রদায়ের রূপকথা নিয়েও গীতিনাট্য এখানে মঞ্চায়ন করা হবে। পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিকে দেশ-বিদেশ থেকে আসা পর্যটকদের কাছে তুলে ধরতেই অ্যাম্পিথিয়েটারে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রহস্যময় সুরঙ্গখ্যাত আলুটিলা পর্যটন কেন্দ্র নতুন ভাবে পরিচিত হবে। বিশ্ব ঐতিহ্যের অনুরূপ ছোঁয়া পেতে আলুটিলায় পর্যটন পার্কে পাহাড়ের ভাঁজে কোনোরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিনষ্ট না করে গ্রীক স্থাপত্যের আদলে অ্যাম্ফিথিয়েটার নির্মাণ করা হয়েছে।