ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের অ্যাম্বুলেন্স পেলেন চা-শ্রমিকরা

  • আপডেট সময় : ০২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২
  • ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

সিলেট সংবাদদাতা : সিলেটের লাক্কাতুরা চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স উপহার হিসেবে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘দেশের ১৬৭টি চা-বাগানের মধ্যে এখানেই আমরা প্রথম অ্যাম্বুলেন্স পেলাম। সিলেটের চা-বাগানে অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে এই দেশ দিয়েছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’ প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকার গলফ মাঠে চা-শ্রমিকরা ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকের ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই দিন ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে নারীদের পক্ষ থেকে চা-শ্রমিক শ্যামলী গোয়ালা বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আপনি আমাদের মা-বাবা। আমরা যখন আন্দোলন শুরু করি, তখন আমাদের একটাই চাওয়া ছিল, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটিবার কথা বলবো। সে সময়ে আপনি নিজ থেকে আমাদের হয়ে কথা বলেন এবং মজুরি বাড়িয়ে দেন। এ জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।’ ওই সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আরও বলেছিলেন, ‘আমরা চিকিৎসাসহ নানা ভোগান্তিতে রয়েছি। অসুস্থ হলে হাসপাতালে যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। আমাদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিন।’ সেই সঙ্গে চা-শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য বাগানে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। এ ছাড়া তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করার দাবি করেন। তাদের বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী চা-শ্রমিকদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী চা-শ্রমিকদের বক্তব্য শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছিলেন, ‘আমার তো বাবা-মা কেউ নেই, আপনারাই আমার সব।’

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর উপহারের অ্যাম্বুলেন্স পেলেন চা-শ্রমিকরা

আপডেট সময় : ০২:৩০:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২২

সিলেট সংবাদদাতা : সিলেটের লাক্কাতুরা চা-বাগানের শ্রমিকদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্স উপহার হিসেবে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকায় এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর করেছে জেলা প্রশাসন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘দেশের ১৬৭টি চা-বাগানের মধ্যে এখানেই আমরা প্রথম অ্যাম্বুলেন্স পেলাম। সিলেটের চা-বাগানে অ্যাম্বুলেন্স দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’ তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে এই দেশ দিয়েছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ দেশের মানুষ মহান মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। এখন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।’ প্রসঙ্গত, গত ৩ সেপ্টেম্বর লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকার গলফ মাঠে চা-শ্রমিকরা ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসকের ব্যবস্থা করে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবি জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওই দিন ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়কালে নারীদের পক্ষ থেকে চা-শ্রমিক শ্যামলী গোয়ালা বলেছিলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনি ছাড়া আমাদের কেউ নেই। আপনি আমাদের মা-বাবা। আমরা যখন আন্দোলন শুরু করি, তখন আমাদের একটাই চাওয়া ছিল, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটিবার কথা বলবো। সে সময়ে আপনি নিজ থেকে আমাদের হয়ে কথা বলেন এবং মজুরি বাড়িয়ে দেন। এ জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।’ ওই সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আরও বলেছিলেন, ‘আমরা চিকিৎসাসহ নানা ভোগান্তিতে রয়েছি। অসুস্থ হলে হাসপাতালে যাওয়ার ব্যবস্থা নেই। আমাদের জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে দিন।’ সেই সঙ্গে চা-শ্রমিকদের চিকিৎসার জন্য বাগানে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের ব্যবস্থা করে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। এ ছাড়া তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করার দাবি করেন। তাদের বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী চা-শ্রমিকদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসস্থানসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। প্রধানমন্ত্রী চা-শ্রমিকদের বক্তব্য শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছিলেন, ‘আমার তো বাবা-মা কেউ নেই, আপনারাই আমার সব।’