ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

২ লাখ ২৬ হাজার কেজি সোনা মিললো সৌদি আরবের খনিতে

  • আপডেট সময় : ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০২৫ সালে সৌদি আরবে প্রায় ৮০ লাখ আউন্স (প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার কেজি) সোনার নতুন মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সুলিমান আল-ওথাইম এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার মিনারেলস ফোরামের পঞ্চম আসরের ফাঁকে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-ইকতিসাদিয়াহকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-ওথাইম বলেন, আবিষ্কৃত সোনার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ আউন্সই সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির অংশে পড়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সোনা প্রক্রিয়াজাত করতে কোম্পানির রিফাইনারিগুলো নিয়মিত আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এসব রিফাইনারিতে বছরে ৩৬ টন সোনা পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি, সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির নামসংবলিত হলমার্ক দিয়ে স্থানীয় সোনা বাজারজাত করা হচ্ছে।

আল-ওথাইম বলেন, কোম্পানিটির নিজস্ব সব ধরনের উৎপাদন লাইন ও খনন-সম্পর্কিত সেবা রয়েছে। এর মধ্যে আকাশ ও ভূমি থেকে ইমেজিং, ট্রেঞ্চিং এবং কূপ খননের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত। সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুবিধার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট সোনা উৎপাদনের ৫০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি আরো জানান, সোনার দামে নজিরবিহীন উত্থানের বছর ছিল ২০২৫ সাল। এ সময়ে সোনার বার্ষিক দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৪ শতাংশের বেশি। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিনিয়োগ তহবিলগুলোর ব্যাপক চাহিদাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সোনার গড় মূল্য ছিল প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে। বছরের শুরুতে যেখানে দাম ছিল প্রায় ২ হাজার ৭১০ ডলার, সেখান থেকে ধাপে ধাপে বেড়ে ডিসেম্বর মাসে তা ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ডলার দাঁড়ায়।

সুলিমান আল-ওথাইম বলেন, বিদেশি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানি তাদের খনি ও রিফাইনারিগুলোকে বৈশ্বিক খনিশিল্পের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে। তিনি জানান, উৎপাদন বাড়াতে এবং খনিশিল্পে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে শিগগির একটি নতুন কৌশল বাস্তবায়ন শুরু করা হবে।

সূত্র: আরব নিউজ

সানা/এসি/আপ্র/১৭/০১/২০২৬

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

২ লাখ ২৬ হাজার কেজি সোনা মিললো সৌদি আরবের খনিতে

আপডেট সময় : ০২:৩৯:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ২০২৫ সালে সৌদি আরবে প্রায় ৮০ লাখ আউন্স (প্রায় ২ লাখ ২৬ হাজার কেজি) সোনার নতুন মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সুলিমান আল-ওথাইম এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার মিনারেলস ফোরামের পঞ্চম আসরের ফাঁকে সৌদি সংবাদমাধ্যম আল-ইকতিসাদিয়াহকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-ওথাইম বলেন, আবিষ্কৃত সোনার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ আউন্সই সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির অংশে পড়েছে।

তিনি জানান, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সোনা প্রক্রিয়াজাত করতে কোম্পানির রিফাইনারিগুলো নিয়মিত আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে এসব রিফাইনারিতে বছরে ৩৬ টন সোনা পরিশোধনের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি, সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানির নামসংবলিত হলমার্ক দিয়ে স্থানীয় সোনা বাজারজাত করা হচ্ছে।

আল-ওথাইম বলেন, কোম্পানিটির নিজস্ব সব ধরনের উৎপাদন লাইন ও খনন-সম্পর্কিত সেবা রয়েছে। এর মধ্যে আকাশ ও ভূমি থেকে ইমেজিং, ট্রেঞ্চিং এবং কূপ খননের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত। সরকারি সহায়তা ও বিভিন্ন সুবিধার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট সোনা উৎপাদনের ৫০ শতাংশ অর্জনের লক্ষ্য নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তিনি আরো জানান, সোনার দামে নজিরবিহীন উত্থানের বছর ছিল ২০২৫ সাল। এ সময়ে সোনার বার্ষিক দর বৃদ্ধি পেয়েছে ৬৪ শতাংশের বেশি। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও বিনিয়োগ তহবিলগুলোর ব্যাপক চাহিদাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।

তথ্য বলছে, ২০২৫ সালে সোনার গড় মূল্য ছিল প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৪০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে। বছরের শুরুতে যেখানে দাম ছিল প্রায় ২ হাজার ৭১০ ডলার, সেখান থেকে ধাপে ধাপে বেড়ে ডিসেম্বর মাসে তা ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ ডলার দাঁড়ায়।

সুলিমান আল-ওথাইম বলেন, বিদেশি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে সৌদি গোল্ড রিফাইনারি কোম্পানি তাদের খনি ও রিফাইনারিগুলোকে বৈশ্বিক খনিশিল্পের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে। তিনি জানান, উৎপাদন বাড়াতে এবং খনিশিল্পে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজতে শিগগির একটি নতুন কৌশল বাস্তবায়ন শুরু করা হবে।

সূত্র: আরব নিউজ

সানা/এসি/আপ্র/১৭/০১/২০২৬