ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬

২০২৬ সালে শিশুর শ্রেষ্ঠ উপহার আত্মবিশ্বাসী হতে গড়ার শিক্ষা

  • আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

নারী ও শিশু ডেস্ক: নতুন বছর মানেই নতুন শুরু। আমরা বড়রা যেমন নতুন বছরের রেজিউলিশন নিই, তেমনি শিশুদেরও কিছু মানবিক ও সামাজিক শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। ২০২৬ সালে আপনার সন্তানকে একজন আত্মবিশ্বাসী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিচের শিক্ষা হতে পারে তার শ্রেষ্ঠ উপহার-

শিষ্টাচার ও সামাজিকতা: কোনো সাহায্য পেলে ‘থ্যাংক ইউ’ এবং ভুল করলে ‘সরি’ বলার অভ্যাস করানো। কারো রুমে ঢোকার আগে বা কারো জিনিস ধরার আগে অনুমতি নেওয়ার শিক্ষা। ছোট-বড় সবার সাথে সঠিক আচরণ করা। পরিচিত কারো সাথে দেখা হলে হাসি মুখে সালাম বা অভিবাদন দেওয়া।

ব্যক্তিগত শৃঙ্খলা ও স্বাবলম্বিতা: নিজের খেলনা গুছিয়ে রাখা বা পড়ার টেবিল পরিষ্কার করার শিক্ষা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা এবং রুটিন মেনে চলার গুরুত্ব। খাওয়ার আগে হাত ধোয়া এবং নিয়মিত দাঁত মাজার অভ্যাস। অপচয় না করে মাটির ব্যাংকে বা সঞ্চয় করার প্রাথমিক ধারণা।

মানবিকতা ও মূল্যবোধ: নিজের খাবার বা খেলনা বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পরিস্থিতি যাই হোক, সত্য বলার সাহস জোগানো। অন্য কেউ কষ্টে থাকলে তার পাশে দাঁড়ানো বা অন্তত সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখা। যত্রতত্র ময়লা না ফেলা এবং গাছপালার যত্ন নেওয়া।

মানসিক শক্তি ও সৃজনশীলতা: খেলায় হার-জিত থাকবেই, হারলে মন খারাপ না করে বিজয়ী অভিনন্দন জানানো। মনে কোনো দ্বিধা থাকলে বা বুঝতে না পারলে নির্ভয়ে প্রশ্ন করা। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট গল্পের বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করা। কোনো জিনিসের জন্য বায়না না করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে শেখানো।

ডিজিটাল ও জীবনমুখী শিক্ষা: মোবাইল বা গ্যাজেটের বাইরে মাঠে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করা। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ‘না’ বলার সাহস দেওয়া। রাস্তার প্রাণী বা পোষা প্রাণীকে অকারণে কষ্ট না দেওয়া। গৃহকর্মী বা রিকশাচালক- সবার কাজের প্রতি সম্মান দেখানো। দিন শেষে নিজের কাছে যা আছে, এ জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।

শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। আপনি যা করবেন, তারা সেটিই শিখবে। তাই ওই শিক্ষাগুলো তাদের দেওয়ার আগে নিজের আচরণে তার প্রতিফলন ঘটান। আপনার ছোট ছোট এই পদক্ষেপগুলোই আগামী দিনে আপনার সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।

শিশুর বয়স ১০ বছরের আগে যেসব শিক্ষা জরুরি: একটি শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে তার পরিবার। শিক্ষক হচ্ছেন মা-বাবা। প্রত্যেক মা-বাবা চান, তার সন্তান ইতিবাচক গুণাবলি নিয়ে বেড়ে উঠুক। যেমন সততা, দয়া, মিতব্যয় ইত্যাদি। কিন্তু একটি শিশুর মধ্যে আপনাআপনি কিংবা রাতারাতি গুণগুলো গড়ে ওঠে না। তার জন্য যথাসময়ে উপযুক্ত শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে।

মূলত ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে যা শিক্ষা দেওয়া হয়, একটি শিশু বড় হয়ে সেসব গুণেরই অধিকারী হয়। তাই শিশুর জন্মের পর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। ১০ বছর বয়সের আগেই শিশুকে যা শিক্ষা দেওয়া উচিত, তা হলো-

সবাইকেই সম্মানের চোখে দেখা: বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বৈষম্য। আপনার সন্তানের মধ্যে যেন বৈষম্যের বীজ সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। সবাইকে সমানভাবে দেখার শিক্ষা দিন।

ভুল করা অপরাধ নয়: ভুল করা মানে সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে। আপনার সন্তান ভুল করার পর যেন হতাশ হয়ে না পড়ে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।
জ্ঞান বড়: পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করতে পারলে অনেক বাবা–মা তাদের সন্তানকে তিরস্কার করে থাকেন। কিন্তু এ তিরস্কার ঠিক নয়। সন্তানকে বোঝান যে পরীক্ষার ফলের চেয়ে অর্জিত জ্ঞানই বড়।

মা-বাবা কখনো শত্রু নয়: সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব পূর্ণ আচরণ করুন, তাদের ভরসার জায়গা হয়ে উঠুন, যাতে সে যাবতীয় সমস্যা আপনার কাছে খুলে বলতে পারে। এমন কোনো আচরণ করবেন না, যাতে আপনার সন্তান আপনাকে শত্রু ভেবে বসে।

ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ না করা: সন্তানের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না। শিশুদের মধ্যে অন্যের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। আপনার সন্তানের কাছে আপনার ছোটবেলার কথা শেয়ার করুন। সততাই সম্মান—এ বিষয়ে ওকে শিক্ষা দিন।

কিছু না বুঝলে প্রশ্ন করা: কথায় আছে জ্ঞানীর কাছে প্রশ্ন বেশি আর মূর্খের কাছে উত্তর। কোনো বিষয়ে না বুঝলে আপনার সন্তানকে নিঃসংকোচে প্রশ্ন করার শিক্ষা দিন। সবকিছু বুঝে ফেলেছে- এমন মিথ্যা ভান যেন না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অসুস্থ বোধ: শরীরিকভাবে অসুস্থ বা অস্বস্তি বোধ করলে সেটি যেন বাবা–মায়ের কাছে নিঃসংকোচে বলে ফেলে, সে বিষয়ে শিশুকে শিক্ষা দিন। এ ব্যাপারে ওর ভেতর যাতে কোনো জড়তা কাজ না করে, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনারই।

পরিবেশকে সম্মান করা: যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা, গাছের পাতা বা ফুল না ছেঁড়া- এসব বিষয়ে শিক্ষা দিন। শিশুকে পরিবেশের মুল্য সম্পর্কে জ্ঞান দিন। গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জানান।

‘না’ বলতে শেখানো: ‘না’ বলতে পারা অনেক বড় গুণ। এই ‘না’ বলতে না পারা কতটা বিড়ম্বনার সেটা বড়রা হাড়ে হাড়ে টের পান। তাই শিশুকে না বলতে সেখান। যেটা সে পারবে না সেটায় না বলতে ও যেন দ্বিধায় না ভোগে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

আজকের প্রত্যাশা/কেএমএএ

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

২০২৬ সালে শিশুর শ্রেষ্ঠ উপহার আত্মবিশ্বাসী হতে গড়ার শিক্ষা

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নারী ও শিশু ডেস্ক: নতুন বছর মানেই নতুন শুরু। আমরা বড়রা যেমন নতুন বছরের রেজিউলিশন নিই, তেমনি শিশুদেরও কিছু মানবিক ও সামাজিক শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। ২০২৬ সালে আপনার সন্তানকে একজন আত্মবিশ্বাসী ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে নিচের শিক্ষা হতে পারে তার শ্রেষ্ঠ উপহার-

শিষ্টাচার ও সামাজিকতা: কোনো সাহায্য পেলে ‘থ্যাংক ইউ’ এবং ভুল করলে ‘সরি’ বলার অভ্যাস করানো। কারো রুমে ঢোকার আগে বা কারো জিনিস ধরার আগে অনুমতি নেওয়ার শিক্ষা। ছোট-বড় সবার সাথে সঠিক আচরণ করা। পরিচিত কারো সাথে দেখা হলে হাসি মুখে সালাম বা অভিবাদন দেওয়া।

ব্যক্তিগত শৃঙ্খলা ও স্বাবলম্বিতা: নিজের খেলনা গুছিয়ে রাখা বা পড়ার টেবিল পরিষ্কার করার শিক্ষা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম থেকে ওঠা এবং রুটিন মেনে চলার গুরুত্ব। খাওয়ার আগে হাত ধোয়া এবং নিয়মিত দাঁত মাজার অভ্যাস। অপচয় না করে মাটির ব্যাংকে বা সঞ্চয় করার প্রাথমিক ধারণা।

মানবিকতা ও মূল্যবোধ: নিজের খাবার বা খেলনা বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পরিস্থিতি যাই হোক, সত্য বলার সাহস জোগানো। অন্য কেউ কষ্টে থাকলে তার পাশে দাঁড়ানো বা অন্তত সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখা। যত্রতত্র ময়লা না ফেলা এবং গাছপালার যত্ন নেওয়া।

মানসিক শক্তি ও সৃজনশীলতা: খেলায় হার-জিত থাকবেই, হারলে মন খারাপ না করে বিজয়ী অভিনন্দন জানানো। মনে কোনো দ্বিধা থাকলে বা বুঝতে না পারলে নির্ভয়ে প্রশ্ন করা। প্রতিদিন অন্তত ১০-১৫ মিনিট গল্পের বই পড়ার আগ্রহ তৈরি করা। কোনো জিনিসের জন্য বায়না না করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে শেখানো।

ডিজিটাল ও জীবনমুখী শিক্ষা: মোবাইল বা গ্যাজেটের বাইরে মাঠে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করা। কোনো অপরিচিত ব্যক্তি বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ‘না’ বলার সাহস দেওয়া। রাস্তার প্রাণী বা পোষা প্রাণীকে অকারণে কষ্ট না দেওয়া। গৃহকর্মী বা রিকশাচালক- সবার কাজের প্রতি সম্মান দেখানো। দিন শেষে নিজের কাছে যা আছে, এ জন্য সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা।

শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। আপনি যা করবেন, তারা সেটিই শিখবে। তাই ওই শিক্ষাগুলো তাদের দেওয়ার আগে নিজের আচরণে তার প্রতিফলন ঘটান। আপনার ছোট ছোট এই পদক্ষেপগুলোই আগামী দিনে আপনার সন্তানকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।

শিশুর বয়স ১০ বছরের আগে যেসব শিক্ষা জরুরি: একটি শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে তার পরিবার। শিক্ষক হচ্ছেন মা-বাবা। প্রত্যেক মা-বাবা চান, তার সন্তান ইতিবাচক গুণাবলি নিয়ে বেড়ে উঠুক। যেমন সততা, দয়া, মিতব্যয় ইত্যাদি। কিন্তু একটি শিশুর মধ্যে আপনাআপনি কিংবা রাতারাতি গুণগুলো গড়ে ওঠে না। তার জন্য যথাসময়ে উপযুক্ত শিক্ষার প্রয়োজন পড়ে।

মূলত ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুকে যা শিক্ষা দেওয়া হয়, একটি শিশু বড় হয়ে সেসব গুণেরই অধিকারী হয়। তাই শিশুর জন্মের পর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। ১০ বছর বয়সের আগেই শিশুকে যা শিক্ষা দেওয়া উচিত, তা হলো-

সবাইকেই সম্মানের চোখে দেখা: বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে বৈষম্য। আপনার সন্তানের মধ্যে যেন বৈষম্যের বীজ সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। সবাইকে সমানভাবে দেখার শিক্ষা দিন।

ভুল করা অপরাধ নয়: ভুল করা মানে সব কিছু শেষ হয়ে যাওয়া নয়। ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা গ্রহণ করে। আপনার সন্তান ভুল করার পর যেন হতাশ হয়ে না পড়ে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।
জ্ঞান বড়: পরীক্ষায় আশানুরূপ ফল না করতে পারলে অনেক বাবা–মা তাদের সন্তানকে তিরস্কার করে থাকেন। কিন্তু এ তিরস্কার ঠিক নয়। সন্তানকে বোঝান যে পরীক্ষার ফলের চেয়ে অর্জিত জ্ঞানই বড়।

মা-বাবা কখনো শত্রু নয়: সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্ব পূর্ণ আচরণ করুন, তাদের ভরসার জায়গা হয়ে উঠুন, যাতে সে যাবতীয় সমস্যা আপনার কাছে খুলে বলতে পারে। এমন কোনো আচরণ করবেন না, যাতে আপনার সন্তান আপনাকে শত্রু ভেবে বসে।

ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ না করা: সন্তানের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য বেশি চাপ প্রয়োগ করবেন না। শিশুদের মধ্যে অন্যের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার প্রবণতা দেখা যায়। আপনার সন্তানের কাছে আপনার ছোটবেলার কথা শেয়ার করুন। সততাই সম্মান—এ বিষয়ে ওকে শিক্ষা দিন।

কিছু না বুঝলে প্রশ্ন করা: কথায় আছে জ্ঞানীর কাছে প্রশ্ন বেশি আর মূর্খের কাছে উত্তর। কোনো বিষয়ে না বুঝলে আপনার সন্তানকে নিঃসংকোচে প্রশ্ন করার শিক্ষা দিন। সবকিছু বুঝে ফেলেছে- এমন মিথ্যা ভান যেন না করে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অসুস্থ বোধ: শরীরিকভাবে অসুস্থ বা অস্বস্তি বোধ করলে সেটি যেন বাবা–মায়ের কাছে নিঃসংকোচে বলে ফেলে, সে বিষয়ে শিশুকে শিক্ষা দিন। এ ব্যাপারে ওর ভেতর যাতে কোনো জড়তা কাজ না করে, সেটি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনারই।

পরিবেশকে সম্মান করা: যেখানে-সেখানে ময়লা না ফেলা, গাছের পাতা বা ফুল না ছেঁড়া- এসব বিষয়ে শিক্ষা দিন। শিশুকে পরিবেশের মুল্য সম্পর্কে জ্ঞান দিন। গাছের উপকারিতা সম্পর্কে জানান।

‘না’ বলতে শেখানো: ‘না’ বলতে পারা অনেক বড় গুণ। এই ‘না’ বলতে না পারা কতটা বিড়ম্বনার সেটা বড়রা হাড়ে হাড়ে টের পান। তাই শিশুকে না বলতে সেখান। যেটা সে পারবে না সেটায় না বলতে ও যেন দ্বিধায় না ভোগে, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

আজকের প্রত্যাশা/কেএমএএ