ঢাকা ০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

১০ লাখ গাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে মার্সিডিজ

  • আপডেট সময় : ১২:৪১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জার্মানির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১০ লাখ পুরোনো গাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ব্রেকিং সিস্টেমে ত্রুটির কারণে সম্ভাব্য সমস্যার কথা মাথায় রেখে এসব গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফেডারেল ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (কেবিএ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যেসব গাড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে নির্মিত এসইউভি সিরিজের এমএল, জিএল এবং আর-ক্লাস লাক্সারি মিনিভ্যান মডেলের গাড়ি।
কেবিএ জানিয়েছে, ব্রেকিং সিস্টেমের ত্রুটির কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। এসব কথা বিবেচনা করেই যেসব গাড়িতে এ ধরনের ত্রুটি রয়েছে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জার্মানির প্রথম সারির বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাণ করে থাকে মার্সিডিজ বেঞ্জ। দারুণ সব গাড়ি নিয়ে বহু বছর ধরেই তারা গাড়ির বাজার বেশ ভালো ভাবেই দখল করে রেখেছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে ১৩ লাখ গাড়ি সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া ২০২০ সালে চীন থেকে সাড়ে ছয় লাখের মতো গাড়ি সরিয়ে নেয় মার্সিডিজ বেঞ্জ। তেল লিক হওয়ার কারণে ওই গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। মার্সিডিজের সি-ক্লাস, ই-ক্লাস, ভি-ক্লাস, জিএলকে-ক্লাস, সিএলএস-ক্লাস, সিএলসি-ক্লাস, জিএলসি এসইউভি, ভিএস২০ ভিটো মডেলে সে সময় সমস্যা ধরা পড়ে। কেবিএ জানিয়েছে, বর্তমানে সারাবিশ্ব থেকে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৭টি গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে জার্মানি থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার গাড়ি।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

১০ লাখ গাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে মার্সিডিজ

আপডেট সময় : ১২:৪১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুন ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জার্মানির গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মার্সিডিজ-বেঞ্জ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১০ লাখ পুরোনো গাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে। ব্রেকিং সিস্টেমে ত্রুটির কারণে সম্ভাব্য সমস্যার কথা মাথায় রেখে এসব গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ফেডারেল ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (কেবিএ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
যেসব গাড়ি তুলে নেওয়া হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ২০০৪ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে নির্মিত এসইউভি সিরিজের এমএল, জিএল এবং আর-ক্লাস লাক্সারি মিনিভ্যান মডেলের গাড়ি।
কেবিএ জানিয়েছে, ব্রেকিং সিস্টেমের ত্রুটির কারণে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে। এসব কথা বিবেচনা করেই যেসব গাড়িতে এ ধরনের ত্রুটি রয়েছে সেগুলো সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
জার্মানির প্রথম সারির বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাণ করে থাকে মার্সিডিজ বেঞ্জ। দারুণ সব গাড়ি নিয়ে বহু বছর ধরেই তারা গাড়ির বাজার বেশ ভালো ভাবেই দখল করে রেখেছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে ১৩ লাখ গাড়ি সরিয়ে নেয় প্রতিষ্ঠানটি।
এছাড়া ২০২০ সালে চীন থেকে সাড়ে ছয় লাখের মতো গাড়ি সরিয়ে নেয় মার্সিডিজ বেঞ্জ। তেল লিক হওয়ার কারণে ওই গাড়িগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। মার্সিডিজের সি-ক্লাস, ই-ক্লাস, ভি-ক্লাস, জিএলকে-ক্লাস, সিএলএস-ক্লাস, সিএলসি-ক্লাস, জিএলসি এসইউভি, ভিএস২০ ভিটো মডেলে সে সময় সমস্যা ধরা পড়ে। কেবিএ জানিয়েছে, বর্তমানে সারাবিশ্ব থেকে ৯ লাখ ৯৩ হাজার ৪০৭টি গাড়ি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে জার্মানি থেকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৭০ হাজার গাড়ি।