ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

হাবিবের সঙ্গে ‘ইতিহাস’ রচনা করলাম: প্রিন্স মাহমুদ

  • আপডেট সময় : ০৭:২২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনে প্রিন্স মাহমুদ এবং হাবিব ওয়াহিদ দুই পরিচিত নাম। দুজনেরই গান নিয়ে পথ চলা কয়েক দশকের। কিন্তু দুজনকে একসঙ্গে কোনো কাজে পাওয়া গেল এই প্রথম। রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমায় প্রিন্স মাহমুদের লেখা, সুর ও সংগীতায়োজনে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হাবিব। গানের শিরোনাম ‘যদি আলো আসত’। সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পেলেও টাইগার মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি এসেছে দিন কয়েক আগে।

গানটি প্রচারের পর ‘প্রশংসা আসছে’ জানিয়ে প্রিন্স মাহমুদ গ্লিটজকে বলেন, “গানটি দিয়ে হাবিবের সঙ্গে নতুন ইতিহাস রচিত হলো বলা যায়। গানটি সত্যিই অন্যরকম সুন্দর। রিলিজের পর অনেকেই প্রশংসা করছেন।” সারল্যপূর্ণ কথা দিয়ে গানটি বোনার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রিন্স মাহমুদ। তার কথায় ‘যদি আলো আসত’ গানে কাব্যও আছে। তিনি বলেন, “’হাহাকার মেশানো ভুল, এই ক্লান্তির কালো ফুল চোখের নিচে জায়গা পেত না’ এই কথাগুলো সুরের সঙ্গে মিশে মানুষকে ভীষণভাবে কানেক্ট করে। সুরটা করার সময় মাথায় ছিল, এটা যেন মানুষের ভিতরকে স্পর্শ করে। একবার শুনলে যেন আবার শুনতে ইচ্ছা হয়। গানটি প্রচারের পর কিন্তু সবাই পছন্দ করছে।”

হাবিবের গায়কির প্রশংসা করেছেন এই গীতিকার। “শুরু থেকেই চেয়েছিলাম মানুষকে মায়ায় জড়িয়ে ফেলতে। হাবিবের গায়কি সেই মায়ায় ফেলেছে। এই গানের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়তেই থাকবে, আমার অন্যান্য গানের মত।” ‘জংলি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলী এবং প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এম রহিমের পরিচালনায় প্রেম ও প্রতিশোধের গল্পের সিনেমা এটি। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘জংলির’ গল্প লিখেছেন আজাদ খান। চিত্রনাট্য করেছেন মেহেদী হাসান মুন ও সুকৃতি সাহা। ‘জংলির’ অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, সোহেল খান, এরফান মৃধা শিবলু। এ সিনেমার চারটি গান রয়েছে। সবকটি গানের কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। এর আগে প্রকাশ্যে এসেছিল ‘জনম জনম’ ও ‘বন্ধুগো শোনো’ গান।

 

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

হাবিবের সঙ্গে ‘ইতিহাস’ রচনা করলাম: প্রিন্স মাহমুদ

আপডেট সময় : ০৭:২২:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক: দেশের সংগীতাঙ্গনে প্রিন্স মাহমুদ এবং হাবিব ওয়াহিদ দুই পরিচিত নাম। দুজনেরই গান নিয়ে পথ চলা কয়েক দশকের। কিন্তু দুজনকে একসঙ্গে কোনো কাজে পাওয়া গেল এই প্রথম। রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘জংলি’ সিনেমায় প্রিন্স মাহমুদের লেখা, সুর ও সংগীতায়োজনে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হাবিব। গানের শিরোনাম ‘যদি আলো আসত’। সিনেমাটি ঈদে মুক্তি পেলেও টাইগার মিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেলে গানটি এসেছে দিন কয়েক আগে।

গানটি প্রচারের পর ‘প্রশংসা আসছে’ জানিয়ে প্রিন্স মাহমুদ গ্লিটজকে বলেন, “গানটি দিয়ে হাবিবের সঙ্গে নতুন ইতিহাস রচিত হলো বলা যায়। গানটি সত্যিই অন্যরকম সুন্দর। রিলিজের পর অনেকেই প্রশংসা করছেন।” সারল্যপূর্ণ কথা দিয়ে গানটি বোনার চেষ্টা করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রিন্স মাহমুদ। তার কথায় ‘যদি আলো আসত’ গানে কাব্যও আছে। তিনি বলেন, “’হাহাকার মেশানো ভুল, এই ক্লান্তির কালো ফুল চোখের নিচে জায়গা পেত না’ এই কথাগুলো সুরের সঙ্গে মিশে মানুষকে ভীষণভাবে কানেক্ট করে। সুরটা করার সময় মাথায় ছিল, এটা যেন মানুষের ভিতরকে স্পর্শ করে। একবার শুনলে যেন আবার শুনতে ইচ্ছা হয়। গানটি প্রচারের পর কিন্তু সবাই পছন্দ করছে।”

হাবিবের গায়কির প্রশংসা করেছেন এই গীতিকার। “শুরু থেকেই চেয়েছিলাম মানুষকে মায়ায় জড়িয়ে ফেলতে। হাবিবের গায়কি সেই মায়ায় ফেলেছে। এই গানের গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বাড়তেই থাকবে, আমার অন্যান্য গানের মত।” ‘জংলি’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, শবনম বুবলী এবং প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। এম রহিমের পরিচালনায় প্রেম ও প্রতিশোধের গল্পের সিনেমা এটি। সত্য ঘটনা অবলম্বনে ‘জংলির’ গল্প লিখেছেন আজাদ খান। চিত্রনাট্য করেছেন মেহেদী হাসান মুন ও সুকৃতি সাহা। ‘জংলির’ অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি, দিলারা জামান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, সোহেল খান, এরফান মৃধা শিবলু। এ সিনেমার চারটি গান রয়েছে। সবকটি গানের কথা, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স মাহমুদ। এর আগে প্রকাশ্যে এসেছিল ‘জনম জনম’ ও ‘বন্ধুগো শোনো’ গান।