ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

স্কটল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না উইন্ডিজ

  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে


ক্রীড়া ডেস্ক : দুই বিশ্বকাপের মাঝে স্রেফ দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা। সামান্য এই প্রস্তুতি নিয়েই বৈশ্বিক আসরে এসে জ্বলে উঠলেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার। ওপেনিংয়ে নেমে দায়িত্বশীল এক ইনিংস উপহার দিলেন জর্জ মানজি। বাকিরাও রাখলেন টুকটাক অবদান। পরে বোলাররা ছড়ালেন আলো। টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রথম দেখায় দারুণ এক জয় তুলে নিল স্কটিশরা। হোবার্টে সোমবার প্রাথমিক পর্বে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ৪২ রানে হারায় স্কটল্যান্ড। ১৬০ হারের পুঁজি গড়ে প্রতিপক্ষকে তারা গুঁড়িয়ে দেয় স্রেফ ১১৮ রানে।
টি-টোয়েন্টির গত বৈশ্বিক আসরে ওমানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল স্কটল্যান্ড। এবার অস্ট্রেলিয়া আসরও শুরু করল তারা জয় দিয়ে। অনায়াসে হারাল নিকোলাস পুরানের দলকে। গত আসরে সুপার টুয়েলভ থেকে বাদ পড়া স্কটল্যান্ড এরপর মাত্র দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পেয়েছে। সেখানেও খুব ভালো কিছু করতে পারেননি তারা। জুলাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই হারে তারা বড় ব্যবধানে। এরপর বিশ্বকাপে নেমেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়। এতে সবচেয়ে বড় অবদান মানজির। ৯ চারে ৫৩ বলে ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। অবদান কম নয় মার্ক ওয়াটের। দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্রেফ ১২ রানে ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি এই স্পিনার। দুটি করে প্রাপ্তি ব্র্যাড হুইল ও মাইকেল লিস্কের। একটি করে শিকার ধরেন জশ ডেভি ও সাফওয়ান শরিফ। বেলেরিভ ওভালের সবুজ ঘাসের উইকেটে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্কটল্যান্ডকে বেশ ভালো শুরু এনে দেন মাইকেল জোন্স ও মানজি। দুই ওপেনারের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলে দলটি। প্রথম ওভারে কাইল মেয়ার্সকে টানা দুই চার মারেন জোন্স। এই পেসারের পরের ওভারে মানজি হাঁকান তিন চার। পরে আলজারি জোসেফকে টানা তিন চার মারেন বাঁহাতি মানজি। ষষ্ঠ ওভারের মাঝে হানা দেয় বৃষ্টি। আধা ঘণ্টা পর খেলা শুরু হলেও কাটা হয়নি ওভার। বৃষ্টির পর কমে যায় স্কটল্যান্ডের রানের গতি। উইকেটও হারাতে থাকে তারা একের পর এক।
সপ্তম ওভারে জোন্সকে (৩ চারে ২০) বোল্ড করে ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন জেসন হোল্ডার। এই পেসার পরের ওভারে ফেরান ম্যাথু ক্রসকে। অধিনায়ক বেরিংটন (১ ছক্কায় ৬) জোসেফের শিকার। ক্যালাম ম্যাকলাউড এসে মনোযোগ দেন দ্রুত রান তোলায়। ৪ চারে ২৩ রান করে ফেরেন ওডিন স্মিথের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়ে। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যান মানজি। ৪৩ বলে স্পর্শ করেন ক্যারিয়ারের অষ্টম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। চলতি আসরে এটাই প্রথম ফিফটি। এই ব্যাটসম্যান শেষ ওভারে স্মিথকে তিন চার মেরে দেড়শ পার করেন দলের রান। শেষ দিকে ক্রিস গ্রিভসও এনে দেন দ্রুত কিছু রান। মানজির সঙ্গে ২১ বলে ৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে গ্রিভস করেন ২ চারে ১৬। রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি কাইল মেয়ার্স, এভিন লুইস ও ব্র্যান্ডন কিং। তিন জনই ফেরেন দুই অঙ্কে গিয়ে। এরপর বালির বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং লাইন আপ। তাড়াহুড়ো করে খেলার চেষ্টায় একের পর এক সাজঘরে ফেরেন নিকোলাস পুরান, রভম্যান পাওয়েলরা। ব্যাটিং ধসে পড়া দলের হয়ে কিছুক্ষণ লড়াই করেন হোল্ডার। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১ ছক্কা ও ৪ চারে ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৮ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে ৭ ব্যাটসম্যানই যেতে পারেননি দুই অঙ্কে। তাদের কোনো জুটি থেকে ৪০ রানও আসেনি। দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ ৩৩ রানের জুটি গড়েন লুইস ও ক
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
স্কটল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬০/৫ (মানজি ৬৬, জোন্স ২০, ক্রস ৩, বেরিংটন ১৬, ম্যাকলাউড ২৩, লিস্ক ৪, গ্রিভস ১৬; মেয়ার্স ২-০-২৪-০, আকিল ৪-০-৩১-০, জোসেফ ৪-০-২৮-২, ম্যাককয় ৩-০-২৫-০, হোল্ডার ৩-০-১৪-২, স্মিথ ৪-০-৩১-১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮.৩ ওভারে ১১৮ (মেয়ার্স ২০, লুইস ১৪, কিং ১৭, পুরান ৪, ব্রুকস ৪, পাওয়েল ৫, হোল্ডার ৩৮, আকিল ১, জোসেফ ০, স্মিথ ৫, ম্যাককয় ২*; ওয়াট ৪-০-১২-৩, হুইল ৪-০-৩২-২, ডেভি ৩-০-৩৪-১, শরিফ ৩.৩-০-২৩-০, লিস্ক ৪-০-১৫-২)
ফল: স্কটল্যান্ড ৪২ রানে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: জর্জ মানজি

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কটল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না উইন্ডিজ

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২


ক্রীড়া ডেস্ক : দুই বিশ্বকাপের মাঝে স্রেফ দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা। সামান্য এই প্রস্তুতি নিয়েই বৈশ্বিক আসরে এসে জ্বলে উঠলেন স্কটল্যান্ডের ক্রিকেটার। ওপেনিংয়ে নেমে দায়িত্বশীল এক ইনিংস উপহার দিলেন জর্জ মানজি। বাকিরাও রাখলেন টুকটাক অবদান। পরে বোলাররা ছড়ালেন আলো। টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রথম দেখায় দারুণ এক জয় তুলে নিল স্কটিশরা। হোবার্টে সোমবার প্রাথমিক পর্বে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ৪২ রানে হারায় স্কটল্যান্ড। ১৬০ হারের পুঁজি গড়ে প্রতিপক্ষকে তারা গুঁড়িয়ে দেয় স্রেফ ১১৮ রানে।
টি-টোয়েন্টির গত বৈশ্বিক আসরে ওমানে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল স্কটল্যান্ড। এবার অস্ট্রেলিয়া আসরও শুরু করল তারা জয় দিয়ে। অনায়াসে হারাল নিকোলাস পুরানের দলকে। গত আসরে সুপার টুয়েলভ থেকে বাদ পড়া স্কটল্যান্ড এরপর মাত্র দুটি টি-টোয়েন্টি খেলার সুযোগ পেয়েছে। সেখানেও খুব ভালো কিছু করতে পারেননি তারা। জুলাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই হারে তারা বড় ব্যবধানে। এরপর বিশ্বকাপে নেমেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়। এতে সবচেয়ে বড় অবদান মানজির। ৯ চারে ৫৩ বলে ৬৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। অবদান কম নয় মার্ক ওয়াটের। দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্রেফ ১২ রানে ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি এই স্পিনার। দুটি করে প্রাপ্তি ব্র্যাড হুইল ও মাইকেল লিস্কের। একটি করে শিকার ধরেন জশ ডেভি ও সাফওয়ান শরিফ। বেলেরিভ ওভালের সবুজ ঘাসের উইকেটে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্কটল্যান্ডকে বেশ ভালো শুরু এনে দেন মাইকেল জোন্স ও মানজি। দুই ওপেনারের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলে দলটি। প্রথম ওভারে কাইল মেয়ার্সকে টানা দুই চার মারেন জোন্স। এই পেসারের পরের ওভারে মানজি হাঁকান তিন চার। পরে আলজারি জোসেফকে টানা তিন চার মারেন বাঁহাতি মানজি। ষষ্ঠ ওভারের মাঝে হানা দেয় বৃষ্টি। আধা ঘণ্টা পর খেলা শুরু হলেও কাটা হয়নি ওভার। বৃষ্টির পর কমে যায় স্কটল্যান্ডের রানের গতি। উইকেটও হারাতে থাকে তারা একের পর এক।
সপ্তম ওভারে জোন্সকে (৩ চারে ২০) বোল্ড করে ৫৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন জেসন হোল্ডার। এই পেসার পরের ওভারে ফেরান ম্যাথু ক্রসকে। অধিনায়ক বেরিংটন (১ ছক্কায় ৬) জোসেফের শিকার। ক্যালাম ম্যাকলাউড এসে মনোযোগ দেন দ্রুত রান তোলায়। ৪ চারে ২৩ রান করে ফেরেন ওডিন স্মিথের বলে কাভারে ক্যাচ দিয়ে। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে যান মানজি। ৪৩ বলে স্পর্শ করেন ক্যারিয়ারের অষ্টম টি-টোয়েন্টি ফিফটি। চলতি আসরে এটাই প্রথম ফিফটি। এই ব্যাটসম্যান শেষ ওভারে স্মিথকে তিন চার মেরে দেড়শ পার করেন দলের রান। শেষ দিকে ক্রিস গ্রিভসও এনে দেন দ্রুত কিছু রান। মানজির সঙ্গে ২১ বলে ৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে গ্রিভস করেন ২ চারে ১৬। রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি কাইল মেয়ার্স, এভিন লুইস ও ব্র্যান্ডন কিং। তিন জনই ফেরেন দুই অঙ্কে গিয়ে। এরপর বালির বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাটিং লাইন আপ। তাড়াহুড়ো করে খেলার চেষ্টায় একের পর এক সাজঘরে ফেরেন নিকোলাস পুরান, রভম্যান পাওয়েলরা। ব্যাটিং ধসে পড়া দলের হয়ে কিছুক্ষণ লড়াই করেন হোল্ডার। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি করেন ১ ছক্কা ও ৪ চারে ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩৮ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে ৭ ব্যাটসম্যানই যেতে পারেননি দুই অঙ্কে। তাদের কোনো জুটি থেকে ৪০ রানও আসেনি। দ্বিতীয় উইকেটে সর্বোচ্চ ৩৩ রানের জুটি গড়েন লুইস ও ক
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
স্কটল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৬০/৫ (মানজি ৬৬, জোন্স ২০, ক্রস ৩, বেরিংটন ১৬, ম্যাকলাউড ২৩, লিস্ক ৪, গ্রিভস ১৬; মেয়ার্স ২-০-২৪-০, আকিল ৪-০-৩১-০, জোসেফ ৪-০-২৮-২, ম্যাককয় ৩-০-২৫-০, হোল্ডার ৩-০-১৪-২, স্মিথ ৪-০-৩১-১)
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১৮.৩ ওভারে ১১৮ (মেয়ার্স ২০, লুইস ১৪, কিং ১৭, পুরান ৪, ব্রুকস ৪, পাওয়েল ৫, হোল্ডার ৩৮, আকিল ১, জোসেফ ০, স্মিথ ৫, ম্যাককয় ২*; ওয়াট ৪-০-১২-৩, হুইল ৪-০-৩২-২, ডেভি ৩-০-৩৪-১, শরিফ ৩.৩-০-২৩-০, লিস্ক ৪-০-১৫-২)
ফল: স্কটল্যান্ড ৪২ রানে জয়ী
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: জর্জ মানজি