ঢাকা ১১:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

সেতু ধস, মোদির সফর ঘিরে ‘ফটোশুটের প্রস্তুতির’ সমালোচনায় বিরোধীরা

  • আপডেট সময় : ১২:১০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২
  • ১৪২ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গুজরাটের মৌরবিতে ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতু ধসে ১৪১ জন নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার অঞ্চলটিতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এর আগেই তার সফর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী দল কংগ্রেসের দাবি, মোদির সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হাসপাতালে রঙ করানো হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ খরব জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘তাদের লজ্জা করে না! এতো মানুষ মারা গেছে এবং তারা একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল সোমবারই মৌরবি যাবেন মোদি। তবে প্রধানমন্ত্রী ‘কর্তব্যের পথ’ বেছে নিয়ে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ২৯শ’ কোটি রুপির রেল প্রকল্প উদ্বোধন করেন। সকালে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্ট্যাচু অব ইউনিটিতেও যান। সেখানে তার বক্তৃতায় উঠে এসেছিল মৌরবির মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টি। তবে এরইমধ্যে এবার বিরোধীরা তোপ দাগতে শুরু করলো মোদিকে।শুধু কংগ্রেস নয়, হাসপাতাল রঙ করার ভিডিও প্রকাশ করে বিজেপিকে তোপ দাগে আম আদমি পার্টিও। টুইটারে দেওয়া পোস্টে তারা লিখেছে, ‘মৌরবি সিভিল হাসপাতাল রাতারাতি রঙ করা হচ্ছে। যাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ফটোশুটের সময় ভবনের খারাপ অবস্থা প্রকাশ না পায়। ১৪১ জন মারা গেছে, শতাধিক নিখোঁজ। এই আবহে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু ফটোশুট করে বিজেপিকে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে হবে।’হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে অবশ্য বলা হয়েছে, তাদের পক্ষে আম আদমি পার্টি এবং কংগ্রেসের পোস্ট করা ছবি এবং ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এদিকে গুজরাটের মৌরবি সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার রাতে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেখানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি, রাজ্যের ডিজিপি আশিস কুমার ও মুখ্যসচিব পঙ্কজ ভাটিয়া। গান্ধীনগরের রাজভবনে এই বৈঠক বসেছিল। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় সেখানে। উদ্ধারকাজ এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় মোদির কাছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দেন নরেন্দ্র মোদি।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

সেতু ধস, মোদির সফর ঘিরে ‘ফটোশুটের প্রস্তুতির’ সমালোচনায় বিরোধীরা

আপডেট সময় : ১২:১০:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ নভেম্বর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : গুজরাটের মৌরবিতে ঐতিহাসিক ঝুলন্ত সেতু ধসে ১৪১ জন নিহত হওয়ার পর মঙ্গলবার অঞ্চলটিতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে এর আগেই তার সফর ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী দল কংগ্রেসের দাবি, মোদির সফরকে কেন্দ্র করে স্থানীয় হাসপাতালে রঙ করানো হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে এ খরব জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।কংগ্রেসের টুইটার হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে বলা হয়েছে, ‘তাদের লজ্জা করে না! এতো মানুষ মারা গেছে এবং তারা একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল সোমবারই মৌরবি যাবেন মোদি। তবে প্রধানমন্ত্রী ‘কর্তব্যের পথ’ বেছে নিয়ে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ২৯শ’ কোটি রুপির রেল প্রকল্প উদ্বোধন করেন। সকালে সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে স্ট্যাচু অব ইউনিটিতেও যান। সেখানে তার বক্তৃতায় উঠে এসেছিল মৌরবির মর্মান্তিক দুর্ঘটনার বিষয়টি। তবে এরইমধ্যে এবার বিরোধীরা তোপ দাগতে শুরু করলো মোদিকে।শুধু কংগ্রেস নয়, হাসপাতাল রঙ করার ভিডিও প্রকাশ করে বিজেপিকে তোপ দাগে আম আদমি পার্টিও। টুইটারে দেওয়া পোস্টে তারা লিখেছে, ‘মৌরবি সিভিল হাসপাতাল রাতারাতি রঙ করা হচ্ছে। যাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ফটোশুটের সময় ভবনের খারাপ অবস্থা প্রকাশ না পায়। ১৪১ জন মারা গেছে, শতাধিক নিখোঁজ। এই আবহে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কিন্তু ফটোশুট করে বিজেপিকে পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে হবে।’হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে অবশ্য বলা হয়েছে, তাদের পক্ষে আম আদমি পার্টি এবং কংগ্রেসের পোস্ট করা ছবি এবং ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।এদিকে গুজরাটের মৌরবি সেতু ভেঙে পড়ার ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার রাতে। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেখানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি, রাজ্যের ডিজিপি আশিস কুমার ও মুখ্যসচিব পঙ্কজ ভাটিয়া। গান্ধীনগরের রাজভবনে এই বৈঠক বসেছিল। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় সেখানে। উদ্ধারকাজ এবং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয় মোদির কাছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দেন নরেন্দ্র মোদি।