আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সরকারি সহায়তা পাওয়া বিদেশি অভিবাসীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভুটান, চীন, নেপালসহ শতাধিক দেশের অভিবাসী। তবে তালিকায় নেই ভারত।
রোববার (৪ জানুয়ারি) নিজস্ব সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। সেখানে দেখা গেছে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর মধ্যে ৫৪ শতাংশেরও বেশি সহায়তা পেয়ে থাকেন।
কর্মসূত্রে বা অন্য কারণে বিভিন্ন দেশের মানুষ দীর্ঘ সময় বা পাকাপাকি ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত মানলে তবেই তারা নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন। না হলে অভিবাসী হিসেবেই থাকতে হয় তাদের। আর এই অভিবাসীদের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে কিছু অর্থ বরাদ্দ করে মার্কিন প্রশাসন। এই অর্থ তাদের সামগ্রিক উন্নয়নে ব্যবহৃত হয়। এরমধ্যে রয়েছে- খাদ্য, সরকারি স্বাস্থ্য এবং ঘর ভাড়া ইত্যাদি।
ট্রাম্পের প্রকাশিত তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ভুটানের অভিবাসী পরিবারগুলো। দেশটির ৮১.৪ শতাংশ অভিবাসী পরিবার মার্কিন সরকারি সাহায্য পেয়ে থাকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইয়েমেন (৭৫ দশমিক ২ শতাংশ)। আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ৭১ দশমিক ৯ শতাংশ সোমালিয়ার অভিবাসী পরিবারগুলো সহায়তা নেয়।
ট্রাম্পের প্রকাশিত তালিকা থেকে দেখা গেছে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশি পরিবারগুলোই (৫৪.৮ শতাংশ) সবচেয়ে বেশি সহায়তা নেয়। এ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান (৬৮.১), পাকিস্তান (৪০.২), চীন (৩২.৯ শতাংশ), ইসরায়েল/ফিলিস্তিন (২৫.৯ শতাংশ), ইউক্রেন (৪২.৭ শতাংশ)।
অন্যদিকে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় অভিবাসী বসবাস করলেও ভারতের নাম এই তারিকায় নেই। তবে ভারতের নাম কেন রাখা হয়নি, তা স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই অভিবাসন নীতি কঠোর করার বার্তা দিয়েছেন ট্রাম্প। অভিবাসীদের জন্য সরকারি ব্যয়-বরাদ্দ কাটছাঁট করার হুমকিও দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে তার এই তালিকা প্রকাশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় ভারতের নাম সেই তালিকায় না থাকা। হতে পারে ভারতীয় পারিবারগুলো এই সহায়তার আর নাও পেতে পারেন।
ওআ/আপ্র/০৫/০১/২০২৫
























