ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

যমজ সন্তানের মা হলেন অ্যাম্বার হার্ড

  • আপডেট সময় : ০৯:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন ডেস্ক: যমজ সন্তানের মা হয়েছেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’ খ্যাত হলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড। নিজের পায়ের সঙ্গে দুই জোড়া ছোট্ট পায়ের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সন্তান জন্মদানের এই খবর অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন বলে লিখেছে বিবিসি।

হার্ড লিখেছেন, যমজ সন্তানের মধ্যে একটি মেয়ে, যার নাম রেখেছেন অ্যাগনেস; আর ছেলের নাম ওশান। চার বছর আগে হার্ডের প্রথম কন্যা সন্তান ওনাঘের জন্ম হয়েছিল। ২০২৫ সালে মা দিবসটি তিনি কখনোই ভুলবেন না জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন. “বছরের পর বছর ধরে যে পরিবারটি গড়ে তোলার চেষ্টা করে আসছি, আর সেই পূর্ণতা উদযাপনের অভিব্যক্তি প্রকাশের ভাষা জানা নেই। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে খবরটি জানাচ্ছি, আমি হার্ড গ্যাংয়ে যমজদের স্বাগত জানিয়েছি।”

দ্বিতীবার মা হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে হার্ড লিখেছেন, “চার বছর আগে যখন আমার মেয়ে ওনাঘের জন্ম হয়েছিল, আমার পৃথিবী চিরতরে বদলে গিয়েছিল। মনে হয়েছিল, এর চেয়ে বড় কোনো আনন্দ আর নেই। এখন অ্যাগনেস ও ওশেন আমার হৃদয় পূর্ণ করেছে।সন্তানদের নিয়ে আমার সেই আনন্দ এখন তিনগুণ বেড়ে গেছে।“

হার্ডের কথায়, “আমি ভেবেচিন্তে ও দায়িত্বশীলভাবে মাতৃত্ব বেছে নিয়েছি। পরিবার গড়ার স্বপ্ন আমি বহু বছর ধরে লালন করেছি। ফার্টিলিটি চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও নিজের ইচ্ছায় মা হওয়া জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা।”

সব মায়েদের উদ্দেশে হার্ড লিখেছেন, “আপনারা আজ যেখানেই থাকুন না কেন এবং যে পথেই মাতৃত্বে পৌঁছান না কেন, আমি ও আমার স্বপ্নের পরিবার আপনাদের সঙ্গে উদযাপন করছি।” দীর্ঘ পোস্টে হার্ড কোথাও তার যমজ সন্তানদের বাবার নাম প্রকাশ করেননি। ২০১৮ সালে ‘অ্যাকুয়াম্যান’ সিনেমায় অভিনয় করেন অ্যাম্বার হার্ড।

প্রথম সিনেমা থেকে তিনি ২০ লাখ ডলার আয় করেন। এছাড়া ‘দ্য রাম ডায়েরি’, ‘ড্রাইভ অ্যাংরি’, ‘জম্বিল্যান্ড’ সিনেমার জন্যও দারুণ পরিচিত এক অভিনেত্রী।

ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে ২০১৫ সালে ঘর বেঁধেছিলেন পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান তারকা জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড, কিন্তু দুই বছরের মধ্যে ঘটে তাদের বিচ্ছেদ। পরে অ্যাকুয়াম্যান সিক্যুয়েলে তার ফেরার খবরে বিতর্ক শুরু হয়, যখন তিনি তার সাবেক স্বামী জনি ডেপের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন।

২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে এক নিবন্ধে নিজেকে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন হার্ড। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেন ডেপ। তার পাল্টায় ১০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাল্টা মামলা করেন হার্ড।

২০২২ সালের ২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, পরস্পরের মানহানি করেছেন দুই অভিনেতাই। সেজন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ডেপকে ১ কোটি ৩ লাখ ডলার দেবেন হার্ড। আর ক্ষতিপূরণ হিসেবে হার্ড পাবেন ২০ লাখ ডলার।

ওই রায়ের ছয় মাস পর ডেপের সঙ্গে আপস রফার পথে হাটেন হার্ড। সে সময় তিনি লেখেন, “অনেক চিন্তা-ভাবনার পর তিনি আপস নিষ্পত্তির এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। “বলা দরকার, এই পথে আমি আসতে চাইনি। আমি আমার সত্য রক্ষা করেছি, আর এটা করতে গিয়েই আমার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে।”

জনি ডেপের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যেই ইলন মাস্কের সঙ্গে অ্যাম্বার হার্ড সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে ডেপের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা ও নির্যাতনের মামলায়ও বিষয়ে উঠে আসে।

হলিউড রিপোর্টারকে হার্ড বলেছিলেন, “ইলন ও আমার একটি সুন্দর সম্পর্ক ছিল। আমাদের মূল্যবোধের ভিত্তিতে এখনও একটি সুন্দর বন্ধুত্ব রয়েছে। তারপ্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে।”

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ এই মুহূর্তে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার দিকে হাঁটছে

যমজ সন্তানের মা হলেন অ্যাম্বার হার্ড

আপডেট সময় : ০৯:০১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

বিনোদন ডেস্ক: যমজ সন্তানের মা হয়েছেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’ খ্যাত হলিউডের আলোচিত অভিনেত্রী অ্যাম্বার হার্ড। নিজের পায়ের সঙ্গে দুই জোড়া ছোট্ট পায়ের ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সন্তান জন্মদানের এই খবর অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন বলে লিখেছে বিবিসি।

হার্ড লিখেছেন, যমজ সন্তানের মধ্যে একটি মেয়ে, যার নাম রেখেছেন অ্যাগনেস; আর ছেলের নাম ওশান। চার বছর আগে হার্ডের প্রথম কন্যা সন্তান ওনাঘের জন্ম হয়েছিল। ২০২৫ সালে মা দিবসটি তিনি কখনোই ভুলবেন না জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন. “বছরের পর বছর ধরে যে পরিবারটি গড়ে তোলার চেষ্টা করে আসছি, আর সেই পূর্ণতা উদযাপনের অভিব্যক্তি প্রকাশের ভাষা জানা নেই। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে খবরটি জানাচ্ছি, আমি হার্ড গ্যাংয়ে যমজদের স্বাগত জানিয়েছি।”

দ্বিতীবার মা হওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করে হার্ড লিখেছেন, “চার বছর আগে যখন আমার মেয়ে ওনাঘের জন্ম হয়েছিল, আমার পৃথিবী চিরতরে বদলে গিয়েছিল। মনে হয়েছিল, এর চেয়ে বড় কোনো আনন্দ আর নেই। এখন অ্যাগনেস ও ওশেন আমার হৃদয় পূর্ণ করেছে।সন্তানদের নিয়ে আমার সেই আনন্দ এখন তিনগুণ বেড়ে গেছে।“

হার্ডের কথায়, “আমি ভেবেচিন্তে ও দায়িত্বশীলভাবে মাতৃত্ব বেছে নিয়েছি। পরিবার গড়ার স্বপ্ন আমি বহু বছর ধরে লালন করেছি। ফার্টিলিটি চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও নিজের ইচ্ছায় মা হওয়া জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা।”

সব মায়েদের উদ্দেশে হার্ড লিখেছেন, “আপনারা আজ যেখানেই থাকুন না কেন এবং যে পথেই মাতৃত্বে পৌঁছান না কেন, আমি ও আমার স্বপ্নের পরিবার আপনাদের সঙ্গে উদযাপন করছি।” দীর্ঘ পোস্টে হার্ড কোথাও তার যমজ সন্তানদের বাবার নাম প্রকাশ করেননি। ২০১৮ সালে ‘অ্যাকুয়াম্যান’ সিনেমায় অভিনয় করেন অ্যাম্বার হার্ড।

প্রথম সিনেমা থেকে তিনি ২০ লাখ ডলার আয় করেন। এছাড়া ‘দ্য রাম ডায়েরি’, ‘ড্রাইভ অ্যাংরি’, ‘জম্বিল্যান্ড’ সিনেমার জন্যও দারুণ পরিচিত এক অভিনেত্রী।

ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে ২০১৫ সালে ঘর বেঁধেছিলেন পাইরেটস অব দ্য ক্যারিবিয়ান তারকা জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড, কিন্তু দুই বছরের মধ্যে ঘটে তাদের বিচ্ছেদ। পরে অ্যাকুয়াম্যান সিক্যুয়েলে তার ফেরার খবরে বিতর্ক শুরু হয়, যখন তিনি তার সাবেক স্বামী জনি ডেপের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন।

২০১৮ সালে ওয়াশিংটন পোস্টে এক নিবন্ধে নিজেকে পারিবারিক সহিংসতার শিকার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন হার্ড। তাতে ক্ষুব্ধ হয়ে সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মানহানির মামলা করেন ডেপ। তার পাল্টায় ১০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে পাল্টা মামলা করেন হার্ড।

২০২২ সালের ২ জুন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স কাউন্টি আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, পরস্পরের মানহানি করেছেন দুই অভিনেতাই। সেজন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে ডেপকে ১ কোটি ৩ লাখ ডলার দেবেন হার্ড। আর ক্ষতিপূরণ হিসেবে হার্ড পাবেন ২০ লাখ ডলার।

ওই রায়ের ছয় মাস পর ডেপের সঙ্গে আপস রফার পথে হাটেন হার্ড। সে সময় তিনি লেখেন, “অনেক চিন্তা-ভাবনার পর তিনি আপস নিষ্পত্তির এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। “বলা দরকার, এই পথে আমি আসতে চাইনি। আমি আমার সত্য রক্ষা করেছি, আর এটা করতে গিয়েই আমার জীবন ধ্বংস হয়ে গেছে।”

জনি ডেপের সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যেই ইলন মাস্কের সঙ্গে অ্যাম্বার হার্ড সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে ডেপের সঙ্গে বিচ্ছেদের ঘটনা ও নির্যাতনের মামলায়ও বিষয়ে উঠে আসে।

হলিউড রিপোর্টারকে হার্ড বলেছিলেন, “ইলন ও আমার একটি সুন্দর সম্পর্ক ছিল। আমাদের মূল্যবোধের ভিত্তিতে এখনও একটি সুন্দর বন্ধুত্ব রয়েছে। তারপ্রতি আমার অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে।”