ঢাকা ১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

মুম্বাইয়ে চার তলা ভবন ধসে নিহত এক

  • আপডেট সময় : ১২:৪১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মুম্বাইয়ে চার তলা একটি ভবন ধসে একজন নিহত হয়েছেন। ভবন ধসে আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। ধ্বংসস্তূপে এখনো আটকা পড়ে আছেন আরও পাঁচজন। গত সোমবার রাতে কুরলার নায়েক নগর সোসাইটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি মারা গেছেন। এখনো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে দেশটির ফায়ার সার্ভিস ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরে গতরাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জানা গেছে, বসবাসকারী লোকদের ভবনটি খালি করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা যাননি। ভবনের মালিকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিএমসির অতিরিক্ত কমিশনার অশ্বিনী ভিদে বলেছেন যে ধসে পড়া ভবনটি জরাজীর্ণ এবং ২০১৩ সাল থেকে প্রথমে মেরামতের জন্য এবং পরে ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে ২১ জন লোক ছিলেন।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

মুম্বাইয়ে চার তলা ভবন ধসে নিহত এক

আপডেট সময় : ১২:৪১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মুম্বাইয়ে চার তলা একটি ভবন ধসে একজন নিহত হয়েছেন। ভবন ধসে আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। ধ্বংসস্তূপে এখনো আটকা পড়ে আছেন আরও পাঁচজন। গত সোমবার রাতে কুরলার নায়েক নগর সোসাইটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে এ পর্যন্ত ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ব্যক্তি মারা গেছেন। এখনো উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে দেশটির ফায়ার সার্ভিস ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। শিবসেনা নেতা আদিত্য ঠাকরে গতরাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। জানা গেছে, বসবাসকারী লোকদের ভবনটি খালি করার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা যাননি। ভবনের মালিকের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। বিএমসির অতিরিক্ত কমিশনার অশ্বিনী ভিদে বলেছেন যে ধসে পড়া ভবনটি জরাজীর্ণ এবং ২০১৩ সাল থেকে প্রথমে মেরামতের জন্য এবং পরে ভবনটি ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনটি ধসে পড়ার সময় সেখানে ২১ জন লোক ছিলেন।