ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬

ভালুকায় দীপু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা গ্রেফতার

  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল হোতা ইমাম ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল ভূমিকায় ছিল ইয়াছিন। উত্তেজিত জনতাকে ধর্ম অবমাননার উসকানি দিয়ে দীপুকে নির্মমভাবে মারধর করার পর হত্যা করে তার নিথর দেহ দড়ি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গাছে বেঁধে মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয় ইয়াছিন। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিল সে।

তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এসি/আপ্র/০৮/০১/২০২৫

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ভালুকায় দীপু হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০১:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

ময়মনসিংহ সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের ঘটনার মূল হোতা ইমাম ইয়াছিন আরাফাতকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহযোগিতায় ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ১৮ ডিসেম্বর রাতে ভালুকার পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির গেটে স্লোগান দিয়ে লোক জড়ো করার পেছনে মূল ভূমিকায় ছিল ইয়াছিন। উত্তেজিত জনতাকে ধর্ম অবমাননার উসকানি দিয়ে দীপুকে নির্মমভাবে মারধর করার পর হত্যা করে তার নিথর দেহ দড়ি দিয়ে টেনে-হিঁচড়ে স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গাছে বেঁধে মরদেহ পোড়ানোর ঘটনায় সরাসরি নেতৃত্ব দেয় ইয়াছিন। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিল সে।

তিনি আরো জানান, এখন পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৯ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এসি/আপ্র/০৮/০১/২০২৫