ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতে বাড়ছে মাঙ্কিপক্স

  • আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২
  • ১৭১ বার পড়া হয়েছে

বিদেশের ডেস্ক : করোনার মতো না হলেও, দিল্লিতে ধীরে ধীরে বাড়ছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্ত রোগীদের রক্তের নমুনা জিনোম সিকুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের আলাদা রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর খোঁজ প্রথম পাওয়া যায় কেরালায়। তারপর সেখানে আরো কয়েকজন রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা সকলেই বিদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন। গতকাল বুধবার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে ডাব্লিউএইচও-র মুখ্য বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন জানিয়েছেন, এখনই সতর্ক না হলে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সমস্যা বাড়তে পারে। ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ১৯৭৯-৮০ সালের পর ভারতে আর স্মল পক্সের ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়নি। মাঙ্কি পক্স যেভাবে ছড়াতে শুরু করেছে, তাতে টিকাকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। প্রয়োজনে আবার ওই টিকা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সৌম্যা জানিয়েছেন, মাঙ্কিপক্স নিয়ে এখনো প্রাথমিক স্তরের গবেষণা চলছে। তবে স্মলপক্সের টিকা যে এই রোগের ক্ষেত্রে কাজ করছে, তা কিছুটা হলেও পরিষ্কার। ফলে পরীক্ষারগুলিতে নতুন করে স্মলপক্সের টিকা প্রস্তুত করা প্রয়োজন। বস্তুত, এর জন্য সিরাম ইনস্টিটিউটকেও উদ্যোগী হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে একইসঙ্গে তিনি বলেন, স্মলপক্সের টিকা মাঙ্কিপক্সের ক্ষেত্রে কত দূর কার্যকরী তা এখনো প্রমাণসাপেক্ষ। বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে গবেষণা করছেন। চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা অবশ্য জানিয়েছেন, মাঙ্কিপক্স করোনার মতো দ্রুত ছড়াতে পারবে না। কিন্তু তাই বলে নতুন এই রোগকে হাল্কা ভাবেও নেওয়া যাবে না।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ভারতে বাড়ছে মাঙ্কিপক্স

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুলাই ২০২২

বিদেশের ডেস্ক : করোনার মতো না হলেও, দিল্লিতে ধীরে ধীরে বাড়ছে মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্ত রোগীদের রক্তের নমুনা জিনোম সিকুয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের আলাদা রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভারতে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত রোগীর খোঁজ প্রথম পাওয়া যায় কেরালায়। তারপর সেখানে আরো কয়েকজন রোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তারা সকলেই বিদেশ থেকে ভারতে এসেছিলেন। গতকাল বুধবার সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে ডাব্লিউএইচও-র মুখ্য বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন জানিয়েছেন, এখনই সতর্ক না হলে মাঙ্কিপক্স নিয়ে সমস্যা বাড়তে পারে। ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। ১৯৭৯-৮০ সালের পর ভারতে আর স্মল পক্সের ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়নি। মাঙ্কি পক্স যেভাবে ছড়াতে শুরু করেছে, তাতে টিকাকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। প্রয়োজনে আবার ওই টিকা দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। সৌম্যা জানিয়েছেন, মাঙ্কিপক্স নিয়ে এখনো প্রাথমিক স্তরের গবেষণা চলছে। তবে স্মলপক্সের টিকা যে এই রোগের ক্ষেত্রে কাজ করছে, তা কিছুটা হলেও পরিষ্কার। ফলে পরীক্ষারগুলিতে নতুন করে স্মলপক্সের টিকা প্রস্তুত করা প্রয়োজন। বস্তুত, এর জন্য সিরাম ইনস্টিটিউটকেও উদ্যোগী হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে একইসঙ্গে তিনি বলেন, স্মলপক্সের টিকা মাঙ্কিপক্সের ক্ষেত্রে কত দূর কার্যকরী তা এখনো প্রমাণসাপেক্ষ। বিজ্ঞানীরা তা নিয়ে গবেষণা করছেন। চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানীরা অবশ্য জানিয়েছেন, মাঙ্কিপক্স করোনার মতো দ্রুত ছড়াতে পারবে না। কিন্তু তাই বলে নতুন এই রোগকে হাল্কা ভাবেও নেওয়া যাবে না।