প্রত্যাশা ডেস্ক : পূর্ব ইউক্রেনের সেভারোদোনেৎস্ক শহর ও খারকিভ অঞ্চলে রুশ সেনাদের সঙ্গে চলছে তুমুল লড়াই। লড়াইয়ে ইউক্রেনের সেনারাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এ ক্ষতিকে বেদনাদায়ক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার গভীর রাতে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে জেলেনস্কি বলেন, আমাদের আরো ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী অস্ত্র দরকার। এ সময় মিত্র রাষ্ট্রদের প্রতি অবিলম্বে সরবরাহ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, আমাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করছে এবং হতাহত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন অবস্থায় মিত্রদের থেকে সরবরাহ পাঠাতে দেরি করার কোনো যুক্তি থাকতে পারে না। এর আগে সেভেরোদোনেৎস্কের সঙ্গে ইউক্রেনের যোগাযোগ স্থাপরকারী তিনটি সেতুই ধ্বংস করে দেয় রাশিয়া। ফলে সেখানে বেসামরিকসহ ইউক্রেনীয় সেনারা আটকা পড়ে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় তাদের কাছে জরুরি রসদ পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষ।
গতকাল বুধবার সকালের মধ্যে সেভেরোদোনেৎস্কের আজত প্লান্টে থাকা ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণ করার সময় দিয়েছিল রাশিয়া। বেসামরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে মানবিক করিডোর স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছে তারা। রাশিয়া এখন পুরো দনবাস অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে আর তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করছে ইউক্রেইনীয় বাহিনীগুলো। এ নিয়ে অঞ্চলটিতে দু’পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। জেলনস্কি বলেন, আগের মতোই সেভেরোদোনেৎস্ক এবং নিকটবর্তী শহর ও এলাকাগুলোতে তীব্র লড়াই চলছে। দুর্ভাগ্যবশত বেদনাদায়ক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের শক্ত থাকতে হবে- দনবাসে শক্ত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শত্রুরা যত ক্ষতির মুখে পড়বে আগ্রাসন চালানোর মতো শক্তি তার ততই কমে যাবে।
বেদনাদায়ক ক্ষতি ভোগ করছে ইউক্রেন
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ


























