ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

প্লেনে ব্যর্থ হয়ে নৌপথে পালানোর চেষ্টা লঙ্কান প্রেসিডেন্টের

  • আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২
  • ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

প্রত্যাশা ডেস্ক : প্লেনে করে দেশত্যাগের চেষ্টা করেছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার জনক্ষোভের মুখে বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেন অভিবাসন কর্মকর্তারা। ফলে আকাশপথে দেশত্যাগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কিন্তু তারপরেও দেশ ছাড়ার চেষ্টা থেমে নেই। এবার নৌপথে তিনি পালানোর চেষ্টা করেছেন বলে এএফপির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নৌবাহিনীর জাহাজে করে শ্রীলঙ্কা ছাড়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
এর আগে গোতাবায়া রাজাপাকসে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বুধবার পদত্যাগ করবেন। একই সঙ্গে তিনি শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা জানিয়েছিলেন। দেশজুড়ে গত কয়েক শতকের মধ্যে ভয়াবহ আর্থিক সঙ্কটের কারণে তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন তিনি। গত শনিবার বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে পালাতে বাধ্য হন ৭৩ বছর বয়সী গোতাবায়া রাজাপাকসে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি দেশ ছেড়ে দুবাই পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া বিমানবন্দরে গিয়ে ভিআইপি স্যুইটে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু অভিবাসন কর্মকর্তারা তার পাসপোর্টে সিল মারতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে তার দেশত্যাগের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এর আগে প্রেসিডেন্টের ভাই বাসিল রাজাপাকসেকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হয়। দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বাসিল রাজাপাকসে দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
এদিকে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন টেম্পল ট্রিতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনার পর হাসপাতালে ১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
গত শনিবার বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্যালেস, প্রেসিডেন্সিয়াল সচিবালয় দখলে নেয়। এরপর তারা প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। শ্রীলঙ্কা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন মঙ্গলবার জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা কলম্বো বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বাসিল রাজাপাকসেকে দেশত্যাগে বাধা দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট হতে চান বিরোধী নেতা প্রেমাদাসা : গোটাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগের পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান শ্রীলঙ্কার প্রধান বিরোধী দলের নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তিনি একথা জানিয়েছেন। তার দল সামাজি জন বালাবেগায়ার (এসজিবি) পক্ষ থেকে মিত্রদের সমর্থন আদায় নিয়ে যখন আলোচনা চলছে তখন তিনি এই ইচ্ছার কথা জানালেন।
শ্রীলঙ্কায় নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হাজারো মানুষ মার্চ মাস থেকে রাজপথে বিক্ষোভ করছেন। দেশটিতে নগদ অর্থ ফুরিয়ে গেছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুদ আমদানিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি এই সপ্তাহে পদত্যাগ করবেন এবং পার্লামেন্টের স্পিকার আইনপ্রণেতাদের বলেছেন ২০ জুলাই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার জন্য। বিবিসিকে প্রেমাদাসা বলেছেন, তার দল ও মিত্ররা একমত হয়েছে যে যদি শূন্যতা দেখা দেয় তাহলে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে। ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রেমাদাসা হেরেছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট হতে হলে তাকে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের সমর্থন পেতে হবে। রাজাপাকসে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে গণরোষের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজপাকসে পরিবার শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে আধিপত্য বজায় রেখেছে। জুন মাসে শ্রীলঙ্কার মূল্যস্ফীতি ৫৫ শতাংশতে পৌঁছেছে এবং লাখো মানুষ খেয়ে-পরে বাঁচতে সংকটে রয়েছে। প্রেমাদাসা বলেছেন, তিনি সর্বদলীয় অন্তর্র্বতী সরকারে যোগ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সমালোচনা রয়েছে এসজিবি নেতাকে নিয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বি রনিল বিক্রমাসিংহে তখন প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হন। রনিল বিক্রমাসিংহেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ঐক্য সরকার গঠনের পথ উন্মুক্ত করতে তিনিও পদত্যাগ করবেন। শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘দ্বিধা, অনিশ্চিয়তা ও সর্বাত্মক নৈরাজ্য’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন প্রেমাদাসা। বলছেন, দেশটির প্রয়োজন ‘ঐকমত্য, পরামর্শ, সমঝোতা এবং ঐক্যবদ্ধতা’।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, শ্রীলঙ্কার বিদেশি মুদ্রার রিজাভ নেমে এসেছে ২৫ কোটিতে। জ্বালানির ভয়াবহ ঘাটতির ফলে গণপরিবহনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো। এতে বিদ্যুৎ বিহীন থাকতে হচ্ছে মানুষদের। জ্বালানি সংকটে এই সপ্তাহে স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক মানুষ দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। প্রেমাদাসা স্বীকার করছেন, এই সংকটের দ্রুত কোনও সমাধান নেই। তার মতে, ২০১৯ সালের আগের অবস্থায় অর্থনীতিকে নিয়ে আসতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। তিনি বলেন, আমরা জনগণকে প্রতারিত করব না। আমরা অকপট হব এবং শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক দুর্দশা লাঘবের একটি পরিকল্পনা তুলে ধরব। তবে কলম্বোর গল ফেস-এর বিক্ষোভকারীরা বলছেন পার্লামেন্টের ২২৫ জন সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তারা চান রাজনীতিতে নতুন ও উদ্যমীয় মানুষদের নিয়ে নতুন সূচনা।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

প্লেনে ব্যর্থ হয়ে নৌপথে পালানোর চেষ্টা লঙ্কান প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় : ০১:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

প্রত্যাশা ডেস্ক : প্লেনে করে দেশত্যাগের চেষ্টা করেছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার জনক্ষোভের মুখে বিমানবন্দরে তাকে আটকে দেন অভিবাসন কর্মকর্তারা। ফলে আকাশপথে দেশত্যাগের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। কিন্তু তারপরেও দেশ ছাড়ার চেষ্টা থেমে নেই। এবার নৌপথে তিনি পালানোর চেষ্টা করেছেন বলে এএফপির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, নৌবাহিনীর জাহাজে করে শ্রীলঙ্কা ছাড়ার চেষ্টা করছেন তিনি।
এর আগে গোতাবায়া রাজাপাকসে জানিয়েছিলেন যে, তিনি বুধবার পদত্যাগ করবেন। একই সঙ্গে তিনি শান্তিপূর্ণ ভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা জানিয়েছিলেন। দেশজুড়ে গত কয়েক শতকের মধ্যে ভয়াবহ আর্থিক সঙ্কটের কারণে তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন তিনি। গত শনিবার বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভের মুখে প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে পালাতে বাধ্য হন ৭৩ বছর বয়সী গোতাবায়া রাজাপাকসে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি দেশ ছেড়ে দুবাই পাড়ি দিতে চেয়েছিলেন। প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া বিমানবন্দরে গিয়ে ভিআইপি স্যুইটে অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু অভিবাসন কর্মকর্তারা তার পাসপোর্টে সিল মারতে অস্বীকৃতি জানান। ফলে তার দেশত্যাগের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এর আগে প্রেসিডেন্টের ভাই বাসিল রাজাপাকসেকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়া হয়। দেশটির অভিবাসন কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বাসিল রাজাপাকসে দেশটির সাবেক অর্থমন্ত্রী ছিলেন।
এদিকে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন টেম্পল ট্রিতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের ঘটনার পর হাসপাতালে ১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।
গত শনিবার বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট প্যালেস, প্রেসিডেন্সিয়াল সচিবালয় দখলে নেয়। এরপর তারা প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহের বাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয়। শ্রীলঙ্কা ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ইমিগ্রেশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন মঙ্গলবার জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা কলম্বো বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে বাসিল রাজাপাকসেকে দেশত্যাগে বাধা দিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট হতে চান বিরোধী নেতা প্রেমাদাসা : গোটাবায়া রাজাপাকসে পদত্যাগের পর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান শ্রীলঙ্কার প্রধান বিরোধী দলের নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে তিনি একথা জানিয়েছেন। তার দল সামাজি জন বালাবেগায়ার (এসজিবি) পক্ষ থেকে মিত্রদের সমর্থন আদায় নিয়ে যখন আলোচনা চলছে তখন তিনি এই ইচ্ছার কথা জানালেন।
শ্রীলঙ্কায় নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকটের কারণে হাজারো মানুষ মার্চ মাস থেকে রাজপথে বিক্ষোভ করছেন। দেশটিতে নগদ অর্থ ফুরিয়ে গেছে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুদ আমদানিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার।
প্রেসিডেন্ট রাজাপাকসে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি এই সপ্তাহে পদত্যাগ করবেন এবং পার্লামেন্টের স্পিকার আইনপ্রণেতাদের বলেছেন ২০ জুলাই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করার জন্য। বিবিসিকে প্রেমাদাসা বলেছেন, তার দল ও মিত্ররা একমত হয়েছে যে যদি শূন্যতা দেখা দেয় তাহলে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে। ২০১৯ সালের নির্বাচনে প্রেমাদাসা হেরেছিলেন এবং প্রেসিডেন্ট হতে হলে তাকে ক্ষমতাসীন দলের এমপিদের সমর্থন পেতে হবে। রাজাপাকসে ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে গণরোষের ওপর ভরসা রাখছেন তিনি। দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজপাকসে পরিবার শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে আধিপত্য বজায় রেখেছে। জুন মাসে শ্রীলঙ্কার মূল্যস্ফীতি ৫৫ শতাংশতে পৌঁছেছে এবং লাখো মানুষ খেয়ে-পরে বাঁচতে সংকটে রয়েছে। প্রেমাদাসা বলেছেন, তিনি সর্বদলীয় অন্তর্র্বতী সরকারে যোগ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।
এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সমালোচনা রয়েছে এসজিবি নেতাকে নিয়ে। তার প্রতিদ্বন্দ্বি রনিল বিক্রমাসিংহে তখন প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হন। রনিল বিক্রমাসিংহেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ঐক্য সরকার গঠনের পথ উন্মুক্ত করতে তিনিও পদত্যাগ করবেন। শ্রীলঙ্কার বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘দ্বিধা, অনিশ্চিয়তা ও সর্বাত্মক নৈরাজ্য’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন প্রেমাদাসা। বলছেন, দেশটির প্রয়োজন ‘ঐকমত্য, পরামর্শ, সমঝোতা এবং ঐক্যবদ্ধতা’।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, শ্রীলঙ্কার বিদেশি মুদ্রার রিজাভ নেমে এসেছে ২৫ কোটিতে। জ্বালানির ভয়াবহ ঘাটতির ফলে গণপরিবহনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো। এতে বিদ্যুৎ বিহীন থাকতে হচ্ছে মানুষদের। জ্বালানি সংকটে এই সপ্তাহে স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অনেক মানুষ দেশত্যাগের চেষ্টা করছেন। প্রেমাদাসা স্বীকার করছেন, এই সংকটের দ্রুত কোনও সমাধান নেই। তার মতে, ২০১৯ সালের আগের অবস্থায় অর্থনীতিকে নিয়ে আসতে চার থেকে পাঁচ বছর সময় লাগবে। তিনি বলেন, আমরা জনগণকে প্রতারিত করব না। আমরা অকপট হব এবং শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক দুর্দশা লাঘবের একটি পরিকল্পনা তুলে ধরব। তবে কলম্বোর গল ফেস-এর বিক্ষোভকারীরা বলছেন পার্লামেন্টের ২২৫ জন সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তারা চান রাজনীতিতে নতুন ও উদ্যমীয় মানুষদের নিয়ে নতুন সূচনা।