ঢাকা ০১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

দেশে দিনে শনাক্ত কমে ৯ হাজারের নিচে, মৃত্যু বেড়ে ৩৬

  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • ১১১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে দিনে শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা আরও কমে ৯ হাজারের নিচে নামলেও মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার ৩৫৯ জন রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছে। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।
সর্বশেষ শনাক্ত রোগীদের দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৮৭ জন। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৮ হাজার ৫৬০ জন। সরকারি হিসাবে গত এক দিনে দেশে সেরে উঠেছেন ৭ হাজার ১৭ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯১ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।
ওমিক্রনের দাপটে রোগী বেড়ে যাওয়ার মধ্যে ১২ দিন পর শুক্রবার শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের নিচে নেমেছিল। মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের।
শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী দেশে এখন সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজার ২৩৬ জন। অর্থাৎ এই সংখ্যক রোগী নিশ্চিতভাবে সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছে। তবে উপসর্গবিহীন আক্রান্তরা এই হিসাবেই আসেনি।
শনিবার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশে। শুক্রবার এই হার ছিল ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মহামারীর মধ্যে সার্বিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত এক দিনে শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ছয় হাজার ৩৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা, যা মোট আক্রান্তের ৭২শতাংশের বেশি। যে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ২৫ জন ছিলেন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা।
এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের দুইজন, রাজশাহী বিভাগের একজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, সিলেট বিভাগের একজন, রংপুর বিভাগের দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন দুইজন। তাদের ২৫ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি, ছয়জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, দুইজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, দুইজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং একজনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।
ওমিক্রনের বিস্তারের মধ্যে জানুয়ারি মাসে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়, মৃত্যু হয়েছে ৩২২ জনের। তার আগের মাস ডিসেম্বরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ২৫৫ জন, আর সারা মাসে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এ বছর ১ ফেব্রুয়ারি তা ১৮ লাখ পেরিয়ে যায়। তার আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ২০২০ সালের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বছর ৫ ডিসেম্বর কোভিডে মোট মৃত্যু ২৮ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা। বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫৭ লাখ ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৩৬ কোটি ৬ লাখ ছাড়িয়েছে।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে দিনে শনাক্ত কমে ৯ হাজারের নিচে, মৃত্যু বেড়ে ৩৬

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে দিনে শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা আরও কমে ৯ হাজারের নিচে নামলেও মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আগের ২৪ ঘণ্টায় ৮ হাজার ৩৫৯ জন রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছে। এই সময়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের।
সর্বশেষ শনাক্ত রোগীদের দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৮৭ জন। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৮ হাজার ৫৬০ জন। সরকারি হিসাবে গত এক দিনে দেশে সেরে উঠেছেন ৭ হাজার ১৭ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯১ জন সুস্থ হয়ে উঠলেন।
ওমিক্রনের দাপটে রোগী বেড়ে যাওয়ার মধ্যে ১২ দিন পর শুক্রবার শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের নিচে নেমেছিল। মৃত্যু হয়েছিল ৩০ জনের।
শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী দেশে এখন সক্রিয় কোভিড রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৩০ হাজার ২৩৬ জন। অর্থাৎ এই সংখ্যক রোগী নিশ্চিতভাবে সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছে। তবে উপসর্গবিহীন আক্রান্তরা এই হিসাবেই আসেনি।
শনিবার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৮৩ শতাংশে। শুক্রবার এই হার ছিল ২২ দশমিক ৯৫ শতাংশ। মহামারীর মধ্যে সার্বিক শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬১ শতাংশ। আর মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত এক দিনে শনাক্ত রোগীদের মধ্যে ছয় হাজার ৩৬ জনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা, যা মোট আক্রান্তের ৭২শতাংশের বেশি। যে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ২১ জন পুরুষ, ১৫ জন নারী। তাদের মধ্যে ২৫ জন ছিলেন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা।
এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগের দুইজন, রাজশাহী বিভাগের একজন, খুলনা বিভাগের তিনজন, সিলেট বিভাগের একজন, রংপুর বিভাগের দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন দুইজন। তাদের ২৫ জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি, ছয়জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছর, দুইজনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছর, দুইজনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছর এবং একজনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিল।
ওমিক্রনের বিস্তারের মধ্যে জানুয়ারি মাসে ২ লাখ ১৩ হাজার ২৯৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়, মৃত্যু হয়েছে ৩২২ জনের। তার আগের মাস ডিসেম্বরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ২৫৫ জন, আর সারা মাসে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। এ বছর ১ ফেব্রুয়ারি তা ১৮ লাখ পেরিয়ে যায়। তার আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে গত বছরের ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ২০২০ সালের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত বছর ৫ ডিসেম্বর কোভিডে মোট মৃত্যু ২৮ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা। বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৫৭ লাখ ২৪ হাজারের বেশি মানুষ। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৩৬ কোটি ৬ লাখ ছাড়িয়েছে।