ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

দুই বছর ধরে বন্ধ ৪ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন

  • আপডেট সময় : ১২:৪১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২
  • ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা : দুই বছর ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী রুটের ৪ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মূলত করোনাকালে যাত্রী কমে যাওয়ায় এই ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী আন্তঃনগর স্যাটল-১, স্যাটল-২, স্যাটল-৩, স্যাটল-৪ এই চার জোড়া ট্রেন বন্ধ রয়েছে। এই কমিউটার ট্রেনগুলো মূলত রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত চলাচল করত।
আব্দুল মান্নান নামের এক শিক্ষক বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের পূর্বে এই ট্রেনগুলো চালু ছিল। সড়ক পথে যাতায়াতের থেকে রেলে যাতায়াত নিরাপদ ভেবে ট্রেনে যাতায়াত করতাম। কিন্তু ট্রেনগুলো বন্ধ থাকায় এখন শঙ্কা নিয়ে সড়ক পথে চলতে হচ্ছে।’ নাহিদ হাসান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীর ভাড়া মাত্র ৩০ টাকা। আর সড়ক পথে গেলে ভাড়া গুণতে হয় ১১০-১৩০ টাকা। আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের পক্ষে এত টাকা দিয়ে যাতায়াত করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ট্রেনগুলো পুনরায় চালু হলে স্বল্প ভাড়ায় যাতায়াতের সুবিধা পেতাম।’
হুমায়ন আজাদ নামের এক যাত্রী বলেন, ‘কমিউটার ট্রেনগুলো চালু হলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে।’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের মাষ্টার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রেনগুলো চালুর দাবিতে একাধিকবার কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। কিন্তু রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো চালুর বিষয়ে কিছুই জানায়নি। ট্রেনগুলো চালু হওয়ার বিষয়ে কোনো আভাসও পাওয়া যাচ্ছে না।’ এদিকে, রোববার (২০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রেলমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

দুই বছর ধরে বন্ধ ৪ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন

আপডেট সময় : ১২:৪১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ নভেম্বর ২০২২

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সংবাদদাতা : দুই বছর ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী রুটের ৪ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মূলত করোনাকালে যাত্রী কমে যাওয়ায় এই ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ট্রেনগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই রুটে চলাচলকারী যাত্রীরা পড়েছেন ভোগান্তিতে। স্থানীয় বাসিন্দারা বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো পুনরায় চালুর দাবি জানিয়েছেন। জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী আন্তঃনগর স্যাটল-১, স্যাটল-২, স্যাটল-৩, স্যাটল-৪ এই চার জোড়া ট্রেন বন্ধ রয়েছে। এই কমিউটার ট্রেনগুলো মূলত রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত চলাচল করত।
আব্দুল মান্নান নামের এক শিক্ষক বলেন, ‘কোভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাবের পূর্বে এই ট্রেনগুলো চালু ছিল। সড়ক পথে যাতায়াতের থেকে রেলে যাতায়াত নিরাপদ ভেবে ট্রেনে যাতায়াত করতাম। কিন্তু ট্রেনগুলো বন্ধ থাকায় এখন শঙ্কা নিয়ে সড়ক পথে চলতে হচ্ছে।’ নাহিদ হাসান নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ ট্রেনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীর ভাড়া মাত্র ৩০ টাকা। আর সড়ক পথে গেলে ভাড়া গুণতে হয় ১১০-১৩০ টাকা। আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের পক্ষে এত টাকা দিয়ে যাতায়াত করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার। ট্রেনগুলো পুনরায় চালু হলে স্বল্প ভাড়ায় যাতায়াতের সুবিধা পেতাম।’
হুমায়ন আজাদ নামের এক যাত্রী বলেন, ‘কমিউটার ট্রেনগুলো চালু হলে জনমনে স্বস্তি ফিরবে।’ চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের মাষ্টার শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘করোনার সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া ট্রেনগুলো চালুর দাবিতে একাধিকবার কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। কিন্তু রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো চালুর বিষয়ে কিছুই জানায়নি। ট্রেনগুলো চালু হওয়ার বিষয়ে কোনো আভাসও পাওয়া যাচ্ছে না।’ এদিকে, রোববার (২০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলো চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে রেলমন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।