নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর নীলক্ষেতে তুলা মার্কেট থেকে ১০০’র বেশি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। গতকাল বুধবার রাজধানীর পোস্তগোলা জাতীয় মহাশ্মশান উন্নয়ন কাজের উদ্বোধনে গিয়ে মেয়র এ কথা জানান। তিনি বলেন, ডিএসসিসি’র বিভিন্ন মার্কেটে প্রতারক চক্র নকল কাগজ বানিয়ে অবৈধভাবে দোকান দখল করেছে। এই চক্রটি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মার্কেটে নিজেদের মতো করে নানারকম অবকাঠামো নির্মাণ করেছে। এতে যারা প্রকৃত দোকানদার বা ব্যবসায়ী, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সিটি করপোরেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সব অবৈধ দখলদার, অবৈধ দোকানদার উচ্ছেদে কার্যক্রম নিয়েছি। ফলে নীলক্ষেতে তুলা মার্কেটের একশোর ওপরে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছি।
নীলক্ষেতের উচ্ছেদ অভিযানে যদি প্রকৃত দোকানদার থাকেন তাহলে তাদের বিকল্প দোকানের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, প্রকৃত ব্যবসায়ী, প্রকৃত দোকানদারদের কাছে আমরা অবশ্যই দায়বদ্ধ। তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করবো। তবে অবৈধভাবে যারা ছলচাতুরি করে বিভিন্নভাবে সিটি করপোরেশনের জমি, দোকান দখলে নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলবে।
আমরা এখনো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি: দেশে বিভিন্ন মাত্রায় বৃষ্টি হওয়ায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে বলে মনে করছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি জানান, সাধারণত সেপ্টেম্বরের পর থেকে ডেঙ্গুর বিস্তার কমে আসে। কিন্তু এবার উল্টো রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। পোস্তগোলায় জাতীয় মহাশ্মশান উন্নয়ন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান মেয়র। ডিএসসিসি মেয়র বলেন, সেপ্টেম্বরের পর থেকেই হঠাৎ করে বিভিন্ন মাত্রায় এবং থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত অনুযায়ী আমরা দেখেছি, সেপ্টেম্বরের পর থেকে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার কমে আসে। কিন্তু এবার আমরা দেখছি তার উল্টো। তিনি আরও বলেন, আমরা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটাকে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেও অক্টোবর থেকে বেড়েছে। এটা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় এখনো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রয়েছে উল্লেখ করে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, আপনারা যদি তথ্য নিয়ে দেখেন, গতকাল পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে মাত্র ৪৮ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। ফলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আমরা এখনো ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।