ঢাকা ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

তিন দিনের সাপ্তাহিক ছুটি দিচ্ছে শ্রীলঙ্কা সরকার

  • আপডেট সময় : ০২:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুন ২০২২
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কায় উৎপাদন বাড়াতে সরকারি চাকরীজীবীদের সপ্তাহে তিন দিন ছুটি দিচ্ছে শ্রীলঙ্কার সরকার। গত সোমবার প্রতি শুক্রবার ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন পায় মন্ত্রিসভায়। আগামী তিন মাস এই ছুটির ব্যবস্থাপনা কার্যকর থাকবে। শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা দশ লাখের মতো। দেশটির ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের খাদ্য সংকট মেটাতে এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তবে স্বাস্থ্য, জ্বালানি, শিক্ষা ও প্রতিরক্ষাসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মচারীরা এ ছুটি পাবেন না। বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র ঘাটতিতে শ্রীলঙ্কায় খাদ্য,জ্বালানি ও ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। শ্রীলঙ্কা তার ইতিহাসে প্রথম ঋণ খেলাপি হলো এবার। অর্থের অভাবে অনেক আমদানি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকার বলছে, এই বাড়তি ছুটির দিনে সরকারি কর্মচারীরা তাদের বাড়ির পেছনে বা অন্যত্র পতিত জমি ব্যবহার করে নানা রকম ফসল ফলাবেন, খাদ্য উৎপাদনে কাজ করবেন যা দেশের সংকট মোকাবিলার জন্য অতীব জরুরি। এমনিতেই শনি ও রোববার সরকারি ছুটি ছিল শ্রীলঙ্কায়। এবার শুক্রবারও মিলবে ছুটি। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আকাশছোঁয়া দামসহ নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকা পড়েছে শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

তিন দিনের সাপ্তাহিক ছুটি দিচ্ছে শ্রীলঙ্কা সরকার

আপডেট সময় : ০২:১৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুন ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কায় উৎপাদন বাড়াতে সরকারি চাকরীজীবীদের সপ্তাহে তিন দিন ছুটি দিচ্ছে শ্রীলঙ্কার সরকার। গত সোমবার প্রতি শুক্রবার ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব অনুমোদন পায় মন্ত্রিসভায়। আগামী তিন মাস এই ছুটির ব্যবস্থাপনা কার্যকর থাকবে। শ্রীলঙ্কায় সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা দশ লাখের মতো। দেশটির ২ কোটি ২০ লাখ মানুষের খাদ্য সংকট মেটাতে এ ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। তবে স্বাস্থ্য, জ্বালানি, শিক্ষা ও প্রতিরক্ষাসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত কর্মচারীরা এ ছুটি পাবেন না। বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র ঘাটতিতে শ্রীলঙ্কায় খাদ্য,জ্বালানি ও ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। শ্রীলঙ্কা তার ইতিহাসে প্রথম ঋণ খেলাপি হলো এবার। অর্থের অভাবে অনেক আমদানি পণ্যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির সরকার। সরকার বলছে, এই বাড়তি ছুটির দিনে সরকারি কর্মচারীরা তাদের বাড়ির পেছনে বা অন্যত্র পতিত জমি ব্যবহার করে নানা রকম ফসল ফলাবেন, খাদ্য উৎপাদনে কাজ করবেন যা দেশের সংকট মোকাবিলার জন্য অতীব জরুরি। এমনিতেই শনি ও রোববার সরকারি ছুটি ছিল শ্রীলঙ্কায়। এবার শুক্রবারও মিলবে ছুটি। বিদ্যুৎ বিভ্রাট, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আকাশছোঁয়া দামসহ নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকা পড়েছে শ্রীলঙ্কার সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, ১৯৪৮ সালে স্বাধীনতার পর এমন বিপর্যয়ের মুখে পড়েনি শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি।