ঢাকা ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকায় চালু হলো স্পিডবোট সার্ভিস

  • আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

মহানগর প্রতিবেদন : চাহিদা সত্ত্বেও দফায় দফায় ওয়াটার বাসের ব্যর্থতার পর এবার ঢাকায় চালু হলো স্পিডবোট সার্ভিস। পরীক্ষামূলকভাবে টঙ্গী নদীবন্দর থেকে গাজীপুরের দুটি রুটে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নৌপথের উদ্বোধন করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর অচল হয়ে পড়ে থাকা মাওয়ার পাঁচটি স্পিডবোট দিয়ে গত শনিবার প্রাথমিকভাবে চালু হওয়া এই সেবার পরিসর পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বলেন, ‘তুরাগ নদীর পাড়ে বিশ্ব ইশতেমা। আমাদের র্ঐতিহ্য। প্রতিবছর ইশমেতায় আসা মানুষের জন্য আমাদের পরিষ্কার পানি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একারণে তুরাগ নদীর পাড়ের শিল্পগুলোতে ইটিপি স্থাপনের মাধ্যমে পানি পরিশোধন করে তুরাগ নদীতে ফেলতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বন্ধ প্রায় ১০ হাজার কিমি নৌপথ পুনঃচালুকরণ করার কথা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ কিলোমিটার পথ চালু করা হয়েছে। বাকি পথ ও চালু করা হবে।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকে সাথে নিয়ে ইকোপার্ক ও বৃত্তকার নৌপথের উদ্বোধন করেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিআডিব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম সফিউল আজম, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা শহরের চারিদিকে বৃত্তাকার নৌপথ চালু করে সড়কপথে যানবাহনের চাপ কমানো এবং নৌপথে সাশ্রয়ীমূল্যে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে কয়েকটি ধাপে ঢাকার চারটি নদীর ১১০ কিলোমিটারে নৌপথে নৌযান পরিচালনার পদক্ষেপ নেয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক বৃত্তাকার নৌপথের নদী খননসহ নয়টি ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের মাধ্যমে নৌপথটি চালু করা হয়। বর্তমানে উক্ত নৌপথে মালামাল পরিবহন ব্যবস্থায় গুরুত্ব পেলেও লো-হাইটের ব্রীজ, অতিরিক্ত সময় এবং যাত্রীবান্ধব পরিবেশের অভাবে সাশ্রয়ীমূল্যে পরিবহন ব্যবস্থা যাত্রীবান্ধব করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃক ওয়াটার বাস চালু করা হলেও বিভিন্ন কারণে তা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে টঙ্গী নদীবন্দর হতে বৃত্তাকার নৌপথে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রুতগামী স্পিডবোট-চালুর পদক্ষেপ নেয়া হয়। তাছাড়া যাত্রী চাহিদার আলোকে ঢাকা শহরের বৃত্তাকার নৌপথে নতুন নৌপথ সৃষ্টি করে দ্রুতগামী স্পিডবোট চালুর আরো পদক্ষেপ নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ২০১৮ সনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ঢাকা শহরের চারিদিকে নৌপথ উন্নয়ন, সংরক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও চালুকরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃত্তাকার ১১০ কিলোমিটার নৌপথের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীর তীরভূমিতে সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে, জেটি, ইকোপার্কসহ আনুষঙ্গিক কাজের প্রকল্পের আওতায় দৃষ্টিনন্দন টঙ্গী ইকোপার্কটি নির্মিত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় অপর দু’টি ইকোপার্ক বড়বাজার (গাবতলী) এবং হাজীগঞ্জ ফেরিঘাট (নারায়ণগঞ্জ) এলাকায় এবছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃক সম্পূর্ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাল ২০১৮ হতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশ এই মুহূর্তে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়ার দিকে হাঁটছে

ঢাকায় চালু হলো স্পিডবোট সার্ভিস

আপডেট সময় : ১২:৫৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২২

মহানগর প্রতিবেদন : চাহিদা সত্ত্বেও দফায় দফায় ওয়াটার বাসের ব্যর্থতার পর এবার ঢাকায় চালু হলো স্পিডবোট সার্ভিস। পরীক্ষামূলকভাবে টঙ্গী নদীবন্দর থেকে গাজীপুরের দুটি রুটে প্রায় ৫০ কিলোমিটার নৌপথের উদ্বোধন করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর অচল হয়ে পড়ে থাকা মাওয়ার পাঁচটি স্পিডবোট দিয়ে গত শনিবার প্রাথমিকভাবে চালু হওয়া এই সেবার পরিসর পর্যায়ক্রমে আরও বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বলেন, ‘তুরাগ নদীর পাড়ে বিশ্ব ইশতেমা। আমাদের র্ঐতিহ্য। প্রতিবছর ইশমেতায় আসা মানুষের জন্য আমাদের পরিষ্কার পানি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একারণে তুরাগ নদীর পাড়ের শিল্পগুলোতে ইটিপি স্থাপনের মাধ্যমে পানি পরিশোধন করে তুরাগ নদীতে ফেলতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী বন্ধ প্রায় ১০ হাজার কিমি নৌপথ পুনঃচালুকরণ করার কথা ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ৭ কিলোমিটার পথ চালু করা হয়েছে। বাকি পথ ও চালু করা হবে।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলকে সাথে নিয়ে ইকোপার্ক ও বৃত্তকার নৌপথের উদ্বোধন করেন খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এসময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল, বিআডিব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম সফিউল আজম, জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান, পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ঢাকা শহরের চারিদিকে বৃত্তাকার নৌপথ চালু করে সড়কপথে যানবাহনের চাপ কমানো এবং নৌপথে সাশ্রয়ীমূল্যে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে কয়েকটি ধাপে ঢাকার চারটি নদীর ১১০ কিলোমিটারে নৌপথে নৌযান পরিচালনার পদক্ষেপ নেয়া হয়। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক বৃত্তাকার নৌপথের নদী খননসহ নয়টি ল্যান্ডিং স্টেশন নির্মাণের মাধ্যমে নৌপথটি চালু করা হয়। বর্তমানে উক্ত নৌপথে মালামাল পরিবহন ব্যবস্থায় গুরুত্ব পেলেও লো-হাইটের ব্রীজ, অতিরিক্ত সময় এবং যাত্রীবান্ধব পরিবেশের অভাবে সাশ্রয়ীমূল্যে পরিবহন ব্যবস্থা যাত্রীবান্ধব করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃক ওয়াটার বাস চালু করা হলেও বিভিন্ন কারণে তা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে টঙ্গী নদীবন্দর হতে বৃত্তাকার নৌপথে যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রুতগামী স্পিডবোট-চালুর পদক্ষেপ নেয়া হয়। তাছাড়া যাত্রী চাহিদার আলোকে ঢাকা শহরের বৃত্তাকার নৌপথে নতুন নৌপথ সৃষ্টি করে দ্রুতগামী স্পিডবোট চালুর আরো পদক্ষেপ নেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ২০১৮ সনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ঢাকা শহরের চারিদিকে নৌপথ উন্নয়ন, সংরক্ষণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও চালুকরনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বৃত্তাকার ১১০ কিলোমিটার নৌপথের বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীর তীরভূমিতে সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে, জেটি, ইকোপার্কসহ আনুষঙ্গিক কাজের প্রকল্পের আওতায় দৃষ্টিনন্দন টঙ্গী ইকোপার্কটি নির্মিত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় অপর দু’টি ইকোপার্ক বড়বাজার (গাবতলী) এবং হাজীগঞ্জ ফেরিঘাট (নারায়ণগঞ্জ) এলাকায় এবছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্তৃক সম্পূর্ণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন কাল ২০১৮ হতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ১৮১ কোটি ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা।