নিজস্ব প্রতিবেদক: পরিবেশ অধিদফতরের নেতৃত্বে বিআরটিএ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র্যাব, বিএনসিসি, বাংলাদেশ স্কাউট, গ্রিন ভয়েস, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় দূষণবিরোধী ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মোট ১০টি ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল টিম প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এর মধ্যে পরিবেশ অধিদফতর নিজস্বভাবে ৩টি ম্যাজিস্ট্রেরিয়াল টিমের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে।
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬ অনুসারে পরিবেশ অধিদফতর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) ও উত্তরা এলাকায় শব্দদূষণবিরোধী দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। এ অভিযানে ৫টি মামলার মাধ্যমে মোট ১১ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং ১২টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। পাশাপাশি একাধিক যানবাহনের চালককে সতর্কতামূলক বার্তা প্রদান করা হয়।
যানবাহন থেকে মানমাত্রার বেশি কালো ধোঁয়া নির্গমনের বিরুদ্ধে আইইবি এলাকায় পরিচালিত অন্য একটি মোবাইল কোর্টে ১৫টি মামলার মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ধোঁয়া নির্গতকারী কয়েকটি যানবাহনের চালককে সতর্ক করা হয় এবং পরিবেশবান্ধব চলাচলের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২২ অনুসারে নির্মাণ সামগ্রী দ্বারা বায়ুদূষণের অভিযোগে বসিলা মোহাম্মদপুর ও উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় দুটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে ৮টি মামলার মাধ্যমে ১ লক্ষ পঞ্চান্ন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে বায়ুদূষণ রোধে সতর্ক করা হয়।
বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৬(ক) ধারা লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ পলিথিন উৎপাদন, বিক্রয়, সরবরাহ ও বাজারজাতকরণের দায়ে উত্তরা এলাকায় পরিচালিত আরেকটি মোবাইল কোর্টে ৫টি মামলার মাধ্যমে ১৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে বাজার, সুপারশপ ও দোকান মালিকদের নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহার বন্ধে সচেতন করা হয় এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়। পরিবেশ অধিদফতর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় দূষণবিরোধী এ ধরনের অভিযান ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
সানা/আপ্র/২৯/১১/২০২৫






















