ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
‘মক ভোটিং’ অনুষ্ঠানে সিইসি

তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে

  • আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন -ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট কমিশন জাতিকে উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ‘মক ভোটিং’ হয়। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপলক্ষে এ মক ভোটের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আয়োজন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি।

‘মক ভোটিং’ (ভোট দেওয়ার অনুশীলন) আয়োজন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘শুধু ভোট দেওয়ার অনুশীলন নয়, কেন্দ্রের সামগ্রিক পরিবেশ, ভোটারদের সারি, পোলিং আর প্রিসাইডিং অফিসারদের অবস্থান, সাংবাদিকদের ভূমিকা-সবকিছু বাস্তবে কেমন হবে, তা যাচাই করতে এ মক ভোটিং আয়োজন করা হয়েছে।’ জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি যেহেতু গণভোট করতে হবে, সে ক্ষেত্রে কত সময় লাগছে, এর বাস্তব মূল্যায়ন করতেই এই মক ভোটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে বলেন সিইসি।

সিইসি আরো বলেন, ‘আমরা একটা রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব সিচুয়েশন করছি। কারণ, আমরা নরমালি ৮টা থেকে ভোট শুরু করি। ৪টায় শেষ করি। এখন আমাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে একটা গণভোট করতে হবে। গণভোট নির্বাচনের সঙ্গেই করতে হবে। তাহলে আমাদের টাইম ম্যানেজমেন্টের একটা বিষয় আছে। আজকের এ অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে আমরা ঠিক করব, যে ৪২ হাজার ৭০০টি ভোটকেন্দ্র ঠিক করেছি, তা পর্যাপ্ত কি না?’

এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওই সংখ্যক কেন্দ্র কি পর্যাপ্ত, ভোটের আর কেন্দ্র লাগবে, নাকি কক্ষ বাড়ালেই হবে। একটা কেন্দ্র বা কক্ষ বাড়ানো মানে লোকবল বাড়ে, ব্যালট বাক্স বাড়ে। অনেক ধরনের অ্যারেঞ্জমেন্ট যোগ করতে হয়। অতিরিক্ত কি ব্যবস্থা করতে হবে-সেটার বাস্তব ধারণা নিয়ে মূল্যায়ন করা হবে।’

অনুমানের ভিত্তিতে নয় বাস্তবতার ভিত্তিতে আগাতে চান বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, ‘প্র্যাকটিক্যালি দেখে ও আজকে রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট করে তারপর আমরা প্ল্যানিংটা করব। তাহলে আমরা হিসাব করতে পারব যে কয়টা সেন্টার যদি বাড়াইতে হয়, বাড়াব।’
গণভোট দিতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকার বিষয়ে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, এখনো গণভোট নিয়ে প্রচারণা শুরু হয়নি। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যৌথভাবে শিগগিরই ব্যাপক প্রচার চালাবে। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোট আইনি অনুমোদন পাওয়ার পরই কমিশন এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলভাবে তথ্য প্রচারে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সানা/এসি/আপ্র/২৯/১১/২০২৫

 

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

‘মক ভোটিং’ অনুষ্ঠানে সিইসি

তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে

আপডেট সময় : ১২:৪৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: নির্বাচনের তফসিল ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণভোট কমিশন জাতিকে উপহার দিতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শেরেবাংলা নগর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ‘মক ভোটিং’ হয়। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি উপলক্ষে এ মক ভোটের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আয়োজন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিইসি।

‘মক ভোটিং’ (ভোট দেওয়ার অনুশীলন) আয়োজন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, ‘শুধু ভোট দেওয়ার অনুশীলন নয়, কেন্দ্রের সামগ্রিক পরিবেশ, ভোটারদের সারি, পোলিং আর প্রিসাইডিং অফিসারদের অবস্থান, সাংবাদিকদের ভূমিকা-সবকিছু বাস্তবে কেমন হবে, তা যাচাই করতে এ মক ভোটিং আয়োজন করা হয়েছে।’ জাতীয় নির্বাচনের পাশাপাশি যেহেতু গণভোট করতে হবে, সে ক্ষেত্রে কত সময় লাগছে, এর বাস্তব মূল্যায়ন করতেই এই মক ভোটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে বলেন সিইসি।

সিইসি আরো বলেন, ‘আমরা একটা রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট অব সিচুয়েশন করছি। কারণ, আমরা নরমালি ৮টা থেকে ভোট শুরু করি। ৪টায় শেষ করি। এখন আমাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে একটা গণভোট করতে হবে। গণভোট নির্বাচনের সঙ্গেই করতে হবে। তাহলে আমাদের টাইম ম্যানেজমেন্টের একটা বিষয় আছে। আজকের এ অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে আমরা ঠিক করব, যে ৪২ হাজার ৭০০টি ভোটকেন্দ্র ঠিক করেছি, তা পর্যাপ্ত কি না?’

এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওই সংখ্যক কেন্দ্র কি পর্যাপ্ত, ভোটের আর কেন্দ্র লাগবে, নাকি কক্ষ বাড়ালেই হবে। একটা কেন্দ্র বা কক্ষ বাড়ানো মানে লোকবল বাড়ে, ব্যালট বাক্স বাড়ে। অনেক ধরনের অ্যারেঞ্জমেন্ট যোগ করতে হয়। অতিরিক্ত কি ব্যবস্থা করতে হবে-সেটার বাস্তব ধারণা নিয়ে মূল্যায়ন করা হবে।’

অনুমানের ভিত্তিতে নয় বাস্তবতার ভিত্তিতে আগাতে চান বলে জানান সিইসি। তিনি বলেন, ‘প্র্যাকটিক্যালি দেখে ও আজকে রিয়েল টাইম অ্যাসেসমেন্ট করে তারপর আমরা প্ল্যানিংটা করব। তাহলে আমরা হিসাব করতে পারব যে কয়টা সেন্টার যদি বাড়াইতে হয়, বাড়াব।’
গণভোট দিতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকার বিষয়ে এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, এখনো গণভোট নিয়ে প্রচারণা শুরু হয়নি। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যৌথভাবে শিগগিরই ব্যাপক প্রচার চালাবে। তিনি উল্লেখ করেন, গণভোট আইনি অনুমোদন পাওয়ার পরই কমিশন এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকেও দায়িত্বশীলভাবে তথ্য প্রচারে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
সানা/এসি/আপ্র/২৯/১১/২০২৫