ঢাকা ১০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ডিসি-এসপিকে বদলির হুমকি দেওয়া পবনের প্রার্থিতা বাতিল

  • আপডেট সময় : ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৪১ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদলির হুমকি দেওয়ায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ভবনে পবনের উপস্থিতিতে অভিযোগের শুনানির পরদিন মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত জানাল ভোট আয়োজনের দায়িত্বপাপ্ত সাংবিধানিক সংস্থাটি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিলই নির্বাচনি আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি। এই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘নির্বাচনী অপরাধের’ দায়ে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা হিসেবে প্রার্থিতা বাতিল করা হল। অবশ্য স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের নজির রয়েছে। কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন এর আগে ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-১ আসনের উপ নির্বাচন অনিয়মের কারণে বাতিল করে নজির সৃষ্টি করেছিল। পবনকে ইসির সিদ্ধান্ত জানিয়ে কমিশনের আইন শাখার উপসচিব আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও লক্ষ্মীপুরের রিটার্নিং অফিসার সুরাইয়া জাহানকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ‘অকথ্য, আপত্তিকর ও অশোভন’ কথা বলেন। সেই ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের রিটার্নিং অফিসার সুরাইয়া জাহান ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে বলা হয়, রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে ‘তিন দিনের মধ্যে বদলি করার হুমকি’ দেওয়ার পাশাপাশি ‘ভয়-ভীতি’ দেখিয়েছেন যুবলীগ নেতা পবন। অভিযোগ পাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী পবনকে তলব করে নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ঢাকায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাকে। সে অনুযায়ী সোমবার নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজের ব্যাখ্যা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন ওই অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করে ওই ঘটনার ‘সত্যতা রয়েছে’ বলে প্রতিবেদন দেন। এছাড়া ওই আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটিও পবনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন দেয়। এই স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনি অপরাধে জড়িত থেকে নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটন করেছেন’ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
মঙ্গলবার উপসচিব আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, “শুনানিকালে প্রার্থীপক্ষের বক্তব্য, জেলা নির্বাচন অফিসার, লক্ষ্মীপুর কর্তৃক প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদন, নির্বাচনি অনুসন্ধান প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পর্যালোচনায় প্রার্থী কর্তৃক নির্বাচনি অপরাধসহ ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ সংঘটনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ১৯ ই ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ নির্বাচনি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন এর প্রার্থিতা বাতিলের সদয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।”
আচরণবিধি লঙ্ঘনে তিন জেলার তিন আসনে ৬ মামলার নির্দেশ: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝিনাইদহ-১, পাবনা-৩ ও ফরিদপুর-১ আসনে ছয়টি মামলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ঝিনাইদহ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলা হয়েছে। সোমবার রাতে ইসির উপসচিব (আইন) আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর শৈলকুপার মির্জাপুর ইউনিয়নের চড়িয়ারবীল বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করে ছবি ভাঙচুর করেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় মামলা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন। এছাড়া দুটি চিঠিতে আব্দুল হাইয়ের সমর্থক ফুলহরী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জামিনুর রহমান বিপুল এবং শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, ইউপি চেয়ারম্যান ইকু শিকদার ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শামী হোসেন মোল্যার বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করতে বলা হয়েছে। পৃথক দুই চিঠিতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে পাবনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান এবং পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. নুর ইসলাম মিন্টুর বিরুদ্ধেও মামলার সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া ফরিদপুর-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমানের সমর্থক শরীফ সেলিমুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্যও বলা হয়েছে। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে ইসি। এদিকে ডিসি-এসপিকে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সোমবার লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবনের শুনানি করেছে কমিশন। মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ইসির উপসচিব আব্দুছ সালাম।

 

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ডিসি-এসপিকে বদলির হুমকি দেওয়া পবনের প্রার্থিতা বাতিল

আপডেট সময় : ০২:২৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে বদলির হুমকি দেওয়ায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবনের প্রার্থিতা বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন ভবনে পবনের উপস্থিতিতে অভিযোগের শুনানির পরদিন মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত জানাল ভোট আয়োজনের দায়িত্বপাপ্ত সাংবিধানিক সংস্থাটি। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিলই নির্বাচনি আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি। এই প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘নির্বাচনী অপরাধের’ দায়ে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা হিসেবে প্রার্থিতা বাতিল করা হল। অবশ্য স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের নজির রয়েছে। কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন এর আগে ২০২২ সালের ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-১ আসনের উপ নির্বাচন অনিয়মের কারণে বাতিল করে নজির সৃষ্টি করেছিল। পবনকে ইসির সিদ্ধান্ত জানিয়ে কমিশনের আইন শাখার উপসচিব আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন গত ৩০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও লক্ষ্মীপুরের রিটার্নিং অফিসার সুরাইয়া জাহানকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করে ‘অকথ্য, আপত্তিকর ও অশোভন’ কথা বলেন। সেই ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের রিটার্নিং অফিসার সুরাইয়া জাহান ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে বলা হয়, রিটার্নিং অফিসার ও পুলিশ সুপারকে ‘তিন দিনের মধ্যে বদলি করার হুমকি’ দেওয়ার পাশাপাশি ‘ভয়-ভীতি’ দেখিয়েছেন যুবলীগ নেতা পবন। অভিযোগ পাওয়ার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী পবনকে তলব করে নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ঢাকায় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাকে। সে অনুযায়ী সোমবার নির্বাচন ভবনে উপস্থিত হয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে নিজের ব্যাখ্যা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান পবন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন ওই অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করে ওই ঘটনার ‘সত্যতা রয়েছে’ বলে প্রতিবেদন দেন। এছাড়া ওই আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটিও পবনের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন দেয়। এই স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনি অপরাধে জড়িত থেকে নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম সংঘটন করেছেন’ জানিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
মঙ্গলবার উপসচিব আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, “শুনানিকালে প্রার্থীপক্ষের বক্তব্য, জেলা নির্বাচন অফিসার, লক্ষ্মীপুর কর্তৃক প্রেরিত তদন্ত প্রতিবেদন, নির্বাচনি অনুসন্ধান প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি পর্যালোচনায় প্রার্থী কর্তৃক নির্বাচনি অপরাধসহ ‘নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম’ সংঘটনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর ১৯ ই ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-১ নির্বাচনি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবন এর প্রার্থিতা বাতিলের সদয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।”
আচরণবিধি লঙ্ঘনে তিন জেলার তিন আসনে ৬ মামলার নির্দেশ: আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ঝিনাইদহ-১, পাবনা-৩ ও ফরিদপুর-১ আসনে ছয়টি মামলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ঝিনাইদহ-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলা হয়েছে। সোমবার রাতে ইসির উপসচিব (আইন) আব্দুছ সালাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৬ ডিসেম্বর শৈলকুপার মির্জাপুর ইউনিয়নের চড়িয়ারবীল বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশ করে ছবি ভাঙচুর করেন এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় মামলা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কমিশন। এছাড়া দুটি চিঠিতে আব্দুল হাইয়ের সমর্থক ফুলহরী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জামিনুর রহমান বিপুল এবং শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, ইউপি চেয়ারম্যান ইকু শিকদার ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি শামী হোসেন মোল্যার বিরুদ্ধে আলাদা মামলা করতে বলা হয়েছে। পৃথক দুই চিঠিতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে পাবনা-৩ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান এবং পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মন্ডতোষ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মো. নুর ইসলাম মিন্টুর বিরুদ্ধেও মামলার সিদ্ধান্ত দিয়েছে ইসি। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাটি। এছাড়া ফরিদপুর-১ আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুর রহমানের সমর্থক শরীফ সেলিমুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্যও বলা হয়েছে। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাচন অফিসারকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে ইসি। এদিকে ডিসি-এসপিকে বদলির হুমকি দেওয়ার অভিযোগে সোমবার লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান পবনের শুনানি করেছে কমিশন। মঙ্গলবার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ইসির উপসচিব আব্দুছ সালাম।