ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

চলতি বছর কোভিডে প্রথম মৃত্যু দেখল অস্ট্রেলিয়া

  • আপডেট সময় : ১২:০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোভিড-১৯ এর চলতি প্রাদুর্ভাবে এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে।
মৃত ব্যক্তি একজন নারী এবং তার বয়স ৯০ এর ঘরে ছিল বলে রোববার দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পাশাপাশি নিউ সাউথ ওয়েলস একদিনে রেকর্ড ৭৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছে। রাজ্যটি এখন করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরনের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করছে।
আসছে দিনগুলোতে রাজ্যটির রাজধানী ও অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শহর সিডনি এবং এর আশপাশের এলাকায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়বে, তিনি এমন আশঙ্কা করেছেন বলে জানিয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের মুখ্যমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান।
“আগামীকাল এই সময়ে যদি নতুন রোগীর সংখ্যা ১০০-র কম থাকে তাহলে আমি বিস্মিত হব,” টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে এমনটাই বলেছেন তিনি।
বৃহত্তর সিডনির পুরোটা, নিকটবর্তী দ্য ব্লু মাউন্টেইন্স, সেন্ট্রাল কোস্ট ও উয়োলংগং অঞ্চল আগে থেকেই কঠোর লকডাউনে আছে।
শনিবার নিউ সাউথ ওয়েলস ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৫০ রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছিল; রোববারের আগ পর্যন্ত সেটাই ছিল চলতি বছরের সর্বোচ্চ দৈনিক শনাক্ত। এবারের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৫৬৬ রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রোববার যাদের শনাক্ত হওয়ার খবর এসেছে, তাদের মধ্যে ৩৩ জনই সংক্রমিত অবস্থায় নিজ নিজ এলাকায় সময় কাটিয়েছেন; এ কারণে তিন সপ্তাহের বিধিনিষেধে থাকা ৫০ লাখেরও বেশি বাসিন্দার শহর সিডনি ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে লকডাউন আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার লকডাউন তুলে নেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন বেরেজিক্লিন।
কোভিড-১৯ সংক্রমণকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রেখে অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অন্যান্য দেশের তুলনায় মহামারীকে ভালোই সামলেছে। মহামারী শুরু থেকে রোববার পর্যন্ত দেশটি রোগী দেখেছে ৩১ হাজারের সামান্য বেশি, মৃত্যু হয়েছে ৯১১ জনের।
তবে সরবরাহে ঘাটতিজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়ায় টিকাদান তুলনামূলক শ্লথগতিতে এগুচ্ছে। দেশটি মূলত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার ওপরই নির্ভরশীল।
বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে এখন চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্য বা চাকরির কারণে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিতে আছেন এমন নাগরিকদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
সিডনিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১১ জনের বয়স ৩৫ বছরের নিচে; তিন-চতুর্খাংশের বেশি রোগী টিকার কোনো ডোজই পাননি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি বছর কোভিডে প্রথম মৃত্যু দেখল অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় : ১২:০৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কোভিড-১৯ এর চলতি প্রাদুর্ভাবে এ বছর অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম একজনের মৃত্যু হয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে।
মৃত ব্যক্তি একজন নারী এবং তার বয়স ৯০ এর ঘরে ছিল বলে রোববার দেশটির কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
পাশাপাশি নিউ সাউথ ওয়েলস একদিনে রেকর্ড ৭৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথাও জানিয়েছে। রাজ্যটি এখন করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরনের প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করছে।
আসছে দিনগুলোতে রাজ্যটির রাজধানী ও অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় শহর সিডনি এবং এর আশপাশের এলাকায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়বে, তিনি এমন আশঙ্কা করেছেন বলে জানিয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের মুখ্যমন্ত্রী গ্ল্যাডিস বেরেজিক্লিয়ান।
“আগামীকাল এই সময়ে যদি নতুন রোগীর সংখ্যা ১০০-র কম থাকে তাহলে আমি বিস্মিত হব,” টেলিভিশন ব্রিফিংয়ে এমনটাই বলেছেন তিনি।
বৃহত্তর সিডনির পুরোটা, নিকটবর্তী দ্য ব্লু মাউন্টেইন্স, সেন্ট্রাল কোস্ট ও উয়োলংগং অঞ্চল আগে থেকেই কঠোর লকডাউনে আছে।
শনিবার নিউ সাউথ ওয়েলস ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৫০ রোগী শনাক্তের কথা জানিয়েছিল; রোববারের আগ পর্যন্ত সেটাই ছিল চলতি বছরের সর্বোচ্চ দৈনিক শনাক্ত। এবারের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত ৫৬৬ রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রোববার যাদের শনাক্ত হওয়ার খবর এসেছে, তাদের মধ্যে ৩৩ জনই সংক্রমিত অবস্থায় নিজ নিজ এলাকায় সময় কাটিয়েছেন; এ কারণে তিন সপ্তাহের বিধিনিষেধে থাকা ৫০ লাখেরও বেশি বাসিন্দার শহর সিডনি ও এর আশপাশের এলাকাগুলোতে লকডাউন আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার লকডাউন তুলে নেওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তেমনটা হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানিয়েছেন বেরেজিক্লিন।
কোভিড-১৯ সংক্রমণকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রেখে অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী অন্যান্য দেশের তুলনায় মহামারীকে ভালোই সামলেছে। মহামারী শুরু থেকে রোববার পর্যন্ত দেশটি রোগী দেখেছে ৩১ হাজারের সামান্য বেশি, মৃত্যু হয়েছে ৯১১ জনের।
তবে সরবরাহে ঘাটতিজনিত কারণে অস্ট্রেলিয়ায় টিকাদান তুলনামূলক শ্লথগতিতে এগুচ্ছে। দেশটি মূলত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার ওপরই নির্ভরশীল।
বিবিসি জানিয়েছে, দেশটিতে এখন চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্য বা চাকরির কারণে ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার ঝুঁকিতে আছেন এমন নাগরিকদের টিকা দেওয়া হচ্ছে।
সিডনিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ১১ জনের বয়স ৩৫ বছরের নিচে; তিন-চতুর্খাংশের বেশি রোগী টিকার কোনো ডোজই পাননি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।