ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫

গৃহহীন নবিরনের ভাগ্যে জোটেনি ‘আশ্রয়’

  • আপডেট সময় : ০৭:০০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

আঃ জলিল মন্ডল, গাইবান্ধা : বিদায়ী আওয়ালীগ সরকার দীর্ঘ তিন মেয়াদে ১৫ বছর সরকারে থাকলেও মোছাঃ নবিরনের ভাগ্যে জোটেনি সরকারের দেওয়া উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ গ্রামের মৃত নবির উদ্দীনের জ্যেষ্ঠ কন্যা স্বামী পরিত্যক্তা নবিরন স্বর্ণকার পট্টি এলাকার জনৈক ব্যক্তির জমিতে ছাপড়া ঘর তুলে বসবাস করতেন। জমিটি স্থানীয় মুদি দোকানদার আজিম মিয়া ২০১০ সালে ক্রয় করে নিজ দখলে নিয়ে নেন। এতে আশ্রয়জীন হয়ে পড়ে নবিরন। কোথাও মাথা গোজার ঠাঁই না পেয়ে বামনডাঙ্গা-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে শিববাড়ী মোড় বিজেএমসি পাটগুদাম সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে টিনের চালা তুলে বসবাস করে আসছেন। আঞ্চলিক এই মহাসড়ক দিয়ে বাস-ট্রাক সহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। এতে যেকোনো মূহুর্তে অনাকাঙ্খিত সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে পারেন নবিরন। দেশজুড়ে সরকারী ভাবে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হলেও একটি ঘর জোটেনি নবিরনের ভাগ্যে। নবিরনের ভাতিজা শহিদুল ইসলাম জানান, নবিরন প্রতিবন্ধী হিসেবে ২৫”শ টাকা ভাতা পান, তাও আবার বন্ধ রয়েছে। সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুজাম্মান খান বলেন, এই বৃদ্ধা সরকারী ভাতা ভোগী সুবিধার আওতায় আছেন কি না তা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 

 

 

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

গৃহহীন নবিরনের ভাগ্যে জোটেনি ‘আশ্রয়’

আপডেট সময় : ০৭:০০:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ মার্চ ২০২৫

আঃ জলিল মন্ডল, গাইবান্ধা : বিদায়ী আওয়ালীগ সরকার দীর্ঘ তিন মেয়াদে ১৫ বছর সরকারে থাকলেও মোছাঃ নবিরনের ভাগ্যে জোটেনি সরকারের দেওয়া উপহার আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ গ্রামের মৃত নবির উদ্দীনের জ্যেষ্ঠ কন্যা স্বামী পরিত্যক্তা নবিরন স্বর্ণকার পট্টি এলাকার জনৈক ব্যক্তির জমিতে ছাপড়া ঘর তুলে বসবাস করতেন। জমিটি স্থানীয় মুদি দোকানদার আজিম মিয়া ২০১০ সালে ক্রয় করে নিজ দখলে নিয়ে নেন। এতে আশ্রয়জীন হয়ে পড়ে নবিরন। কোথাও মাথা গোজার ঠাঁই না পেয়ে বামনডাঙ্গা-সুন্দরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে শিববাড়ী মোড় বিজেএমসি পাটগুদাম সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে টিনের চালা তুলে বসবাস করে আসছেন। আঞ্চলিক এই মহাসড়ক দিয়ে বাস-ট্রাক সহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করে। এতে যেকোনো মূহুর্তে অনাকাঙ্খিত সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারাতে পারেন নবিরন। দেশজুড়ে সরকারী ভাবে গৃহহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ দেওয়া হলেও একটি ঘর জোটেনি নবিরনের ভাগ্যে। নবিরনের ভাতিজা শহিদুল ইসলাম জানান, নবিরন প্রতিবন্ধী হিসেবে ২৫”শ টাকা ভাতা পান, তাও আবার বন্ধ রয়েছে। সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুজাম্মান খান বলেন, এই বৃদ্ধা সরকারী ভাতা ভোগী সুবিধার আওতায় আছেন কি না তা খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।