ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়তে এই সরকারের কাজকে সমর্থন যুক্তরাজ্যের

  • আপডেট সময় : ০৭:০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে দায়বদ্ধতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ এবং বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথ তৈরির জন্য যুক্তরাজ্য তার সমর্থন দিয়ে আসছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক আন্ডার সেক্রেটারি ক্যাথরিন ওয়েস্ট ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশের প্রতি তাদের এই সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার জন্য।
যুক্তরাজ্য দূতাবাস থেকে শনিবার পাঠানো এক জ্ঞিপ্তিতে জানানো হয়— ঢাকা সফরকালে ক্যাথরিন ওয়েস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার, নিরাপত্তা, বাণিজ্য সহযোগিতা এবং যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অভিবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের চলমান সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য যুক্তরাজ্যের সমর্থনের বিষয়ে আলোচনা করতে ছাত্রনেতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এবং যুক্তরাজ্য সরকার কীভাবে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করতে ও পারস্পরিকভাবে বাণিজ্য- বিনিয়োগ বাড়াতে পারে— সে বিষয়ে আলোচনা করতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরও সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাজকে সমর্থন করে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের এবং বাংলাদেশি সম্প্রদায়গুলোকে সমর্থন করার জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন তহবিল ঘোষণা করতে পেরে আমি গর্বিত— যেগুলো তাদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা এবং সহায়তা দিয়ে থাকে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্টকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। এই সফর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্বকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।’ ‘বাংলাদেশ বর্তমানে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারে সহায়তা করবে— যা বাংলাদেশকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।’

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নুরুল হকের ওপর নৃশংস হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে

গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়তে এই সরকারের কাজকে সমর্থন যুক্তরাজ্যের

আপডেট সময় : ০৭:০৯:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিষ্ঠার পর থেকে দায়বদ্ধতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ এবং বাংলাদেশে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথ তৈরির জন্য যুক্তরাজ্য তার সমর্থন দিয়ে আসছে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক আন্ডার সেক্রেটারি ক্যাথরিন ওয়েস্ট ঢাকায় এসেছেন বাংলাদেশের প্রতি তাদের এই সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করার জন্য।
যুক্তরাজ্য দূতাবাস থেকে শনিবার পাঠানো এক জ্ঞিপ্তিতে জানানো হয়— ঢাকা সফরকালে ক্যাথরিন ওয়েস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার, নিরাপত্তা, বাণিজ্য সহযোগিতা এবং যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অভিবাসনের জন্য যুক্তরাজ্যের চলমান সহায়তা নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য যুক্তরাজ্যের সমর্থনের বিষয়ে আলোচনা করতে ছাত্রনেতা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে এবং যুক্তরাজ্য সরকার কীভাবে দৃঢ় সম্পর্ক তৈরি করতে ও পারস্পরিকভাবে বাণিজ্য- বিনিয়োগ বাড়াতে পারে— সে বিষয়ে আলোচনা করতে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে দেখা করবেন। যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেছেন, ‘যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের জনগণের জন্য আরও সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের কাজকে সমর্থন করে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের এবং বাংলাদেশি সম্প্রদায়গুলোকে সমর্থন করার জন্য যুক্তরাজ্যের নতুন তহবিল ঘোষণা করতে পেরে আমি গর্বিত— যেগুলো তাদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা এবং সহায়তা দিয়ে থাকে।’
বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ‘আমি যুক্তরাজ্যের ইন্দো-প্যাসিফিক মন্ত্রী ক্যাথরিন ওয়েস্টকে বাংলাদেশে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। এই সফর বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারত্বকে আরও গভীর ও বিস্তৃত করবে।’ ‘বাংলাদেশ বর্তমানে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারে সহায়তা করবে— যা বাংলাদেশকে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।’