ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

খাদ্যের অপচয় যেন না হয়, আবারও সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মহামারি আর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে তার থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করতে খাদ্যের অপচয় কমাতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘সরকার ভর্তুকি দিয়ে কৃষি উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে যেন খাদ্যাভাব দেখা না দেয়, তার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারো অনুরোধ করছি, কোনো খাদ্যের অপচয় নয়। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। যার যেখানে যতটুকু জমি আছে খাদ্য উৎপাদন করুন। বিশ্বজুড়ে দুর্যোগের ঘনঘটার আভাস আমরা পাচ্ছি। তার থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করুন।’ দেশের সবাই মিলে কাজ করলে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের কোনো আঘাত আসবে না দৃঢ় প্রত্যয় রেখে সরকারপ্রধান বলেন, ‘নিজের খাবার নিজেরা উৎপাদন করার চেষ্টা করলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। বাজারের ওপর চাপ কমবে। আমরা সকলে মিলে আমরা কাজ করলে অবশ্যই আমাদের বাংলাদেশের ওপর কোনো রকম আঘাত আসবে না। আমি বিশ্বাস করি সকলের প্রচেষ্টায় এটা করা সম্ভব।’
পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতায় এসে সামরিক শাসকরা দেশকে আমদানি নির্ভর করে তোলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা গণমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। অতীতের সরকারগুলো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি বলেই দেশকে সফল হতে দেয়নি। সবক্ষেত্রে পরনির্ভরশীল করে রেখেছিল।’
সরকার বর্তমানে বৈশ্বিক দুর্যোগের কথা চিন্তা করে খাদ্য রপ্তানিতে বেশি জোর দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আর আশ্বিন-কার্তিক মাসে দেশে মঙ্গা হয় না। কৃষি গবেষকদের কষ্টের সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছেন। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
সুষম খাদ্যের কারণে দেশের মানুষের গড় আয়ু বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সবার জন্য পুষ্টিকর, নিরাপদ ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে চায়। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে। কারণ সুষম খাদ্য পাবার ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে।’
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাদ্যের অপচয় যেন না হয়, আবারও সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অক্টোবর ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনাভাইরাস মহামারি আর ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী যে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে তার থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করতে খাদ্যের অপচয় কমাতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘সরকার ভর্তুকি দিয়ে কৃষি উৎপাদন সচল রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে যেন খাদ্যাভাব দেখা না দেয়, তার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’
বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন তি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আবারো অনুরোধ করছি, কোনো খাদ্যের অপচয় নয়। খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। যার যেখানে যতটুকু জমি আছে খাদ্য উৎপাদন করুন। বিশ্বজুড়ে দুর্যোগের ঘনঘটার আভাস আমরা পাচ্ছি। তার থেকে বাংলাদেশকে সুরক্ষিত করুন।’ দেশের সবাই মিলে কাজ করলে বাংলাদেশের ওপর সম্ভাব্য দুর্ভিক্ষের কোনো আঘাত আসবে না দৃঢ় প্রত্যয় রেখে সরকারপ্রধান বলেন, ‘নিজের খাবার নিজেরা উৎপাদন করার চেষ্টা করলে পরিবেশের ওপর চাপ কমবে। বাজারের ওপর চাপ কমবে। আমরা সকলে মিলে আমরা কাজ করলে অবশ্যই আমাদের বাংলাদেশের ওপর কোনো রকম আঘাত আসবে না। আমি বিশ্বাস করি সকলের প্রচেষ্টায় এটা করা সম্ভব।’
পঁচাত্তরে জাতির পিতাকে হত্যার পর ক্ষমতায় এসে সামরিক শাসকরা দেশকে আমদানি নির্ভর করে তোলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা গণমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। অতীতের সরকারগুলো স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি বলেই দেশকে সফল হতে দেয়নি। সবক্ষেত্রে পরনির্ভরশীল করে রেখেছিল।’
সরকার বর্তমানে বৈশ্বিক দুর্যোগের কথা চিন্তা করে খাদ্য রপ্তানিতে বেশি জোর দিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আর আশ্বিন-কার্তিক মাসে দেশে মঙ্গা হয় না। কৃষি গবেষকদের কষ্টের সুফল দেশের মানুষ পাচ্ছেন। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে আরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
সুষম খাদ্যের কারণে দেশের মানুষের গড় আয়ু বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সবার জন্য পুষ্টিকর, নিরাপদ ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে চায়। কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে। কারণ সুষম খাদ্য পাবার ফলে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে।’
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।