ঢাকা ০৭:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬

কুয়াশা ও ঠান্ডায় বোরো বীজতলা আক্রান্ত

  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগৃহীত

আঃ জলিল মন্ডল, গাইবান্ধা: ১৭ দিন ধরে ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা ও হিমেল হাওয়ার কারণে আসন্ন বোরো মৌসুমের বীজতলা আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহের বেশি হলো সূর্যের আলো না থাকায় কৃষকরা চরমভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যে অনেক বীজতলায় সাদা ডোরাকাটা দাগ ও হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। এ অবস্থা আরো কিছুদিন চলতে থাকলে বীজতলা একেবারে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে কৃষি অধিদপ্তরের দাবি প্রতিবছর এ ধরনের আবহাওয়া বিরাজমান থাকে। কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শে সময়ের মধ্যে এ সমস্যা কেটে যাবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বোরো মৌসুমে জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। সে মোতাবেক বীজতলা প্রস্তুত হয়েছে ৬ হাজার ৮১২ হেক্টর। এ বছর প্রয়োজনের তুলনায় ৭১২ হেক্টর বীজতলা বেশি প্রস্তুত করা হয়েছে। আদর্শ বীজতলা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সনাতন পদ্ধতিতে যেসব বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে, সেগুলো পরিচর্যা করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেটে যাবে। সদর উপজেলা কৃষি অসিার মো. রাকিবুল আলম বলেন, প্রতিবছর এ ধরনের বৈরী আবহাওয়া থাকে। ঠান্ডায় সামান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে পরবর্তীতে এ সমস্যা কেটে যাবে। এনিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের উপসহকারি কৃষি অফিসাররা কৃষকদেরকে সঠিক পরামর্শ প্রদান করছেন।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে হলুদ বর্ণ এবং সাদা ডোরাকাটা দাগ হতে পারে। এতে চিন্তার কোনো কারণ নাই। বীজতলা রক্ষা করতে হলে প্রতিদিন বিকালে বীজতলায় পানি ভর্তি করে দিয়ে, তা পরদিন সকালে বের করে দিতে হবে বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এতে কাজ না হলে প্রতি শতক জমিতে ২৮০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। তারপরও যদি হলুদ বর্ণ থাকে তাহলে প্রতিশতকে ৪০০ গ্রাম জীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ছাড়া গোড়া পচন ধরলে প্রয়োজনে ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করতে হবে।
রিয়াজ/সানা/০৭/০১/২০২৬

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

কুয়াশা ও ঠান্ডায় বোরো বীজতলা আক্রান্ত

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

আঃ জলিল মন্ডল, গাইবান্ধা: ১৭ দিন ধরে ঘন কুয়াশা, কনকনে ঠান্ডা ও হিমেল হাওয়ার কারণে আসন্ন বোরো মৌসুমের বীজতলা আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহের বেশি হলো সূর্যের আলো না থাকায় কৃষকরা চরমভাবে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। ইতোমধ্যে অনেক বীজতলায় সাদা ডোরাকাটা দাগ ও হলুদ বর্ণ ধারণ করেছে। এ অবস্থা আরো কিছুদিন চলতে থাকলে বীজতলা একেবারে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তবে কৃষি অধিদপ্তরের দাবি প্রতিবছর এ ধরনের আবহাওয়া বিরাজমান থাকে। কৃষি অধিদপ্তরের পরামর্শে সময়ের মধ্যে এ সমস্যা কেটে যাবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন বোরো মৌসুমে জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৬ হাজার ৫০০ হেক্টর ধরা হয়েছে। সে মোতাবেক বীজতলা প্রস্তুত হয়েছে ৬ হাজার ৮১২ হেক্টর। এ বছর প্রয়োজনের তুলনায় ৭১২ হেক্টর বীজতলা বেশি প্রস্তুত করা হয়েছে। আদর্শ বীজতলা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সনাতন পদ্ধতিতে যেসব বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে, সেগুলো পরিচর্যা করলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কেটে যাবে। সদর উপজেলা কৃষি অসিার মো. রাকিবুল আলম বলেন, প্রতিবছর এ ধরনের বৈরী আবহাওয়া থাকে। ঠান্ডায় সামান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে পরবর্তীতে এ সমস্যা কেটে যাবে। এনিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের উপসহকারি কৃষি অফিসাররা কৃষকদেরকে সঠিক পরামর্শ প্রদান করছেন।

এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম জানান, ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে হলুদ বর্ণ এবং সাদা ডোরাকাটা দাগ হতে পারে। এতে চিন্তার কোনো কারণ নাই। বীজতলা রক্ষা করতে হলে প্রতিদিন বিকালে বীজতলায় পানি ভর্তি করে দিয়ে, তা পরদিন সকালে বের করে দিতে হবে বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এতে কাজ না হলে প্রতি শতক জমিতে ২৮০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। তারপরও যদি হলুদ বর্ণ থাকে তাহলে প্রতিশতকে ৪০০ গ্রাম জীব সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। এ ছাড়া গোড়া পচন ধরলে প্রয়োজনে ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করতে হবে।
রিয়াজ/সানা/০৭/০১/২০২৬