ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

ওহীর আলোয় আধুনিক শিক্ষার পথে কুড়িগ্রামে এক নীরব বিপ্লব

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ছবি আজকের প্রত্যাশা

আশির্বাদ রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: দেশের উত্তরের এক প্রান্তিক জনপদ কুড়িগ্রাম। প্রতিভার অভাব নেই, স্বপ্নেরও ঘাটতি নেই; কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই জেলার সবচেয়ে বড় সংকট ছিল মানসম্মত ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ। ঠিক সেই বাস্তবতার মাঝেই নীরবে গড়ে উঠেছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। সৃজনশীলতা ও জ্ঞান বৃদ্ধিকে ইসলামের আদর্শে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করা এই স্কুলটি আজ কুড়িগ্রামের শিক্ষাচিন্তায় নতুন আলো জ্বালাচ্ছে।

একটি শিশু শিখবে, তার হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামীর ভবিষ্যৎ-এই দর্শনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের প্রাণকেন্দ্র বাবর টাওয়ার সংলগ্ন শাপলা চত্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের ইংলিশ ভার্সন ইসলামিক স্কুল, যেখানে জাতীয় শিক্ষাক্রমের শ্রেণিভিত্তিক পাঠ্যসূচির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে ওহীর বিশুদ্ধ জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ। মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি ভাষায় দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই সাজানো হয়েছে এর শিক্ষা কার্যক্রম।

এই স্কুলের যাত্রাপথ হঠাৎ করে শুরু হয়নি। ২০১৭ সাল থেকে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষাসেবী সংগঠন ঊঝউঋ-এর শিক্ষানুরাগী মানুষ কুড়িগ্রামে একটি মানসম্মত, সময়োপযোগী ও ইসলামিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন লালন করে আসছিলেন। দীর্ঘ পরিকল্পনা, চিন্তাভাবনা ও প্রস্তুতির পর সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ নেয় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, যখন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।

সরেজমিনে স্কুলটি ঘুরে দেখা যায়, আধুনিক স্থাপত্য, দৃষ্টিনন্দন ডেকোরেশন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পড়াশোনার এক সুশৃঙ্খল আবহ তৈরি করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় এটি ইতোমধ্যে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ জন দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক এই প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদান করাচ্ছেন। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে দুইজন শিক্ষক একসঙ্গে পাঠদান করেন, ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতি আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়। শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষিত, অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিংবা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের, যা পাঠদানের মানে স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে।

শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতিবছর ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষকরা আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, শিশু মনোবিজ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে আরো পরিপূর্ণ হয়ে উঠছেন। স্কুলটিতে সাহিত্য-সংস্কৃতি, গণিত, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও সমসাময়িক জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে যেতে আরবি ভাষায় পারদর্শিতার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে আরবি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে।

বর্তমানে প্লে-গ্রুপ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রায় ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী সমাজের সচেতন ও প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে নিজস্ব স্কুল বাস এবং দূরবর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক বোর্ডিং সুবিধাও রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই একটি কলেজ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা সন্তুষ্ট শুধু পড়াশোনার মান নিয়ে নয়, বরং সন্তানদের আচরণ, শৃঙ্খলা ও নৈতিক পরিবর্তন নিয়েও। অনেক অভিভাবক জানান, এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তাদের সন্তানদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, সময়ানুবর্তিতা ও ধর্মীয় সচেতনতা আগের তুলনায় বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতও একই রকম ইতিবাচক। তাদের মতে, ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কুড়িগ্রামের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য আশার জায়গা হয়ে উঠেছে।
স্কুলের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও অধ্যক্ষ শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের লক্ষ্য কেবল ভালো ফলাফল অর্জন নয়, বরং এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা যারা জ্ঞানী, নৈতিক, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক। তিনি জানান, কুড়িগ্রাম পিছিয়ে থাকলেও এখানকার সন্তানরা যেন আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও মূল্যবোধ পায়, সেই বিশ্বাস থেকেই ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পথচলা।

ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কোনো প্রচারমূলক গল্প নয়, এটি একটি জেলার সম্ভাবনা, কিছু মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক দৃঢ় বিনিয়োগ। কুড়িগ্রামের মতো একটি প্রান্তিক জেলায় এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উত্থান নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।

সানা/ওআ/আপ্র/১৮/০১/২০২৬

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

ওহীর আলোয় আধুনিক শিক্ষার পথে কুড়িগ্রামে এক নীরব বিপ্লব

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আশির্বাদ রহমান, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: দেশের উত্তরের এক প্রান্তিক জনপদ কুড়িগ্রাম। প্রতিভার অভাব নেই, স্বপ্নেরও ঘাটতি নেই; কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই জেলার সবচেয়ে বড় সংকট ছিল মানসম্মত ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ। ঠিক সেই বাস্তবতার মাঝেই নীরবে গড়ে উঠেছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। সৃজনশীলতা ও জ্ঞান বৃদ্ধিকে ইসলামের আদর্শে ধারণ করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলার প্রত্যয়ে যাত্রা শুরু করা এই স্কুলটি আজ কুড়িগ্রামের শিক্ষাচিন্তায় নতুন আলো জ্বালাচ্ছে।

একটি শিশু শিখবে, তার হাত ধরেই গড়ে উঠবে আগামীর ভবিষ্যৎ-এই দর্শনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের প্রাণকেন্দ্র বাবর টাওয়ার সংলগ্ন শাপলা চত্বরে প্রতিষ্ঠিত হয় ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের ইংলিশ ভার্সন ইসলামিক স্কুল, যেখানে জাতীয় শিক্ষাক্রমের শ্রেণিভিত্তিক পাঠ্যসূচির সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে ওহীর বিশুদ্ধ জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ। মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ও আরবি ভাষায় দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যেই সাজানো হয়েছে এর শিক্ষা কার্যক্রম।

এই স্কুলের যাত্রাপথ হঠাৎ করে শুরু হয়নি। ২০১৭ সাল থেকে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষাসেবী সংগঠন ঊঝউঋ-এর শিক্ষানুরাগী মানুষ কুড়িগ্রামে একটি মানসম্মত, সময়োপযোগী ও ইসলামিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার স্বপ্ন লালন করে আসছিলেন। দীর্ঘ পরিকল্পনা, চিন্তাভাবনা ও প্রস্তুতির পর সেই স্বপ্ন বাস্তব রূপ নেয় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, যখন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।

সরেজমিনে স্কুলটি ঘুরে দেখা যায়, আধুনিক স্থাপত্য, দৃষ্টিনন্দন ডেকোরেশন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশে পড়াশোনার এক সুশৃঙ্খল আবহ তৈরি করা হয়েছে। কুড়িগ্রামের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনায় এটি ইতোমধ্যে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩০ জন দক্ষ ও যোগ্য শিক্ষক এই প্রতিষ্ঠানটিতে পাঠদান করাচ্ছেন। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে দুইজন শিক্ষক একসঙ্গে পাঠদান করেন, ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতি আলাদা মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়। শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষিত, অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত কিংবা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের, যা পাঠদানের মানে স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে।

শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান নয়, শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রতিবছর ৪৫ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষকরা আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতি, শিশু মনোবিজ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ে আরো পরিপূর্ণ হয়ে উঠছেন। স্কুলটিতে সাহিত্য-সংস্কৃতি, গণিত, বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি ও সমসাময়িক জাগতিক জ্ঞানের পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এগিয়ে যেতে আরবি ভাষায় পারদর্শিতার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রেখে আরবি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পাঠদান করা হচ্ছে।

বর্তমানে প্লে-গ্রুপ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রায় ৪০০-এর বেশি শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ শিক্ষার্থী সমাজের সচেতন ও প্রতিষ্ঠিত পরিবারের সন্তান। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য রয়েছে নিজস্ব স্কুল বাস এবং দূরবর্তী শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক বোর্ডিং সুবিধাও রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই একটি কলেজ গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

স্কুলে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা সন্তুষ্ট শুধু পড়াশোনার মান নিয়ে নয়, বরং সন্তানদের আচরণ, শৃঙ্খলা ও নৈতিক পরিবর্তন নিয়েও। অনেক অভিভাবক জানান, এই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তাদের সন্তানদের মধ্যে দায়িত্ববোধ, সময়ানুবর্তিতা ও ধর্মীয় সচেতনতা আগের তুলনায় বেড়েছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামতও একই রকম ইতিবাচক। তাদের মতে, ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কুড়িগ্রামের শিক্ষাব্যবস্থায় একটি নতুন মানদণ্ড তৈরি করেছে এবং ভবিষ্যতের জন্য আশার জায়গা হয়ে উঠেছে।
স্কুলের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও অধ্যক্ষ শেখ মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, তাদের লক্ষ্য কেবল ভালো ফলাফল অর্জন নয়, বরং এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলা যারা জ্ঞানী, নৈতিক, আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক। তিনি জানান, কুড়িগ্রাম পিছিয়ে থাকলেও এখানকার সন্তানরা যেন আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও মূল্যবোধ পায়, সেই বিশ্বাস থেকেই ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পথচলা।

ওহী ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কোনো প্রচারমূলক গল্প নয়, এটি একটি জেলার সম্ভাবনা, কিছু মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য এক দৃঢ় বিনিয়োগ। কুড়িগ্রামের মতো একটি প্রান্তিক জেলায় এমন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উত্থান নিঃসন্দেহে শিক্ষাক্ষেত্রে এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী পরিবর্তনের বার্তা বহন করছে।

সানা/ওআ/আপ্র/১৮/০১/২০২৬