ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬
আফতাবনগরে বুয়েটে তৈরি ই-রিকশার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফাওজুল কবির খান

উপদেষ্টারা বলেন অটোরিকশা তুলে দেন, আমি বলি শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি

  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

শনিবার রাজধানীর আফতাবনগরে ‘বুয়েট উদ্ভাবিত তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে কথা বলেন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান ও আদিলুর রহমান খান -ছবি সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আদিলুর রহমানসহ সব উপদেষ্টা আমাকে বলেন যে, ঢাকা শহরে আর ব্যাটারিচালিত রিকশা রাখা যাবে না। এগুলো উঠিয়ে দেন। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, রিকশা মানে শুধু একটি রিকশা বা একজন চালক নয়। এর পেছনে একটি পরিবার আছে; তাদের জীবন-জীবিকা আছে। সেজন্য আমি বলি-রিকশা উঠিয়ে দেওয়ার চেয়ে শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে ‘বুয়েট উদ্ভাবিত তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাস্তায় বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, ঢাকার সড়কে প্রথম যে সমস্যা সেটা হলো বাস নিয়ে। তারা যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে। বিশৃঙ্খলার মূল কারিগর বাসগুলো। আমরা বাসের বিশৃঙ্খলা কমানোর জন্য আগামীকাল বা পরশু একটি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করবো। যেখানে শুধু নির্দিষ্ট জায়গায় বাস থামবে। যত্রতত্র থামানোর সুযোগ থাকবে না। ক্রমান্বয়ে আমরা বিভিন্ন রুটে বাসের এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করবো।

উচ্চগতির গাড়ি ঢাকার রাস্তায় থাকায় জ্বালানি ও সময় অপচয় হচ্ছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, ঢাকায় যেসব গাড়ি চলাচল করে, তাতে দেখা যায় তাদের ইঞ্জিনের গতি ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ঢাকায় গাড়ি চলাচলের গড় গতি ৬-৭ কিলোমিটার। এতে উচ্চগতির ইঞ্জিন ব্যবহার করা গাড়িগুলোতে ফুয়েলের ব্যাপক অপচয় ঘটছে। সময়ও নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, গড় গতি কম, তারপরও দেখা যায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। এটার কারণ হলো বিশৃঙ্খলা, নিয়ম না মানা। ঢাকায় রাস্তা কম, প্রসারিত না; এটা যেমন ঠিক। তেমনি যে রাস্তা আছে, তা শৃঙ্খলা মেনে ব্যবহার করে ঢাকায় গাড়ি চলাচলের গড় গতি বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে নিরাপদ যাত্রাও নিশ্চিত করা সম্ভব। সেজন্য আমরা বুয়েটের তৈরি করা ই-রিকশা চালু করছি। চারটি রুটে এ রিকশা পাইলটিং হিসেবে চালানো হচ্ছে। দ্রুত ই-রিকশা সারা ঢাকা শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানও। তিনি বলেন, ঢাকা শহর তো এক শ্রেণির মানুষের জন্য না। এখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বসবাস করেন। বিশেষত যারা শ্রমজীবী মানুষ। তাদের এখানে দৈনন্দিন ভূমিকা অত্যন্ত বিরাট। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও আর্থসামাজিক ভূমিকায় তাদের অবস্থান অত্যন্ত জোরালো।

আদিলুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই-আন্দোলনেও তারা বড় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই যেকোনো পরিকল্পনা নেওয়া হোক না কেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তা জনবান্ধব হতে হবে। বিশেষ করে যারা শ্রমজীবী মানুষ, তাদের স্বার্থ রক্ষা করে করতে হবে। এ চিন্তা থেকে আজকের এ প্রকল্পের শুরুটা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা রিকশাচালক, তাদের কীভাবে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে শৃঙ্খলার মধ্যে তাদের সম্পৃক্ত করা যায়। তাদের সম্পৃক্ত করেই ঢাকা শহরে পরিবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন; প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল হাফিজ; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

এবার আফতাবনগরে চলবে বুয়েটের তৈরি ই-রিকশা: বুয়েটে তৈরি ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা এবার রাজধানীর আফতাবনগরে চলাচল করবে। বাড্ডা-রামপুরা সড়ক থেকে আফতাবনগরে প্রবেশের রাস্তা ধরে পরিবেশবান্ধব এ ই-রিকশার পরীক্ষামূলক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে আফতাবনগরের আড্ডার মোড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ই-রিকশার উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রথম ধাপে পল্টন, ধানমন্ডি ও উত্তরায় ই-রিকশা পাইলটিং আকারে চালু করা হয়েছিল। এবার আফতাবনগরে এ রিকশা চালু করা হচ্ছে। রিকশাচালকদের অনেকে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, আরো প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তারপর তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে। লাইসেন্সধারী চালকরা ব্যাটারিচালিত রিকশা কিনে নির্ধারিত এলাকার সড়কে চালাতে পারবেন। ভাড়া ও গতিসীমা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে দেবে।

এদিকে, নতুন এ ই-রিকশায় লিথিয়াম ৩৮ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একবার চার্জ দিলে ৭০-৮০ কিলোমিটার পথ চালানো যাবে। তাছাড়া আরো কিছু নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ায় চালকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে ই-রিকশা চালানোয় আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

আজকের প্রত্যাশা/কেএমএএ

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

আফতাবনগরে বুয়েটে তৈরি ই-রিকশার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ফাওজুল কবির খান

উপদেষ্টারা বলেন অটোরিকশা তুলে দেন, আমি বলি শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আদিলুর রহমানসহ সব উপদেষ্টা আমাকে বলেন যে, ঢাকা শহরে আর ব্যাটারিচালিত রিকশা রাখা যাবে না। এগুলো উঠিয়ে দেন। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে, রিকশা মানে শুধু একটি রিকশা বা একজন চালক নয়। এর পেছনে একটি পরিবার আছে; তাদের জীবন-জীবিকা আছে। সেজন্য আমি বলি-রিকশা উঠিয়ে দেওয়ার চেয়ে শৃঙ্খলা ফেরানো জরুরি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে ‘বুয়েট উদ্ভাবিত তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্বোধন’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রাস্তায় বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, ঢাকার সড়কে প্রথম যে সমস্যা সেটা হলো বাস নিয়ে। তারা যত্রতত্র দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলে। বিশৃঙ্খলার মূল কারিগর বাসগুলো। আমরা বাসের বিশৃঙ্খলা কমানোর জন্য আগামীকাল বা পরশু একটি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করবো। যেখানে শুধু নির্দিষ্ট জায়গায় বাস থামবে। যত্রতত্র থামানোর সুযোগ থাকবে না। ক্রমান্বয়ে আমরা বিভিন্ন রুটে বাসের এ প্রক্রিয়া অনুসরণ করবো।

উচ্চগতির গাড়ি ঢাকার রাস্তায় থাকায় জ্বালানি ও সময় অপচয় হচ্ছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা বলেন, ঢাকায় যেসব গাড়ি চলাচল করে, তাতে দেখা যায় তাদের ইঞ্জিনের গতি ঘণ্টায় ১০০-১২০ কিলোমিটার। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ঢাকায় গাড়ি চলাচলের গড় গতি ৬-৭ কিলোমিটার। এতে উচ্চগতির ইঞ্জিন ব্যবহার করা গাড়িগুলোতে ফুয়েলের ব্যাপক অপচয় ঘটছে। সময়ও নষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, গড় গতি কম, তারপরও দেখা যায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে অহরহ। এটার কারণ হলো বিশৃঙ্খলা, নিয়ম না মানা। ঢাকায় রাস্তা কম, প্রসারিত না; এটা যেমন ঠিক। তেমনি যে রাস্তা আছে, তা শৃঙ্খলা মেনে ব্যবহার করে ঢাকায় গাড়ি চলাচলের গড় গতি বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে নিরাপদ যাত্রাও নিশ্চিত করা সম্ভব। সেজন্য আমরা বুয়েটের তৈরি করা ই-রিকশা চালু করছি। চারটি রুটে এ রিকশা পাইলটিং হিসেবে চালানো হচ্ছে। দ্রুত ই-রিকশা সারা ঢাকা শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানও। তিনি বলেন, ঢাকা শহর তো এক শ্রেণির মানুষের জন্য না। এখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বসবাস করেন। বিশেষত যারা শ্রমজীবী মানুষ। তাদের এখানে দৈনন্দিন ভূমিকা অত্যন্ত বিরাট। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও আর্থসামাজিক ভূমিকায় তাদের অবস্থান অত্যন্ত জোরালো।

আদিলুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াই-আন্দোলনেও তারা বড় ভূমিকা পালন করেছেন। তাই যেকোনো পরিকল্পনা নেওয়া হোক না কেন, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তা জনবান্ধব হতে হবে। বিশেষ করে যারা শ্রমজীবী মানুষ, তাদের স্বার্থ রক্ষা করে করতে হবে। এ চিন্তা থেকে আজকের এ প্রকল্পের শুরুটা হচ্ছে। বিশেষ করে যারা রিকশাচালক, তাদের কীভাবে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়ে উন্নত পরিবহন ব্যবস্থার মধ্যে শৃঙ্খলার মধ্যে তাদের সম্পৃক্ত করা যায়। তাদের সম্পৃক্ত করেই ঢাকা শহরে পরিবহন বা চলাচল ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিরাপদ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন; প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়নবিষয়ক বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আব্দুল হাফিজ; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

এবার আফতাবনগরে চলবে বুয়েটের তৈরি ই-রিকশা: বুয়েটে তৈরি ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা এবার রাজধানীর আফতাবনগরে চলাচল করবে। বাড্ডা-রামপুরা সড়ক থেকে আফতাবনগরে প্রবেশের রাস্তা ধরে পরিবেশবান্ধব এ ই-রিকশার পরীক্ষামূলক চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে আফতাবনগরের আড্ডার মোড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ই-রিকশার উদ্বোধন করা হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রথম ধাপে পল্টন, ধানমন্ডি ও উত্তরায় ই-রিকশা পাইলটিং আকারে চালু করা হয়েছিল। এবার আফতাবনগরে এ রিকশা চালু করা হচ্ছে। রিকশাচালকদের অনেকে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, আরো প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তারপর তাদের লাইসেন্স দেওয়া হবে। লাইসেন্সধারী চালকরা ব্যাটারিচালিত রিকশা কিনে নির্ধারিত এলাকার সড়কে চালাতে পারবেন। ভাড়া ও গতিসীমা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে দেবে।

এদিকে, নতুন এ ই-রিকশায় লিথিয়াম ৩৮ ভোল্টের ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একবার চার্জ দিলে ৭০-৮০ কিলোমিটার পথ চালানো যাবে। তাছাড়া আরো কিছু নতুন সুবিধা যুক্ত হওয়ায় চালকরা প্রশিক্ষণ নিয়ে ই-রিকশা চালানোয় আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

আজকের প্রত্যাশা/কেএমএএ