ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ইউরোপ সফরের শুরতেই রাশিয়াকে বাইডেনের হুঁশিয়ারি

  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১
  • ৪৯ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে গত বুধবার যুক্তরাজ্য পৌঁছেছেন জো বাইডেন। আট দিনের সফরে ইউরোপের ঘনিষ্ট মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি, নেটোকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করবেন; যোগ দেবেন উন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ সম্মেলনে।
তার এই সফরের সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সূচিটি হচ্ছে আগামী সপ্তাহে জেনিভায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক। তবে সফরের শুরুতেই রাশিয়ার প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, মস্কো কোনো ক্ষতিকর কর্মকা-ে জড়ালে এর ‘ব্যাপক ও অর্থপূর্ণ’ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার যুক্তরাজ্যে পৌঁছে মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে প্রায় এক হাজার বিমানসেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
সফরের প্রথম ভাষণে বাইডেন বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত চাই না। আমরা চাই একটি স্থিতিশীল ও অনুমেয় সম্পর্ক… তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রাশিয়ার সরকার যদি কোনো ক্ষতিকর কর্মকা-ে জড়িয়ে থাকে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এর একটি বিস্তৃত ও অর্থপূর্ণ উপায়ে জবাব দেবে।’
বাইডেন বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক বন্ধন পুনর্গঠনে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করতে চান। পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি অনেকটাই বন্ধুভাবাপন্ন ছিলেন এবং ইউরোপের মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল সে সময়।
‘আমরা এটা পরিস্কার বলতে চাই, যুক্তরাষ্ট্র আগের ভূমিকায় ফিরে এসেছে। বিশ্বের সব গণতন্ত্রমনা দেশ ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা সবচেয়ে বড় সংকটগুলো মোকাবেলা ও আমাদের ভবিষ্যতের বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে একত্রে কাজ করব,’ বলেন বাইডেন।
তিনি বলেন, ইউরোপ সফরে তার লক্ষ্য হচ্ছে জোটকে শক্তিশালী করা, পুতিন ও চীনের কাছে এটা স্পষ্ট করা যে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধন দৃঢ়।
বাইডেন নেটো জোটকে শক্তিশালী করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন এই জোটের সাইবার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে হবে।
আগামী দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনাভাইরাসের ৫০ কোটি ডোজ টিকা কিনবে এবং প্রায় ১০০ দেশে তা বিতরণ করবে, এমন ঘোষণা দেবেন বাইডেন। আশা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার বাইডেন এই চুক্তির বিষয়ে ঘোষণা দেবেন।
জি-৭ সম্মেলন, জনসনের সঙ্গে বৈঠক
বাইডেনের সফরের প্রথম বিরতি কর্নওয়ালের একটি সাগরপাড়ের গ্রাম সেন্ট ইভসে, যেখানে তিনি জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সভায় টিকা কূটনীতি, বাণিজ্য, জলবায়ু ও উন্নয়নশীল বিশ্বে অবকাঠামো পুনর্গঠনের একটি উদ্যোগ গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি জবাব দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জি-৭ সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ১০০টি বড়, উচ্চ-মুনাফার কোম্পানির কাছ থেকে একটি নূন্যতম বৈশ্বিক কর আদায়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এই জোটের সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা এরইমধ্যে এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে দেশে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতার মুখে রয়েছেন বাইডেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাইডেন। ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বিশেষ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। ১৯৪১ সালের যৌথ আটলান্টিক সনদের বিষয়েও একটি ঘোষণা আসতে পারে দুই নেতার বৈঠকে।
এছাড়া আলোচ্যসূচিতে ব্রেক্সিটের পর নর্দান আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ব্রিটেনের গুড ফ্রাইডে চুক্তির ভবিষ্যৎ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার, চীনের বৈশ্বিক প্রভাব মোকাবেলার মতো বিষগুলো রয়েছে।
এছাড়া জার্মানির সঙ্গে রাশিয়ার নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইন প্রকল্পের বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন বাইডেন। জি-৭ সম্মেলন শেষে বাইডেন ও তার স্ত্রী জিল রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করবেন উইন্ডসর প্রাসাদে। ৭৮ বছরের বাইডেন এর আগে ১৯৮২ সালে ডেলাওয়ারের সেনেটর থাকাকালীন রানীর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন।
রাশিয়া এবং চীন
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেটোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য বাইডেন ব্রাসেলস যাবেন। আলোচ্যসূচিতে রাশিয়া, চীন এবং সাধারণ প্রতিরক্ষার জন্য মিত্র দেশগুলোর তহবিল যোগান বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর জেনেভা থেকে সফরের ইতি টানবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি সম্ভবত সফরের সবচেয়ে কঠিন বৈঠকে অংশ নেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে।
এই শীর্ষ বৈঠক থেকে বড় কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা আশা করা হচ্ছে না।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো চুক্তি হতে পারে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন জবাব দেননি বাইডেন।

ট্যাগস :

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

ইউরোপ সফরের শুরতেই রাশিয়াকে বাইডেনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ০২:০৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুন ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফরে গত বুধবার যুক্তরাজ্য পৌঁছেছেন জো বাইডেন। আট দিনের সফরে ইউরোপের ঘনিষ্ট মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি, নেটোকে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা করবেন; যোগ দেবেন উন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ সম্মেলনে।
তার এই সফরের সম্ভবত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সূচিটি হচ্ছে আগামী সপ্তাহে জেনিভায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক। তবে সফরের শুরুতেই রাশিয়ার প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, মস্কো কোনো ক্ষতিকর কর্মকা-ে জড়ালে এর ‘ব্যাপক ও অর্থপূর্ণ’ পরিণতি ভোগ করতে হবে।
রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার যুক্তরাজ্যে পৌঁছে মিলডেনহল বিমানঘাঁটিতে প্রায় এক হাজার বিমানসেনা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সামনে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।
সফরের প্রথম ভাষণে বাইডেন বলেন, ‘আমরা রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাত চাই না। আমরা চাই একটি স্থিতিশীল ও অনুমেয় সম্পর্ক… তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, রাশিয়ার সরকার যদি কোনো ক্ষতিকর কর্মকা-ে জড়িয়ে থাকে তাহলে যুক্তরাষ্ট্র এর একটি বিস্তৃত ও অর্থপূর্ণ উপায়ে জবাব দেবে।’
বাইডেন বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক বন্ধন পুনর্গঠনে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস করতে চান। পূর্বসূরী ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রতি অনেকটাই বন্ধুভাবাপন্ন ছিলেন এবং ইউরোপের মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল সে সময়।
‘আমরা এটা পরিস্কার বলতে চাই, যুক্তরাষ্ট্র আগের ভূমিকায় ফিরে এসেছে। বিশ্বের সব গণতন্ত্রমনা দেশ ঐক্যবদ্ধ এবং আমরা সবচেয়ে বড় সংকটগুলো মোকাবেলা ও আমাদের ভবিষ্যতের বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দিতে একত্রে কাজ করব,’ বলেন বাইডেন।
তিনি বলেন, ইউরোপ সফরে তার লক্ষ্য হচ্ছে জোটকে শক্তিশালী করা, পুতিন ও চীনের কাছে এটা স্পষ্ট করা যে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধন দৃঢ়।
বাইডেন নেটো জোটকে শক্তিশালী করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন এই জোটের সাইবার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সামরিক বাহিনীকে আধুনিকায়ন করতে হবে।
আগামী দুই বছরে যুক্তরাষ্ট্র ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনাভাইরাসের ৫০ কোটি ডোজ টিকা কিনবে এবং প্রায় ১০০ দেশে তা বিতরণ করবে, এমন ঘোষণা দেবেন বাইডেন। আশা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার বাইডেন এই চুক্তির বিষয়ে ঘোষণা দেবেন।
জি-৭ সম্মেলন, জনসনের সঙ্গে বৈঠক
বাইডেনের সফরের প্রথম বিরতি কর্নওয়ালের একটি সাগরপাড়ের গ্রাম সেন্ট ইভসে, যেখানে তিনি জি-৭ সম্মেলনে অংশ নেবেন। সভায় টিকা কূটনীতি, বাণিজ্য, জলবায়ু ও উন্নয়নশীল বিশ্বে অবকাঠামো পুনর্গঠনের একটি উদ্যোগ গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপকে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিরুদ্ধে একটি জবাব দেওয়ার উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
জি-৭ সম্মেলনে বিশ্বের প্রায় ১০০টি বড়, উচ্চ-মুনাফার কোম্পানির কাছ থেকে একটি নূন্যতম বৈশ্বিক কর আদায়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। এই জোটের সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা এরইমধ্যে এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে দেশে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতার মুখে রয়েছেন বাইডেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাইডেন। ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বিশেষ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন তারা। ১৯৪১ সালের যৌথ আটলান্টিক সনদের বিষয়েও একটি ঘোষণা আসতে পারে দুই নেতার বৈঠকে।
এছাড়া আলোচ্যসূচিতে ব্রেক্সিটের পর নর্দান আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ব্রিটেনের গুড ফ্রাইডে চুক্তির ভবিষ্যৎ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলা, আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহার, চীনের বৈশ্বিক প্রভাব মোকাবেলার মতো বিষগুলো রয়েছে।
এছাড়া জার্মানির সঙ্গে রাশিয়ার নর্ড স্ট্রিম-২ পাইপলাইন প্রকল্পের বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন বাইডেন। জি-৭ সম্মেলন শেষে বাইডেন ও তার স্ত্রী জিল রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সঙ্গে দেখা করবেন উইন্ডসর প্রাসাদে। ৭৮ বছরের বাইডেন এর আগে ১৯৮২ সালে ডেলাওয়ারের সেনেটর থাকাকালীন রানীর সাক্ষাৎ পেয়েছিলেন।
রাশিয়া এবং চীন
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং নেটোর নেতাদের সঙ্গে আলোচনার জন্য বাইডেন ব্রাসেলস যাবেন। আলোচ্যসূচিতে রাশিয়া, চীন এবং সাধারণ প্রতিরক্ষার জন্য মিত্র দেশগুলোর তহবিল যোগান বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরপর জেনেভা থেকে সফরের ইতি টানবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। সেখানে তিনি সম্ভবত সফরের সবচেয়ে কঠিন বৈঠকে অংশ নেবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে।
এই শীর্ষ বৈঠক থেকে বড় কোনো পরিবর্তনের ঘোষণা আশা করা হচ্ছে না।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো চুক্তি হতে পারে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সরাসরি কোন জবাব দেননি বাইডেন।