ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

আসামে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭১, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লাখ

  • আপডেট সময় : ০১:২২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুন ২০২২
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি মৌসুমে ভারতের আসামে বন্যায়-ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ জনে। এতে রাজ্যটির ৪২ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তছাড়া এক লাখ ৮৬ হাজার ৪২৪ জন ৭৪৪টি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। আসামের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের। কর্মকর্তারা জানিয়েছে, অবিরাম বৃষ্টিতে রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শহরে ব্রহ্মপুত্রের পানির প্রবাহ বন্ধ করতে প্রশাসন এরই মধ্যে গুয়াহাটি শহরের লাইফলাইন ভরলুর সব সুইস গেট বন্ধ করে দিয়েছে। তাছাড়া মেঘালয়ের পাঁচ লাখ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমি ধসের কারণে রাজ্যটির দুইটি জাতীয় সড়ক বন্ধ রয়েছে। দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় ত্রিপুরায় ১০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগরতলায় গত ৬০ বছরের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে এবার। সেখানে বন্যার কারণে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। মেঘালয়ের মাওসিনরাম ও চেরাপুঞ্জিতেও ১৯৪০ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বন্যায় নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে টেলিফোন করে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন এবং কেন্দ্র থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

আসামে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৭১, ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লাখ

আপডেট সময় : ০১:২২:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুন ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চলতি মৌসুমে ভারতের আসামে বন্যায়-ভূমিধসে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭১ জনে। এতে রাজ্যটির ৪২ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তছাড়া এক লাখ ৮৬ হাজার ৪২৪ জন ৭৪৪টি কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। আসামের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর দ্য ইকোনমিক টাইমসের। কর্মকর্তারা জানিয়েছে, অবিরাম বৃষ্টিতে রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটির অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। শহরে ব্রহ্মপুত্রের পানির প্রবাহ বন্ধ করতে প্রশাসন এরই মধ্যে গুয়াহাটি শহরের লাইফলাইন ভরলুর সব সুইস গেট বন্ধ করে দিয়েছে। তাছাড়া মেঘালয়ের পাঁচ লাখ মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমি ধসের কারণে রাজ্যটির দুইটি জাতীয় সড়ক বন্ধ রয়েছে। দেশটির এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যায় ত্রিপুরায় ১০ হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। তবে সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগরতলায় গত ৬০ বছরের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে এবার। সেখানে বন্যার কারণে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। মেঘালয়ের মাওসিনরাম ও চেরাপুঞ্জিতেও ১৯৪০ সালের পর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বন্যায় নিহতদের পরিবারকে ৪ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে টেলিফোন করে বন্যা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ নিয়েছেন এবং কেন্দ্র থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।