ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

আরও তিন দিন গণসংযোগ করবে বিএনপি

  • আপডেট সময় : ০২:৩১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোট বর্জনের আহ্বান নিয়ে দেশব্যাপী চালিয়ে যাওয়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও তিন দিন বাড়িয়েছে বিএনপি।
গতকাল সোমবার বিকালে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিঙে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কর্মসূচি বাড়ানোর কথা জানান। তিনি বলেন, “আগামীকাল ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে ৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিন বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং এই পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবি এবং অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আবারো গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি পালন করবে।”
গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির মধ্যেই এই ঘোষণা দিল বিএনপি। গত ২৮ অক্টোবর নয়া পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ প- হওয়ার পর থেকে বিএনপিসহ সমমনা জোটগুলো চার দফায় ৫ দিন হরতাল ও ১২ দফায় (রোববারসহ) ২৩ দিন অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এরপর পর থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের টানা কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি।
আওয়ামী লীগ আগুন নিয়ে খেলছে: ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, সহিংসতার এই রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আগুন নিয়ে খেলছে। তারা নিরীহ মানুষদের হত্যা করে, আগুনে পুড়িয়ে, জনগণের লাশের ওপর বসে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।’ গতকাল সোমবার (১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএনপি এই কথা বলেছে।
সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচিত ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত বিষয়গুলো নিয়ে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সই করা বিবৃতিতে স্থায়ী কমিটি বলেছে, ‘বিএনপিকে ভাঙার ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর, ফ্যাসিবাদকে দৃঢ় করবার নতুন ফন্দি-ফিকির খুঁজছে আওয়ামী লীগ। গণভবনে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী দলগুলোর দিক থেকে সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি তার নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন, দলীয়ভাবে সেই সহিংসতাকে মোকাবিলা করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে। আর এর পরপরই রাষ্ট্রীয় মদদে সহিংসতার ঘটনা বাড়তে থাকে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাসে-ট্রেনে আগুনসহ অগ্নিসন্ত্রাস ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলতে থাকে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘গত ১৯ ডিসেম্বর এক মর্মান্তিক ঘটনায়, ঢাকায় চলন্ত ট্রেনের তিনটি বগিতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং চার যাত্রী মারা যান। এই ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলেও বোঝা যায় যে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় মদদে নাশকতা ঘটানো হয়েছিল। অগ্নিকা-ের দুই দিন আগেই, ১৯ ডিসেম্বরের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে বিশেষভাবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা, জরুরি পরিষেবা, ডাক্তার ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ডিএমপির এই প্রস্তুতিমূলক উদ্যোগ কেন নেওয়া হয়েছিল, নাশকতার সুস্পষ্ট তথ্য ও পরিকল্পনা তাদের কাছে কীভাবে এলো এবং তারপরেও এটি রোধে কেন তারা কোনও ব্যবস্থা নিলো না এসব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।’
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘এর আগেও ২০১৪-১৫ সালে দেশব্যপী নিজেরা নানাবিধ সহিংসতা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে তার দায়ভার বিরোধী দলের ওপর চাপিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ, যার তথ্য-প্রমাণ বিভিন্ন সময় আমরা তুলে ধরেছি। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ যেমন একদিকে সরকার হিসেবে গণতন্ত্রকামী হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের মিথ্যা অজুহাত তৈরি করতে চাচ্ছে; অন্যদিকে তেমনি দল হিসেবে, বিএনপির জনকল্যাণমুখী ও গণতন্ত্রের পক্ষের অবস্থানকে বিতর্কিত করার প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হচ্ছে।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটি বলছে, ‘আওয়ামী লীগের অতীত নাশকতার ইতিহাস ও এসব সহিংসতাকে ব্যবহার করে দমন-পীড়নের কৌশল বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট, বিএনপিকে তথাকথিত সন্ত্রাসী দল হিসেবে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে আওয়ামী অপশক্তি বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যা ও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের একটি নীল নকশা তৈরি করছে।’ আওয়ামী লীগের এই প্রকল্প অচিরেই তাদের দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াবে বলে স্থায়ী কমিটি বিশ্বাস করে।
বিএনপির বিবৃতিতে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়। বলা হয়, ‘চীন ও রাশিয়ার মতো কিছু স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র ছাড়া-যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আদর্শিক সম্পর্ক ও নীতিগত নৈকট্য সর্বমহল স্বীকৃত, পৃথিবীর সব দেশেই সমাবেশ ও মত প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকার। বিএনপির মৌলিক এই অধিকারটিকে সর্বোতভাবে খর্ব করা হয়েছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপথগামী ও দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু সদস্য ও আওয়ামী লীগের পেটোয়া বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের ফটকে ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে হামলা ও সুরক্ষিত পুলিশ হাসপাতালের সামনের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজন পুলিশকে হত্যা করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা খুব কাছে থাকলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে এসব হামলার মিথ্যা অভিযোগের দায় চাপানো হয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর।’ দলের মহাসচিব ও অন্যান্য সিনিয়র নেতাসহ গত দুই মাসে বিএনপির প্রায় ২৫ হাজার সদস্য ও সমর্থককে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয় বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

 

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

আরও তিন দিন গণসংযোগ করবে বিএনপি

আপডেট সময় : ০২:৩১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোট বর্জনের আহ্বান নিয়ে দেশব্যাপী চালিয়ে যাওয়া গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি আরও তিন দিন বাড়িয়েছে বিএনপি।
গতকাল সোমবার বিকালে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিঙে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী কর্মসূচি বাড়ানোর কথা জানান। তিনি বলেন, “আগামীকাল ২ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে ৪ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিন দিন বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং এই পাতানো নির্বাচন বাতিলের দাবি এবং অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষে আবারো গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি পালন করবে।”
গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির মধ্যেই এই ঘোষণা দিল বিএনপি। গত ২৮ অক্টোবর নয়া পল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ প- হওয়ার পর থেকে বিএনপিসহ সমমনা জোটগুলো চার দফায় ৫ দিন হরতাল ও ১২ দফায় (রোববারসহ) ২৩ দিন অবরোধ কর্মসূচি পালন করে। এরপর পর থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণের টানা কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি।
আওয়ামী লীগ আগুন নিয়ে খেলছে: ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, সহিংসতার এই রাজনীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আগুন নিয়ে খেলছে। তারা নিরীহ মানুষদের হত্যা করে, আগুনে পুড়িয়ে, জনগণের লাশের ওপর বসে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়।’ গতকাল সোমবার (১ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএনপি এই কথা বলেছে।
সম্প্রতি দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচিত ও সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত বিষয়গুলো নিয়ে এই বিবৃতি দেওয়া হয়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদের সই করা বিবৃতিতে স্থায়ী কমিটি বলেছে, ‘বিএনপিকে ভাঙার ব্যর্থ প্রচেষ্টার পর, ফ্যাসিবাদকে দৃঢ় করবার নতুন ফন্দি-ফিকির খুঁজছে আওয়ামী লীগ। গণভবনে এক অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী দলগুলোর দিক থেকে সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি তার নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেন, দলীয়ভাবে সেই সহিংসতাকে মোকাবিলা করে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে। আর এর পরপরই রাষ্ট্রীয় মদদে সহিংসতার ঘটনা বাড়তে থাকে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বাসে-ট্রেনে আগুনসহ অগ্নিসন্ত্রাস ঘটিয়ে বিএনপির ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা চলতে থাকে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘গত ১৯ ডিসেম্বর এক মর্মান্তিক ঘটনায়, ঢাকায় চলন্ত ট্রেনের তিনটি বগিতে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং চার যাত্রী মারা যান। এই ঘটনাটি বিশ্লেষণ করলেও বোঝা যায় যে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপানোর উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রীয় মদদে নাশকতা ঘটানো হয়েছিল। অগ্নিকা-ের দুই দিন আগেই, ১৯ ডিসেম্বরের জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালককে বিশেষভাবে সরকারি হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত শয্যা, জরুরি পরিষেবা, ডাক্তার ও অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখার জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ডিএমপির এই প্রস্তুতিমূলক উদ্যোগ কেন নেওয়া হয়েছিল, নাশকতার সুস্পষ্ট তথ্য ও পরিকল্পনা তাদের কাছে কীভাবে এলো এবং তারপরেও এটি রোধে কেন তারা কোনও ব্যবস্থা নিলো না এসব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।’
এতে উল্লেখ করা হয়, ‘এর আগেও ২০১৪-১৫ সালে দেশব্যপী নিজেরা নানাবিধ সহিংসতা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়ে তার দায়ভার বিরোধী দলের ওপর চাপিয়ে দেয় আওয়ামী লীগ, যার তথ্য-প্রমাণ বিভিন্ন সময় আমরা তুলে ধরেছি। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ যেমন একদিকে সরকার হিসেবে গণতন্ত্রকামী হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের মিথ্যা অজুহাত তৈরি করতে চাচ্ছে; অন্যদিকে তেমনি দল হিসেবে, বিএনপির জনকল্যাণমুখী ও গণতন্ত্রের পক্ষের অবস্থানকে বিতর্কিত করার প্রোপাগান্ডায় লিপ্ত হচ্ছে।’ বিএনপির স্থায়ী কমিটি বলছে, ‘আওয়ামী লীগের অতীত নাশকতার ইতিহাস ও এসব সহিংসতাকে ব্যবহার করে দমন-পীড়নের কৌশল বিশ্লেষণ করলে এটি স্পষ্ট, বিএনপিকে তথাকথিত সন্ত্রাসী দল হিসেবে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে আওয়ামী অপশক্তি বাংলাদেশে গণতন্ত্র হত্যা ও একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের একটি নীল নকশা তৈরি করছে।’ আওয়ামী লীগের এই প্রকল্প অচিরেই তাদের দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়াবে বলে স্থায়ী কমিটি বিশ্বাস করে।
বিএনপির বিবৃতিতে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারকে চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়। বলা হয়, ‘চীন ও রাশিয়ার মতো কিছু স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র ছাড়া-যাদের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আদর্শিক সম্পর্ক ও নীতিগত নৈকট্য সর্বমহল স্বীকৃত, পৃথিবীর সব দেশেই সমাবেশ ও মত প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক অধিকার। বিএনপির মৌলিক এই অধিকারটিকে সর্বোতভাবে খর্ব করা হয়েছে। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপথগামী ও দুর্নীতিগ্রস্ত কিছু সদস্য ও আওয়ামী লীগের পেটোয়া বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের ফটকে ভাঙচুর, পুলিশ বক্সে হামলা ও সুরক্ষিত পুলিশ হাসপাতালের সামনের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একজন পুলিশকে হত্যা করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা খুব কাছে থাকলেও কেউ সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। পরবর্তীতে এসব হামলার মিথ্যা অভিযোগের দায় চাপানো হয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের ওপর।’ দলের মহাসচিব ও অন্যান্য সিনিয়র নেতাসহ গত দুই মাসে বিএনপির প্রায় ২৫ হাজার সদস্য ও সমর্থককে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয় বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।