ঢাকা ০১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

অ্যাক্রোবেটিক গোলে স্তুতির জোয়ারে ভাসছেন হলান্ড

  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

ক্রীড়া ডেস্ক: ডি-বক্সে কড়া পাহারার মাঝে শূন্যে লাফিয়ে ব্যাক-হিল ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এখন আর্লিং হলান্ড। নিজ দল তো বটেই, প্রতিপক্ষ কোচেরও প্রশংসা কুড়িয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। স্তুতির মিছিলে যোগ দিয়েছে সতীর্থরাও। হলান্ডের অ্যাক্রোবেটিক গোল অবাক করেছে প্রায় সবাইকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার ঘরের মাঠে স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জেতে সিটি। ম্যাচে হলান্ডের দুই গোলের প্রথমটি ছিল বিস্ময় জাগানিয়া।
সিটির ‘গোল মেশিন’ হলান্ডকে নিয়ে অনেকবারই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। কিন্তু স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে তার করা অ্যাক্রোবেটিক গোলটিতে অবাক স্প্যানিশ এই কোচও। নরওয়ের তারকা ফুটবলারকে ‘অতিমানব’ মনে হচ্ছে তার। ৫৮তম মিনিটে হলান্ডের করা গোলটি ‘স্বাভাবিক’ ছিল কিনা, ম্যাচ শেষে গুয়ার্দিওলার কাছে জানতে চান সফরকারী এক সাংবাদিক। সিটি কোচ বলেন, “আমি বলব, স্বাভাবিক নয়। কোনো মানুষের জন্য নয়।” ২০২২ সালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে কারাতে কিকে গোল করে আলোড়ন তুলেছিলেন হলান্ড। এবারের গোলটিরও প্রায় একইরকম। এমন গোলে সৌন্দর্যের চেয়ে অসাধারণ শারীরিক সামর্থ্য বেশি ফুটে ওঠে। স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে একটি গোল করা ফিল ফোডেনও বললেন সেটাই। “তাকে কেবল বলেছি, এটা করার চেষ্টা করলে আমার কুঁচকিতে টান পড়ত। আমি জানি না, সে কীভাবে এটা করেছে। আমার মনে হয়, এটা তার লম্বা পায়ের কারণে সম্ভব হয়েছে। সে অবিশ্বাস্য একজন, তাই না?” সফল স্পট কিকে জালের দেখা পাওয়া মাথেউস নুনেস তো হলান্ডের অবিশ্বাস্য ফিনিশিং দেখে ভাষাই হারিয়ে ফেলেন। “কি অসাধারণ গোল। ওই গোলের পর আমি বাকরূদ্ধ হয়ে পড়ি। ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে তার একই রকম গোলটি আমি টিভিতে দেখছিলাম, এটি সরাসরি দেখা অসাধারণ ছিল।” স্পার্তা প্রাহার কোচ লার্স ফ্রিসের চোখে এখন গোলের জন্য সবচেয়ে বড় নির্ভরতা হলান্ড।
“সে বিশ্বমানের খেলোয়াড়। সম্ভবত বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকার।” প্রিমিয়ার লিগে শেষ তিন ম্যাচে গোল পাননি হলান্ড। এটাকে বড় করে দেখছেন না গুয়ার্দিওলা। বরং সামনে এনেছেন কতটা চাপের মধ্য থেকে ঠিকানা খুঁজে নিতে হয় হলান্ডকে। “আমি জানি, এটা তার জন্য সহজ নয়। কারণ, বক্সের মধ্যে তাকে কড়া পাহারায় রাখা হয়। কোনো জায়গা দেওয়া হয় না, তার সঙ্গে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার থাকে, কাছাকাছি অবস্থান নেয় দুজন হোল্ডিং মিডফিল্ডারৃ আক্ষরিক অর্থেই কোনো জায়গা থাকে না। প্রতিটি ক্রসে কেউ তাকে জড়িয়ে ধরে, কেউবা ধাক্কা মারে। তাই কাজটা সহজ নয়।” স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে হলান্ডের আলোচিত গোলটি সরাসরি দেখতে পারেননি গুয়ার্দিওলা। ঠিক ওই সময় তার সামনে ছিলেন একজন খেলোয়াড়। পরে বেঞ্চের দিকে ফিরে তাকে জেনেছিলেন গোল কে আর কীভাবে করেছে।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : prottashasmf@yahoo.com
আপলোডকারীর তথ্য

অ্যাক্রোবেটিক গোলে স্তুতির জোয়ারে ভাসছেন হলান্ড

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

ক্রীড়া ডেস্ক: ডি-বক্সে কড়া পাহারার মাঝে শূন্যে লাফিয়ে ব্যাক-হিল ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এখন আর্লিং হলান্ড। নিজ দল তো বটেই, প্রতিপক্ষ কোচেরও প্রশংসা কুড়িয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার। স্তুতির মিছিলে যোগ দিয়েছে সতীর্থরাও। হলান্ডের অ্যাক্রোবেটিক গোল অবাক করেছে প্রায় সবাইকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বুধবার ঘরের মাঠে স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জেতে সিটি। ম্যাচে হলান্ডের দুই গোলের প্রথমটি ছিল বিস্ময় জাগানিয়া।
সিটির ‘গোল মেশিন’ হলান্ডকে নিয়ে অনেকবারই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন কোচ পেপ গুয়ার্দিওলা। কিন্তু স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে তার করা অ্যাক্রোবেটিক গোলটিতে অবাক স্প্যানিশ এই কোচও। নরওয়ের তারকা ফুটবলারকে ‘অতিমানব’ মনে হচ্ছে তার। ৫৮তম মিনিটে হলান্ডের করা গোলটি ‘স্বাভাবিক’ ছিল কিনা, ম্যাচ শেষে গুয়ার্দিওলার কাছে জানতে চান সফরকারী এক সাংবাদিক। সিটি কোচ বলেন, “আমি বলব, স্বাভাবিক নয়। কোনো মানুষের জন্য নয়।” ২০২২ সালে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে কারাতে কিকে গোল করে আলোড়ন তুলেছিলেন হলান্ড। এবারের গোলটিরও প্রায় একইরকম। এমন গোলে সৌন্দর্যের চেয়ে অসাধারণ শারীরিক সামর্থ্য বেশি ফুটে ওঠে। স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে একটি গোল করা ফিল ফোডেনও বললেন সেটাই। “তাকে কেবল বলেছি, এটা করার চেষ্টা করলে আমার কুঁচকিতে টান পড়ত। আমি জানি না, সে কীভাবে এটা করেছে। আমার মনে হয়, এটা তার লম্বা পায়ের কারণে সম্ভব হয়েছে। সে অবিশ্বাস্য একজন, তাই না?” সফল স্পট কিকে জালের দেখা পাওয়া মাথেউস নুনেস তো হলান্ডের অবিশ্বাস্য ফিনিশিং দেখে ভাষাই হারিয়ে ফেলেন। “কি অসাধারণ গোল। ওই গোলের পর আমি বাকরূদ্ধ হয়ে পড়ি। ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে তার একই রকম গোলটি আমি টিভিতে দেখছিলাম, এটি সরাসরি দেখা অসাধারণ ছিল।” স্পার্তা প্রাহার কোচ লার্স ফ্রিসের চোখে এখন গোলের জন্য সবচেয়ে বড় নির্ভরতা হলান্ড।
“সে বিশ্বমানের খেলোয়াড়। সম্ভবত বিশ্বের সেরা স্ট্রাইকার।” প্রিমিয়ার লিগে শেষ তিন ম্যাচে গোল পাননি হলান্ড। এটাকে বড় করে দেখছেন না গুয়ার্দিওলা। বরং সামনে এনেছেন কতটা চাপের মধ্য থেকে ঠিকানা খুঁজে নিতে হয় হলান্ডকে। “আমি জানি, এটা তার জন্য সহজ নয়। কারণ, বক্সের মধ্যে তাকে কড়া পাহারায় রাখা হয়। কোনো জায়গা দেওয়া হয় না, তার সঙ্গে তিনজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার থাকে, কাছাকাছি অবস্থান নেয় দুজন হোল্ডিং মিডফিল্ডারৃ আক্ষরিক অর্থেই কোনো জায়গা থাকে না। প্রতিটি ক্রসে কেউ তাকে জড়িয়ে ধরে, কেউবা ধাক্কা মারে। তাই কাজটা সহজ নয়।” স্পার্তা প্রাহার বিপক্ষে হলান্ডের আলোচিত গোলটি সরাসরি দেখতে পারেননি গুয়ার্দিওলা। ঠিক ওই সময় তার সামনে ছিলেন একজন খেলোয়াড়। পরে বেঞ্চের দিকে ফিরে তাকে জেনেছিলেন গোল কে আর কীভাবে করেছে।