সূচি বিপর্যয় পুষিয়ে নিতে অভিনব পরিকল্পনা ইংল্যান্ডের

ক্রীড়া ডেস্ক || আজকের প্রত্যাশা ডটকম

করোনায় পেছাচ্ছে একের পর এক সিরিজ। স্থগিত হচ্ছে নানা আয়োজন। সূচি বিপর্যয়ে নাভিশ্বাস উঠেছে আয়োজকরা। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে কিভাবে সিরিজগুলো আয়োজন হবে তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

 

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এরই মধ্যে জানিয়েছে, একই দিনে দুই মাঠে তাদের দুই ফরম্যাটের দল মাঠে নামতে পারবে। এতে খেলোয়াড়দেরও আপত্তি নেই।

 

এক মাঠে টেস্ট দল খেলবে, আরেক মাঠে চলবে ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি।নতুন করে আরেকটি প্রস্তাব দিয়েছেন ইংল্যান্ড ক্রিকেটের পরিচালক আশলে জাইলস।

 

তাঁর মতে, টেস্ট ম্যাচের আগের দিন কিংবা টেস্ট শেষ হবার পরদিনই ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি খেলতে পারবেন ক্রিকেটাররা।

 

যেহেতু দুই ফরম্যাটের দুই দল, একই দিনে ম্যাচ খেলার থেকে টেস্টের আগের দিন কিংবা পরের দিন ম্যাচ আয়োজন করা যেতে পারে। করোনায় বন্ধ হয়ে আছে ক্রীড়াঙ্গন।

 

ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড এরই মধ্যে ঘোষণা দিয়েছে ২৮ মে পর্যন্ত বল মাঠে গড়াবে না। জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিনটি টেস্ট খেলার কথা আছে ইংল্যান্ডের।

 

এরপর অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা ও লাল বলে খেলার সূচি। সিরিজগুলো পিছিয়ে যাবে নিশ্চিতভাবেই। ইসিবি জানিয়েছে, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে খুব দ্রুতই তাদের মাঠে ফিরতে হবে।

 

আশলে জাইলস বলেছেন, ‘আমাদের সঙ্গে অন্যান্য বোর্ডের সম্পর্ক দারুণ। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছি। সামান্য সুযোগ পেলে আমরা মাঠের ক্রিকেটে ফিরব।

 

যতটা সম্ভব আন্তর্জাতিক সিরিজে নিজেদের ব্যস্ত রাখব।‘‘হ্যাঁ, একই সময়ে দুটি দল নামানো কঠিন। কিন্তু আমাদেরকে কাজ করতে হবে। দুটি পৃথক দল গঠন করতে হবে।

 

এখন পর্যন্ত ভাবিনি কিভাবে করা যাবে। কিন্তু আমাদের পর্যাপ্ত খেলোয়াড় আছে যাদের দিয়ে খুব সহজে দল তৈরি করা যাবে। আবার এটাও করা যেতে পারে, টেস্ট ম্যাচের আগের দিন কিংবা ম্যাচ শেষে একটি ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি আয়োজন করা সম্ভব।’– যোগ করেন জাইলস।

 

প্রাক্তন ইংলিশ ক্রিকেটার মনে করেন, খুব তরিঘরি করে ম্যাচ আয়োজনে সবথেকে বড় সমস্যা ব্রডকাস্ট মিডিয়ার। তাঁদের ইচ্ছার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে বলে মনে করছেন জাইলস।

 

‘ব্রডকাস্ট আমাদের অংশ। তারা কি চাইছে কিভাবে পরিকল্পনা করবে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। তারা আমাদের স্টেকহোল্ডার। তারাও এই সময়টায় ভুগছে। দেখা যাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে কিভাবে কি করা সম্ভব।’

 

করোনা যুদ্ধে এগিয়ে এসেছেন ক্রিকেটাররা। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এখন পর্যন্ত ৫ লাখ পাউন্ড অনুদান করেছেন। ছেলেদের মহানুভবতায় উচ্ছ্বসিত জাইলস।

 

বোর্ডের পরিচালক বলেছেন, ‘তাদের অবদানে আমি গর্বিত। তারা এদেশের রোল মডেল। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের আরও শক্তিশালী করল।’

Please follow and like us: