ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

বিশ্বমানে হতাশাজনক চিত্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের

  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

গোলাম সারওয়ার : গত ৬ জুলাই ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ৭১ বছর অতিক্রম করলো। কিন্তু প্রাচীনতম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা ও গবেষণার দিক দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের সাথে কী তাল মিলিয়ে চলতে পারছে? এককথায় বলতে গেলে ‘না’। অত্যন্ত দুঃখের ও হতাশার সাথে বলতে হয়, র‌্যাংকিং নির্ণয়ে যেসব স্বীকৃত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এত প্রাচীন এবং শত শত প্রফেসর পদবিধারী শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও নতুন নতুন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে র‌্যাংকিংয়ে নাজুক ও লাজুক অবস্থার মধ্যে রয়েছে।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, ওয়েব ম্যাট্রিক্স, টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশন, দ্য অ্যাকাডেমিক র‌্যাংকিং অব ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিস, ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট এসব সংস্থা বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মানের অবস্থানের দিক থেকে এক হাজারের ওপরে উঠতে পারেনি। অথচ বয়সের দিক থেকে বেশ কয়েকটি কমবয়সী সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে মানের দিক থেকে ওপরের দিকে থাকে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দীনতা আমাদের আহত করে।
২০২৪ সালে এসব মান নির্ণয়কারী সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বের এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই। ৭০ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিবেশী ভারত এমনকি পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে নিচে অবস্থান করছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকার নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বাদই দিলাম, মাত্র এক যুগ পার করা রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের’ নামও উঠে এসেছে একটি সংস্থার র‌্যাংকিংয়ে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশনের (টিএইচই) ‘ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিং’-২০২৪ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের ১২৫টি দেশের ২১৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় এবারের ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকার দ্বিতীয় সারিতে ১০০১-১৫০০-এর মধ্যে ও দেশের মধ্যে যৌথভাবে ৯ম স্থানে অবস্থান করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
উচ্চশিক্ষায় মর্যাদাপূর্ণ এ র‌্যাংকিংয়ে এই প্রথমবারের মতো দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় নাম লেখার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এত প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ৬ যুগ পর রাবির ৭১ বছর বয়সের ২০২৪ সালের জন্মদিন অনেকটা এই কারণে সার্থক বলে মনে করি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) কর্তৃক প্রকাশিত ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংস ২০২৫: টপ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিজ’ শীর্ষক র‌্যাংকিংয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান রয়েছে ১২০১-১৪০০ এর মধ্যে। ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট ২৪ এ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৬৭৬।
সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ৫১৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাস হয়েছে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা খাতেই ৩০০ কোটি ৮৯ লাখ এবং পেনশন বাবদ ৯২ কোটি ৮৫ লাখ, আর গবেষণা খাতে মাত্র ১৪ কোটি ২ লাখ।শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং পেনশন বাবদই সিংহভাগ অর্থ চলে যায়। গবেষণা খাতে নামমাত্র।
বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা প্রত্যয় পেনশন স্কিম বাতিল ও নিজেদের আর্থিক সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবিতে দলমত, পথ, বিভেদ ভুলে সব একাকার হয়ে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন অবশ্যই যৌক্তিক বলে মনে করি। কিন্তু এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষকদের নির্লজ্জ দলীয়করণের ফলে আজ বিশ্ববিদ্যালয় যে অবস্থানে এসে পৌঁছেছে এজন্য মূলত তারাই দায়ী বলে মনে করেন বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদরা। জানা মতে, এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আজ পর্যন্ত শিক্ষার মানোন্নয়ন কিংবা গবেষণার জন্য আন্দোলন করতে দেখা যায়নি।
অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, বৈষম্য, অন্যায়কে সমর্থন করা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ সহনীয় হয়ে গেছে। অথচ পদলেহনকারী শিক্ষকরা পেশাদারত্ব বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তিগত লোভ লালসায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পেশার মর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে কখনো এসব শিক্ষকদের একসাথে আন্দোলন করতে দেখা যায়নি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সন্মানিত শিক্ষকদের কাছে একটিই আবেদন, আপনাদের মেধা-মনন পুরোটাই শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যয় করুন। আমরা আশা করি,বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে নিজেদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় যেন আন্তর্জাতিক মানের দিকে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যেতে পারে-সে ব্যাপারে আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা শুরু করতে সচেষ্ট হবেন।
লেখক: ডেপুটি রেজিস্ট্রার (অব.); রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও সিনিয়র সাংবাদিক।

 

 

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার লার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

আমানতের অর্থ লুটে খাচ্ছে ব্যাংক : পিআরআই

বিশ্বমানে হতাশাজনক চিত্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের

আপডেট সময় : ০৯:৫২:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

গোলাম সারওয়ার : গত ৬ জুলাই ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ৭১ বছর অতিক্রম করলো। কিন্তু প্রাচীনতম এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা ও গবেষণার দিক দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের সাথে কী তাল মিলিয়ে চলতে পারছে? এককথায় বলতে গেলে ‘না’। অত্যন্ত দুঃখের ও হতাশার সাথে বলতে হয়, র‌্যাংকিং নির্ণয়ে যেসব স্বীকৃত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এত প্রাচীন এবং শত শত প্রফেসর পদবিধারী শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও নতুন নতুন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে র‌্যাংকিংয়ে নাজুক ও লাজুক অবস্থার মধ্যে রয়েছে।
কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং, ওয়েব ম্যাট্রিক্স, টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশন, দ্য অ্যাকাডেমিক র‌্যাংকিং অব ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিস, ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট এসব সংস্থা বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিং তৈরি করে। দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মানের অবস্থানের দিক থেকে এক হাজারের ওপরে উঠতে পারেনি। অথচ বয়সের দিক থেকে বেশ কয়েকটি কমবয়সী সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে মানের দিক থেকে ওপরের দিকে থাকে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দীনতা আমাদের আহত করে।
২০২৪ সালে এসব মান নির্ণয়কারী সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান র‌্যাংকিংয়ে বিশ্বের এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই। ৭০ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিবেশী ভারত এমনকি পাকিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে নিচে অবস্থান করছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকার নামকরা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বাদই দিলাম, মাত্র এক যুগ পার করা রাজশাহীর ‘বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের’ নামও উঠে এসেছে একটি সংস্থার র‌্যাংকিংয়ে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার অ্যাডুকেশনের (টিএইচই) ‘ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিং’-২০২৪ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্বের ১২৫টি দেশের ২১৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় এবারের ইমপ্যাক্ট র‌্যাংকিংয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ তালিকার দ্বিতীয় সারিতে ১০০১-১৫০০-এর মধ্যে ও দেশের মধ্যে যৌথভাবে ৯ম স্থানে অবস্থান করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
উচ্চশিক্ষায় মর্যাদাপূর্ণ এ র‌্যাংকিংয়ে এই প্রথমবারের মতো দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় নাম লেখার গৌরব অর্জন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এত প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ৬ যুগ পর রাবির ৭১ বছর বয়সের ২০২৪ সালের জন্মদিন অনেকটা এই কারণে সার্থক বলে মনে করি।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিশ্ববিখ্যাত শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াককোয়ারেলি সায়মন্ডস (কিউএস) কর্তৃক প্রকাশিত ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিংস ২০২৫: টপ গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিজ’ শীর্ষক র‌্যাংকিংয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান রয়েছে ১২০১-১৪০০ এর মধ্যে। ইউএস নিউজ অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্ট ২৪ এ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ১৬৭৬।
সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট ৫১৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাস হয়েছে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা খাতেই ৩০০ কোটি ৮৯ লাখ এবং পেনশন বাবদ ৯২ কোটি ৮৫ লাখ, আর গবেষণা খাতে মাত্র ১৪ কোটি ২ লাখ।শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং পেনশন বাবদই সিংহভাগ অর্থ চলে যায়। গবেষণা খাতে নামমাত্র।
বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা প্রত্যয় পেনশন স্কিম বাতিল ও নিজেদের আর্থিক সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর দাবিতে দলমত, পথ, বিভেদ ভুলে সব একাকার হয়ে আন্দোলন করছে। এ আন্দোলন অবশ্যই যৌক্তিক বলে মনে করি। কিন্তু এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষকদের নির্লজ্জ দলীয়করণের ফলে আজ বিশ্ববিদ্যালয় যে অবস্থানে এসে পৌঁছেছে এজন্য মূলত তারাই দায়ী বলে মনে করেন বয়োজ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদরা। জানা মতে, এসব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আজ পর্যন্ত শিক্ষার মানোন্নয়ন কিংবা গবেষণার জন্য আন্দোলন করতে দেখা যায়নি।
অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা, বৈষম্য, অন্যায়কে সমর্থন করা প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ সহনীয় হয়ে গেছে। অথচ পদলেহনকারী শিক্ষকরা পেশাদারত্ব বিসর্জন দিয়ে ব্যক্তিগত লোভ লালসায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত হয়ে পেশার মর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহত্তর স্বার্থে কখনো এসব শিক্ষকদের একসাথে আন্দোলন করতে দেখা যায়নি।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে সন্মানিত শিক্ষকদের কাছে একটিই আবেদন, আপনাদের মেধা-মনন পুরোটাই শিক্ষা ও গবেষণা কাজে ব্যয় করুন। আমরা আশা করি,বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে নিজেদের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড ত্যাগ করে বিশ্ববিদ্যালয় যেন আন্তর্জাতিক মানের দিকে ক্রমান্বয়ে এগিয়ে যেতে পারে-সে ব্যাপারে আপনাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা শুরু করতে সচেষ্ট হবেন।
লেখক: ডেপুটি রেজিস্ট্রার (অব.); রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও সিনিয়র সাংবাদিক।