The Daily Ajker Prottasha

পিসি উইন্ডোজ ১১-তে আপডেট করবেন যেভাবে

0 0
Read Time:5 Minute, 4 Second

প্রযুক্তি ডেস্ক : ২০২১ সালে উইন্ডোজ ১১ উন্মোচনের পর থেকেই মাইক্রোসফটের এই অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম বড় আপডেটের জন্য অপেক্ষা করছিলেন ব্যবহারকারীরা। আর অবশেষে এসেছে এটি। ২০২২ সালের বেশিরভাগ সময়জুড়ে কোম্পানির ইনসাইডার প্রোগ্রামে পরীক্ষা হয়েছে বেশকিছু নতুন ফিচারের, যা দেখা যাবে এই বছরের উইন্ডোজ আপডেটে। এর মধ্যে আছে-
ফাইল এক্সপ্লোরার ‘ট্যাবস’।
টাস্কবারের জন্য তুলনামূলক উন্নত কাস্টমাইজেশন সুবিধা।
লাইভ ক্যাপশনের মতো বেশ কয়েকটি ‘অ্যাক্সেসিবিলিটি’ ফিচার।
অনেকে হয়তো এখনই পিসিতে এই আপডেট খুঁজে পাবেন না। সেটি বিবেচনা করে কয়েকটি ধাপের কথা উল্লেখ করেছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকরেডার, যার মাধ্যমে ২০২২ সালের আপডেট ডাউনলোড ও ইনস্টল করার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে পারবেন ব্যবহারকারী।
প্রসেসর: এক গিগাহার্টজ অথবা এর চেয়ে দ্রুতগতির। পাশাপাশি, অন্তত দুই কোরের ৬৪-বিট প্রসেসর বা ‘এসওসি’।
র‌্যাম: চার জিবি
স্টোরেজ: ৬৪জিবি
সিস্টেম ফার্মওয়্যার: ‘ইউইএফআই, সিকিওর বুট সক্ষম
টিপিএম: ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০
গ্রাফিক্স কার্ড: ‘ডাইরেক্ট এক্স ১২’ বা ‘ডব্লিউডিডিএম ২.০’ ড্রাইভার
ডিসপ্লে: ৭২০ পিক্সেল, প্রতি কালার চ্যানেলে আট বিট, কোনাকুনি অন্তত নয় ইঞ্চি।
ইন্টারনেট সংযোগ ও মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট: উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন সংস্করণের প্রাথমিক সেটআপ চালাতে বা ‘এস’ মোডে উইন্ডোজ ১১ হোম থেকে কোনো ডিভাইস সংযোগ বন্ধে প্রয়োজন একটি সক্রিয় ইন্টারনেট সংযোগ ও মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট। নিচে উল্লেখিত কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করে অপারেটিং সিস্টেমটির নতুন সংস্করণ আপডেট করে নিতে পারেন ব্যবহারকারী।
উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করলে : ডিভাইসটি উইন্ডোজ ১১-তে আপগ্রেডের যোগ্য কি না তা নিশ্চিত করতে একটি পিসি হেলথ চেক অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে।
সেটিংয়ের ‘আপডেট অ্যান্ড সিকিউরিটি’ থেকে ‘উইন্ডোজ আপডেট’-এ গিয়ে ‘চেক ফর আপডেটস’ অপশন বাছাই করবেন।
উইন্ডোজ ১১ ডাউনলোড ও ইনস্টলের অপশন চলে আসবে, যেটিতে আরও থাকবে ‘২২এইচ২’ আপডেট।
উইন্ডোজ ১১ ব্যবহার করলে : সরাসরি সেটিংয়ের ‘আপডেট অ্যান্ড সিকিউরিটি’ থেকে ‘উইন্ডোজ আপডেট’-এর ‘চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি বাছাই করলে ‘ভার্শন ২২এইচ২ ইজ রেডি’ লেখা একটি বক্স দেখা যাবে।
অপারেটিং সিস্টেমটি ডাউলোড ও ইনস্টল করে পিসি রিস্টার্টের জন্য অপেক্ষা করুন।
উইন্ডোজ ১১-এর নতুন সংস্করণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার হলো ফাইল এক্সপ্লোরারের ‘ট্যাবস’। ব্যবহারকারীকে একই সময়ে একাধিক উইন্ডো ব্যবহারের সুযোগ দেবে এটি, অনেকটা মাইক্রোসফট এজ এবং অন্যান্য ওয়েব ব্রাউজারের মতোই। বড় কয়েকটি পরিবর্তন এসেছে উইন্ডোজের অ্যাক্সেসিবিলিটি ফিচারেও। কেবল নির্দিষ্ট কয়েকটি অ্যাপ নয়, বরং পুরো অপারেটিং সিস্টেম জুড়েই ব্যবহার করা যাবে লাইভ ক্যাপশনস। টেক্সট-টু-স্পিচে এসেছে আগের চেয়ে বেশি কণ্ঠস্বর ও কয়েকটি ‘ন্যারেশন’ ফিচার, যা অতীতে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে আসা ‘একঘেয়ে’ কণ্ঠস্বরের জায়গা নেবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে টেকরেডার। ভবিষ্যতের বিভিন্ন আপডেটে আরও ফিচার যোগ করা সম্ভব। এরইমধ্যে ফাইলের ডাউনলোড সাইজ কমালেও পরবর্তীতে এটি আরও কমিয়ে সাড়ে চারশ মেগাবাইটে আনার ঘোষণা দিয়েছে মাইক্রোসফট। যেসব ব্যবহারকারী আকারে তুলনামূলক ছোট হার্ডড্রাইভ বা সেলুলার ডেটার মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন, তারা এতে লাভবান হবেন।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published.