The Daily Ajker Prottasha

পরীক্ষার্থীদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা জরুরি

0 0
Read Time:17 Minute, 51 Second

নাসরীন সুলতানা : কয়েক দিন আগে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন পড়ে চোখকে যেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল– ‘এক কেন্দ্রে ৯ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা’। শিরোনাম দেখে পুরো প্রতিবেদন পড়ার আগ্রহ তৈরি হলো। মনে মনে অপেক্ষা করছিলাম কী এমন ঘটেছে যে একই কেন্দ্র থেকে ৯ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিবেদনে লেখা আছে– ‘পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে ৯ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইসমাইল রহমান। ৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭ জনের খাতায় রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছাড়া তখনও কিছুই লেখা হয়নি, তারপরও বহিষ্কার করা হয়েছে। বাকি দুই পরীক্ষার্থীর একজন দুটি উত্তর এবং অপরজন তিনটি উত্তরের বৃত্ত ভরাট করেছে কেবল, এমন সময়ে তাদের বহিষ্কার করা হয়’। (দৈনিক যুগান্তর, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২)।
এই প্রতিবেদন পড়ার পর বারবার কোমলমতি ছেলেমেয়েদের মুখগুলো মনে পড়ছিল। মনে হচ্ছিলো একটা পরিবারের ১০ বছরের তিল তিল করে তৈরি করা স্বপ্ন হঠাৎ কোনও বুলডোজারের আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে গেলো। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা শেষে স্বস্তির হাসি নিয়ে যে মুখগুলো মা-বাবার সামনে হাজির হওয়ার কথা ছিল; পরীক্ষা শুরু হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই যেন তা ম্লান হয়ে গেছে। আহা! কী একটা দেশ আমাদের!
আমরা একটা আপাদমস্তক মানসিক বিকারগ্রস্ত জাতি। দিন দিন যেন নৈতিকতা, মানবিকতা আমাদের জীবন থেকে মুছে যাচ্ছে। তা যাবেই না কেন? সরকারি কর্মকর্তাদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিংয়ে ম্যানার্স এবং অ্যাটিকেটের শিক্ষা দেওয়া হলেও তাদের নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় না, তাদের মানবিক আচরণের শিক্ষা দেওয়া হয় না। অথচ তাদের জন্য এই শিক্ষা সবচেয়ে জরুরি এবং আবশ্যিক। কারণ তারা যখন মাঠ পর্যায়ে কাজ করে তখন তাদের বিভিন্ন শ্রেণি এবং পেশার মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। তাই তাদের জন্য স্টেকহোল্ডারের বয়স এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া খুব জরুরি। কোনও অবস্থাতেই যেন মানবাধিকার লঙ্ঘন না হয়, সে বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি।
আমি বরাবর আমার ক্লাসে ফার্স্ট ছিলাম। আমার এখনও মনে আছে, এসএসসি পরীক্ষার সময় আমাদের স্কুলের শিক্ষকম-লী থেকে শুরু করে বড়রা সবাই ম্যাজিস্ট্রেটের বিষয়ে খুব সতর্ক করে দিতেন। যদিও আমি কোনোদিন নকল করিনি এবং অন্যের খাতা থেকে কিছু দেখে লিখার দরকার হয়নি, কিন্তু ‘ম্যাজিস্ট্রেট’ নাম শুনলেই ভেতরে এক ধরনের আতঙ্ক কাজ করতো। নিউজ পড়ে আমি যেন সেই ২৫ বছর আগের জীবনে ফিরে গিয়েছি। আমার কেবল ওই ৯টা পরিবারের কথা মনে পড়ছিল। এদের মধ্যে হয়তো কোনও কোনও পরিবার আছে যাদের অনেক কষ্টে পরীক্ষার ফি জোগাড় করতে হয়েছে, হয়তো এমন পরিবার আছে বাবা দিনমজুর, এমন পরিবার আছে মা গৃহপরিচারিকার কাজ করে ছেলেমেয়ের পড়ালেখার খরচ জোগাড় করছে; আর কয়েকটা বছর গেলেই ছেলে পড়াশোনা শেষ করে রোজগার করে সংসারের হাল ধরবে। না হয় ধরে নিলাম সবাই অতি সচ্ছল পরিবারে বেড়ে উঠেছে। তাতে কী?
তাদের তো সামাজিকভাবে হেয় হতে হয়েছে। হ্যাঁ, এই ঘটনায় প্রতিটা পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সামাজিকভাবে হেয় হয়েছে, হয়েছে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। কোমলমতি ছেলেমেয়েদের সেন্টিমেন্টের কথাটাও কিন্তু আমাদের বিবেচনা করতে হবে।
আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পুরো কাঠামোটাই আমার কাছে গোলমেলে লাগে। প্রাইমারি, সেকেন্ডারি এবং টারশিয়ারি শিক্ষা ব্যবস্থায় একেক স্তরে একেক রকম নিয়ম। আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক হিসেবে যখন পরীক্ষার হলে প্রক্টরিং করি তখন আমাকে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। কোনও শিক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বন করলে তাকে বহিষ্কারের জন্য একটা ফরম পূরণ করতে হয়। সেই ফরমে দুজন প্রক্টরের স্বাক্ষর থাকে। একজন যিনি প্রমাণসহ ধরেছেন এবং অন্য একজন সাক্ষ্য দেবেন তিনি এই ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন। সেই ফরমে প্রধান পরীক্ষক স্বাক্ষর করবেন। খাতার সাথে প্রমাণ হিসেবে জমা দেওয়া হবে যেই চিরকুট বা প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেছে সেটা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রচলিত বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে স্বয়ং উপাচার্য যদি সেই কক্ষে উপস্থিত থাকেন তবে তাকেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এই ধরনের ফরম পূরণের সময় আমরা সব সময় শিক্ষার্থীর যেন শাস্তি কম হয় সেদিক বিবেচনা করি। মন্তব্যের ঘরে সব সময় শিক্ষার্থীর প্রতি স্নেহশীল হয়ে মন্তব্য করি। আমি নিজে এটা গত দশ বছর প্র্যাকটিস করে আসছি, আমার সহকর্মীদেরও সেটা করতে দেখেছি। এই ব্যবস্থাটার একটা ভালো দিক হলো এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পায়।
হ্যাঁ, প্রতিটা ‘অপরাধী’র আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া উচিত। পৃথিবীর কোনও সভ্য দেশে মনে হয় না এই ধরনের কোনও নজির আছে যে একজন শিক্ষার্থী (যদি ঘটনা সত্যি হয়) খাতাতে কিছুই লিখেনি অথচ তাকে নকলের অভিযোগে পরীক্ষা হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আপনি একজনকে শাস্তি দেবেন অথচ তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেবেন না, তাই কি হয়? আদালতে কোনও মামলার রায়ের ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ থাকে। এমনকি একজন মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিও রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইতে পারে। দেশের আইন তাকে সেই অধিকার দিয়েছে, এবং রাষ্ট্রপতি মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামির শাস্তি মওকুফ করে দিয়েছেন এমন দৃষ্টান্তও অনেক আছে। অথচ পরীক্ষার হলে বহিষ্কারের ক্ষেত্রে কোনও আপিলের সুযোগ নেই, নেই কোনও ক্ষমা চাওয়ার সুযোগও। একজন অফিসারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অধিকারী। আমার ভাবতে অবাক লাগে এটা কি একটা গণতান্ত্রিক দেশের আইন হতে পারে।
সেদিন আমার এক বাঙালি কানাডিয়ান বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিলো। সে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য একবার পরীক্ষা দিয়েছে কিন্তু পাস করতে পারেনি। তার মনে হয়েছিল যিনি পরীক্ষক ছিলেন তিনি ভুলভাবে মূল্যায়ন করেছেন। এবার দ্বিতীয়বার যখন তিনি পরীক্ষা দিতে গিয়েছেন প্রথমেই তিনি বলেছেন তার পরীক্ষক হিসেবে প্রথমবার যিনি পরীক্ষক ছিলেন তাকে যেন নিয়োগ না দেওয়া হয়। দ্বিতীয়বার তিনি যথারীতি টেস্টে পাস করেন এবং লাইসেন্স পেয়ে যান। এটাই একটা সভ্য দেশের রীতি, এখানে প্রতিটা পক্ষের জন্য কিছু সুযোগের ব্যবস্থা থাকে, থাকে সেই সুযোগকে কাজে লাগানোর ব্যবস্থাও।
সাধারণত, পরীক্ষার হলে নকল বা অন্যায়ের ধরন বুঝে শাস্তির ব্যবস্থা নির্ধারিত হয়। সেই শাস্তির মধ্যে থাকতে পারে পরীক্ষার্থীর স্থান পরিবর্তন, কিংবা ভিন্ন সেটের প্রশ্ন সরবরাহ করার মাধ্যমে প্রশ্ন পরিবর্তন, কিংবা ভবিষ্যতের জন্য সাবধান করে দেওয়া। এগুলোর কোনোটাই না করে সকল পরীক্ষার্থীকে একই ধরনের শাস্তি প্রদান করে আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করেছেন কিনা সে বিষয়ে আমার সন্দেহ হচ্ছে। যদিও আমি জানি না স্কুল কলেজে পরীক্ষায় নকল বা অন্যায়ের শাস্তির মাত্রাভেদ আছে কিনা। যদি না থেকে থাকে অচিরেই অপরাধের মাত্রা নির্ধারণ এবং সেই অনুযায়ী শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করাও জরুরি।
আমি একটা বিষয় ভেবে পাই না, এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রক্টর কেন রাখা হয়? পরীক্ষার হলে ১ ঘণ্টা কিংবা ২ ঘণ্টা যিনি প্রক্টরিং করছেন, কোনও শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্ত কেন জানা হবে না সেটা একটা বড় প্রশ্ন।
একটা গল্প বলি। আমি তখন ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টাতে মাস্টার্স করি। আমি একটা কোর্সের টিচিং অ্যাসিসটেন্ট (টিএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। নিয়ম অনুযায়ী অধ্যাপক সপ্তাহে দুটি ক্লাস নেন আর আমার দায়িত্ব হলো ২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য ফ্রাইডে টিউটোরিয়াল কন্ডাক্ট করা, মানে হলো সপ্তাহে যা পড়ানো হয়েছে সেটার সারসংক্ষেপ বুঝিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য একটা ক্লাসরুমে আলোচনার ব্যবস্থা করা। এই ২৫ জন শিক্ষার্থীর সব দায়িত্ব তখন আমার। তাদের উত্তরপত্র মূল্যায়ন থেকে শুরু করে কী করে তারা লেখা উন্নত করতে পারে সেসব দায়িত্ব তখন আমার। ক্লাস, পরীক্ষা সব শেষ। এবার রেজাল্ট দেওয়ার পালা। একজন ছাত্রের নম্বর ঠিক ই+ এবং অ- এর মাঝামাঝি আছে। আমাকে অধ্যাপক জিজ্ঞেস করলেন আমার মতামত কী? বললাম, আমি সবসময় সুবিধা দেবার পক্ষে। আমি গ্রেড বাড়াতে চাই, ছাত্রের কাছ থেকে গ্রেড কেড়ে নিতে চাই না। সেই ছাত্রকে শেষে অ- দেওয়া হলো।
গত সেমিস্টারে ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে টিএ থাকাকালীনও আমি এক ছাত্রকে গ্রেড বাড়িয়ে দিয়েছিলাম। আমাকে যখন অধ্যাপক জিজ্ঞেস করেছিল কেন তার গ্রেড বাড়িয়েছি তখন আমি তাকে ব্যাখ্যা দিয়েছিলাম এই বলে যে তার দুটো পেপার কিছুটা খারাপ হলেও শেষের দিকে অনেক নিজেকে ডেভেলপ করেছে। তার হাতে সুযোগ থাকলে সে আপার গ্রেডই পেতো। শেষ পর্যন্ত আমার সিদ্ধান্তকেই অধ্যাপক সম্মান করেছেন। এটাই হলো বড় মানসিকতা, মানবিকতা। আপনি উঁচু চেয়ারে আছেন বলে আপনার চেয়ে নিচু চেয়ারে যিনি আছেন তাদের যদি আপনি সম্মান করতে না পারেন, আপনার থেকে জাতি কোনোদিন উপকৃত হবে না। উপরে উল্লেখিত ঘটনার দিন ওই কেন্দ্রের হল সুপার ও খারিজ্জমা ইসহাক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুসরাত জাহান অফিসারকে অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি তার কথার গুরুত্ব দেননি। বরং নিজের সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। এই ধরনের অফিসার একটা জাতির জন্য সম্পদ নয় বরং এক ধরনের আপৎ। দেশ ও জাতির কল্যাণে এই ধরনের ঘটনা যাতে আর আনা ঘটে সেদিকে সরকারের নজর দেওয়া উচিত।
আমি মনে করি পুরো সিস্টেমের একটা সংস্কার দরকার। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের দায়িত্বে যে অফিসার থাকবেন তিনি হবেন বিচারক এবং কোনও পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করার ক্ষেত্রে তাকে একটি পূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে কোনও পরীক্ষার্থীর বিপক্ষে অভিযোগ করবেন একজন প্রক্টর কিংবা পরিদর্শক এবং সাথে সাক্ষ্য দেবেন অন্য একজন। উভয়ের স্বাক্ষর সংবলিত অভিযোগপত্র কেন্দ্র প্রধানের মাধ্যমে অফিসার তথা বিচারকের কাছে পৌঁছাবে। তিনি অভিযোগের ধরন এবং মাত্রা বুঝে শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। আর এক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর সাথে অসদাচরণের অভিযোগে প্রক্টরের বিপক্ষেও অভিযোগের সুযোগ থাকবে। বিচারক তাঁর রায় না দেওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার্থী বাকি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এভাবে একটা স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ পদ্ধতির মধ্য দিয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হবে। এতে করে পরীক্ষার্থীর জন্য তার পরীক্ষা কেন্দ্র হয়ে নিরাপদ।
পরিশেষে এটাই বলতে চাই, সিস্টেমের সংস্কারের সাথে সাথে আমাদের শিখতে হবে কী করে সহমর্মিতা বা স্নেহশীল মনোভাব নিয়ে অন্যের সঙ্গে আচরণ করতে হয়; কী করে বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্রতর স্বার্থকে মাঝে মাঝে ত্যাগ করতে হয়; কী করে নীতিবিদ্যার উপযোগবাদী ক্যালকুলাস ব্যবহার করে ব্যক্তিস্বার্থ উপেক্ষা করে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের জন্য সর্বোচ্চ পরিমাণ সুখ নিশ্চিত করা যায়। এই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে হয়তো একজন ভবিষ্যৎ অফিসার হতে পারতো। লক্ষ রাখতে হবে সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় যার বা যাদের বেতন চলে তারা যেন সাধারণ মানুষের জন্য আতঙ্কজনক হয়ে না ওঠে! একজন সুযোগ্য অফিসার দেশের সম্পদ, দেশ এবং জনগণের সেবক। তিনি আইনের রক্ষক, আইনের অপব্যবহার করা তার দায়িত্ব নয়। সবার বোধোদয় হোক, সেই সাথে এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ছাত্রদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হোক। যদি ছাত্ররা লঘু পাপে গুরু দ- পেয়ে থাকে তবে তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা হোক, যাতে তারা মানসিক এবং সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই সাথে অফিসারদের জন্য ইথিকস পড়া বাধ্যতামূলক করা হোক।
লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়; পিএইচডি শিক্ষার্থী, ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিও, কানাডা।

Happy
Happy
0 %
Sad
Sad
0 %
Excited
Excited
0 %
Sleepy
Sleepy
0 %
Angry
Angry
0 %
Surprise
Surprise
0 %

Average Rating

5 Star
0%
4 Star
0%
3 Star
0%
2 Star
0%
1 Star
0%

Leave a Reply

Your email address will not be published.