ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪, ২৯ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিজেদের প্রথম বিদ্যুচ্চালিত রেসিং কার দেখাল ন্যাসকার

  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

প্রযুক্তি ডেস্ক : নিজেদের প্রথম ‘ইলেকট্রিক রেসারের’ নমুনা দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রেসিং কোম্পানি ন্যাসকার। এ সপ্তাহান্তে ‘শিকাগো স্ট্রিট রেস’ আয়োজনে গাড়িটির প্রথম ঝলক দেখা যায়, যার বাজারমূল্য ১৫ লাখ ডলার। গাড়িটি বানাতে সুইস অটোমেশন কোম্পানি ‘এবিবি’, গাড়ি নির্মাতা শেভ্রলে, ফোর্ড ও টয়োটার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে ন্যাসকার। এর লক্ষ্য ছিল, কোম্পানিটির ‘ন্যাসকার ইমপ্যাক্ট’ প্রকল্পের অধীনে রেসিংয়ের ক্ষেত্রে ইভি’র সক্ষমতা কেমন, তা পরখ করে দেখা। তবে ন্যাসকার তেলে চলা রেসিং কার থেকে একেবারে সরে আসছে, বিষয়টি এমন নয়। বরং তারা ‘ইলেকট্রিক রেসিংয়ের প্রতি ভক্তদের আগ্রহ’ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। ন্যাসকারের ‘সাসটেইনেবিলিটি’ বিভাগের প্রধান রাইলি নেলসন বলেছেন, তারা নিজেদের অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ‘এমন বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি দেখাতে চান, যেখানে রেসিংয়ে বিদ্যুতায়নের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। এতে করে রেসিংও ভক্তদের কাছে ‘কুল’, মজাদার ও হাতের নাগালে বলে মনে হবে।’
এ প্রোটোটাইপ গাড়িটি চালিয়েছেন ন্যাসকারের চালক ডেভিড রাগান। আর এতে আছে তিনটি ‘স্টার্ড ইউএইচপি ৬-ফেইজ’ মটর, যার মধ্যে একটি গাড়ির সামনে ও বাকি দুটি পেছনে। আর সবগুলো মোটরই ৭৮ কিলোওয়াট আওয়ার সক্ষমতার ‘লিকুইড-কুলড’ ব্যাটারিতে চলে। ন্যাসকারের তথ্য অনুসারে, “এর টিউনযোগ্য পাওয়ারট্রেইন নিজের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার করলে এক হাজার কিলোওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।” আর এতে পরবর্তী প্রজন্মের শ্যাসিও বসানো হয়েছে। ন্যাসকারের ‘সাসটেইনেবিলিটি’ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জায়গায় ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন ও ২০২৮ সাল নাগাদ নিজেদের রেইস ট্র্যাকগুলোতে শতভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা। এ ছাড়া, ২০৩৫ সাল নাগাদ নিজেদের কার্বন নির্গমনের মাত্রাও শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে কোম্পানিটি।

 

 

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার লার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

আমানতের অর্থ লুটে খাচ্ছে ব্যাংক : পিআরআই

নিজেদের প্রথম বিদ্যুচ্চালিত রেসিং কার দেখাল ন্যাসকার

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুলাই ২০২৪

প্রযুক্তি ডেস্ক : নিজেদের প্রথম ‘ইলেকট্রিক রেসারের’ নমুনা দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক রেসিং কোম্পানি ন্যাসকার। এ সপ্তাহান্তে ‘শিকাগো স্ট্রিট রেস’ আয়োজনে গাড়িটির প্রথম ঝলক দেখা যায়, যার বাজারমূল্য ১৫ লাখ ডলার। গাড়িটি বানাতে সুইস অটোমেশন কোম্পানি ‘এবিবি’, গাড়ি নির্মাতা শেভ্রলে, ফোর্ড ও টয়োটার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করেছে ন্যাসকার। এর লক্ষ্য ছিল, কোম্পানিটির ‘ন্যাসকার ইমপ্যাক্ট’ প্রকল্পের অধীনে রেসিংয়ের ক্ষেত্রে ইভি’র সক্ষমতা কেমন, তা পরখ করে দেখা। তবে ন্যাসকার তেলে চলা রেসিং কার থেকে একেবারে সরে আসছে, বিষয়টি এমন নয়। বরং তারা ‘ইলেকট্রিক রেসিংয়ের প্রতি ভক্তদের আগ্রহ’ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন এ উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। ন্যাসকারের ‘সাসটেইনেবিলিটি’ বিভাগের প্রধান রাইলি নেলসন বলেছেন, তারা নিজেদের অংশীদারদের সঙ্গে মিলে ‘এমন বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি দেখাতে চান, যেখানে রেসিংয়ে বিদ্যুতায়নের বিষয়টি প্রাধান্য পাবে। এতে করে রেসিংও ভক্তদের কাছে ‘কুল’, মজাদার ও হাতের নাগালে বলে মনে হবে।’
এ প্রোটোটাইপ গাড়িটি চালিয়েছেন ন্যাসকারের চালক ডেভিড রাগান। আর এতে আছে তিনটি ‘স্টার্ড ইউএইচপি ৬-ফেইজ’ মটর, যার মধ্যে একটি গাড়ির সামনে ও বাকি দুটি পেছনে। আর সবগুলো মোটরই ৭৮ কিলোওয়াট আওয়ার সক্ষমতার ‘লিকুইড-কুলড’ ব্যাটারিতে চলে। ন্যাসকারের তথ্য অনুসারে, “এর টিউনযোগ্য পাওয়ারট্রেইন নিজের সর্বোচ্চ সক্ষমতা ব্যবহার করলে এক হাজার কিলোওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।” আর এতে পরবর্তী প্রজন্মের শ্যাসিও বসানো হয়েছে। ন্যাসকারের ‘সাসটেইনেবিলিটি’ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জায়গায় ইভি চার্জিং স্টেশন স্থাপন ও ২০২৮ সাল নাগাদ নিজেদের রেইস ট্র্যাকগুলোতে শতভাগ নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা। এ ছাড়া, ২০৩৫ সাল নাগাদ নিজেদের কার্বন নির্গমনের মাত্রাও শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে কোম্পানিটি।