ঢাকা ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ছাত্র রাজনীতি অবশ্যই চাই: গয়েশ্বর

  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের পক্ষে নন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, সমস্যা ছাত্র রাজনীতিতে নয়। ‘সমস্যা’ তৈরি করেছে ছাত্রলীগ। ‘প্রশাসনের ছত্রছায়ায় পেশিশক্তির ব্যবহার করে’ ছাত্র রাজনীতিকে ছাত্রলীগ ‘ধ্বংস করে ফেলেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গতকাল সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীনকে দেখতে দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বুয়েটের পরিস্থিতি নিয়ে গয়েশ্বরের ভাষ্য, “ছাত্র রাজনীতি অবশ্যই আমরা চাই। ছাত্র রাজনীতি করেই তো আমরা এখানে এসেছি। এখানে ছাত্র রাজনীতি বাধা নয়। এখানে বাধা হল শিক্ষাঙ্গনে ‘একদলীয়’ ছাত্র সংগঠন।
“তাদের ‘ধর্ষণ, নির্যাতনের প্রসার, ভিন্নমতের ছ্ত্রা সংগঠনকে না থাকতে দেওয়ার’ পরিপ্রেক্ষিতে কিন্তু সেখানে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।” তিনি বলেন, “একমাত্র পেশিশক্তি আর প্রশাসনের প্রভাবে ছাত্রলীগ বেপরোয়া। এই কারণে তারা আজকে ছাত্র রাজনীতিকে ধ্বংস করে ফেলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা আপনারা দেখছেন। “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ‘শোচনীয়’। সেখানে (জাহাঙ্গীরনগর) ছাত্রলীগ নেতা মানিক ‘ধর্ষণের সেঞ্চুরি’ পালন করেছিল। এর চেয়ে ঘৃণ্য, লজ্জাকর আর জাতির জন্য কলঙ্ক আর কী হতে পারে? তারা (ছাত্রলীগ) কোনো কলঙ্কেই কলঙ্কিত না।“ বুয়েটের আবরার হত্যা নিয়ে তিনি বলেন, “আবরার ফাহাদের হত্যাকা-ের পরে শুধু ছাত্ররা না, বাংলাদেশের সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল ফুঁসে উঠেছিল, প্রতিবাদ জানিয়েছিল; তখন বুয়েট কর্তৃপক্ষ একটা সিদ্ধান্ত নিল যে, কোনো রাজনৈতিক দলের সংগঠন থাকবে না। এটা বুয়েটের কর্তৃপক্ষ নিয়েছে, সারা দেশের চিত্র এটা নয়।
“সেই পরিবেশ এখনো বলবৎ আছে কি না অর্থাৎ এখনো ওই ধরনের হত্যাকা-ের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা আছে কি না, সেটা বিবেচনা করে বুয়েটকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেখানে ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না।” বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে বাধা অবশ্য কেটেছে। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে ২০১৯ সালে জারি করা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করে দিয়েছে হাই কোর্ট। গয়েশ্বরের সঙ্গে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার লার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

ছাত্র রাজনীতি অবশ্যই চাই: গয়েশ্বর

আপডেট সময় : ০১:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক : শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র রাজনীতি বন্ধের পক্ষে নন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেছেন, সমস্যা ছাত্র রাজনীতিতে নয়। ‘সমস্যা’ তৈরি করেছে ছাত্রলীগ। ‘প্রশাসনের ছত্রছায়ায় পেশিশক্তির ব্যবহার করে’ ছাত্র রাজনীতিকে ছাত্রলীগ ‘ধ্বংস করে ফেলেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
গতকাল সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নাটোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীনকে দেখতে দিয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। বুয়েটের পরিস্থিতি নিয়ে গয়েশ্বরের ভাষ্য, “ছাত্র রাজনীতি অবশ্যই আমরা চাই। ছাত্র রাজনীতি করেই তো আমরা এখানে এসেছি। এখানে ছাত্র রাজনীতি বাধা নয়। এখানে বাধা হল শিক্ষাঙ্গনে ‘একদলীয়’ ছাত্র সংগঠন।
“তাদের ‘ধর্ষণ, নির্যাতনের প্রসার, ভিন্নমতের ছ্ত্রা সংগঠনকে না থাকতে দেওয়ার’ পরিপ্রেক্ষিতে কিন্তু সেখানে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।” তিনি বলেন, “একমাত্র পেশিশক্তি আর প্রশাসনের প্রভাবে ছাত্রলীগ বেপরোয়া। এই কারণে তারা আজকে ছাত্র রাজনীতিকে ধ্বংস করে ফেলেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থা আপনারা দেখছেন। “জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থা ‘শোচনীয়’। সেখানে (জাহাঙ্গীরনগর) ছাত্রলীগ নেতা মানিক ‘ধর্ষণের সেঞ্চুরি’ পালন করেছিল। এর চেয়ে ঘৃণ্য, লজ্জাকর আর জাতির জন্য কলঙ্ক আর কী হতে পারে? তারা (ছাত্রলীগ) কোনো কলঙ্কেই কলঙ্কিত না।“ বুয়েটের আবরার হত্যা নিয়ে তিনি বলেন, “আবরার ফাহাদের হত্যাকা-ের পরে শুধু ছাত্ররা না, বাংলাদেশের সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল ফুঁসে উঠেছিল, প্রতিবাদ জানিয়েছিল; তখন বুয়েট কর্তৃপক্ষ একটা সিদ্ধান্ত নিল যে, কোনো রাজনৈতিক দলের সংগঠন থাকবে না। এটা বুয়েটের কর্তৃপক্ষ নিয়েছে, সারা দেশের চিত্র এটা নয়।
“সেই পরিবেশ এখনো বলবৎ আছে কি না অর্থাৎ এখনো ওই ধরনের হত্যাকা-ের পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা আছে কি না, সেটা বিবেচনা করে বুয়েটকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে সেখানে ছাত্র রাজনীতি থাকবে কি থাকবে না।” বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিয়ে বাধা অবশ্য কেটেছে। এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে ২০১৯ সালে জারি করা বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা স্থগিত করে দিয়েছে হাই কোর্ট। গয়েশ্বরের সঙ্গে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সহ দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।