ঢাকা ০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিচার শুরু দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবনও হতে পারে বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্য অসত্য, অপমানজনক: আইনমন্ত্রী তারেকসহ পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত : প্রধানমন্ত্রী অপরাধীদের ছাড়িয়ে নিতে তদবির হচ্ছে, বড় বড় জায়গার ফোন আসছে : এমপি আজিমের মেয়ে ঈদযাত্রায় বাড়তি ভাড়া আদায়ে ব্যবস্থা বেনজীর পরিবারের আরও সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশ থেকে শিশু যৌন নিপীড়নের ২৫ লাখ রিপোর্ট গেছে যুক্তরাষ্ট্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য বরাদ্দ কমেছে সেন্ট্রাল এসিতে বাড়তি শুল্ক আরোপে খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে: ব্রামা বেশি মাংস বহনে সেরা সমাধান আরএফএল কার্গো বক্স

ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ জন নিহত, আহত ২০

  • আপডেট সময় : ১১:৪০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা :সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবেশীর পালিত ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আব্দুল আউয়াল ও নুর মোহাম্মদ নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে আরও অন্তত ২০ জন। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিমুলবাকঁ ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামে এই সংঘর্ষ বাঁধে। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুক্তাদির হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামে আশিক মিয়ার বাড়ির সামনে প্রতিবেশী শের আলী নিজের পালিত একটি ঘোড়া বেঁধে রাখেন। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ঘোড়ার লাথিতে আশিক মিয়ার ছেলে ফরিদ আঘাত প্রাপ্ত হয়। এতে আশিক মিয়ার ভাই সাহার আলী, শের আলীকে ওই জায়গায় ঘোড়া বেঁধে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শের আলী সাহার আলীকে মারধর করেন। এ ঘটনার জের ধরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর করে। সংঘর্ষে আশিক মিয়ার পক্ষের থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) ও শের আলীর পক্ষের একই গ্রামের মৃত নৈমুল্লাহর ছেলে আব্দুল আওয়ালসহ (৫৫) উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আহত নুর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে রাত ২টায় পথেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে আহত আব্দুল আওয়াল সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুক্তাদির হোসেন জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে আশিক মিয়ার পক্ষের ২জন এবং শের আলীর পক্ষের ৪ জনকে আটক করে। ’

যোগাযোগ

সম্পাদক : ডা. মোঃ আহসানুল কবির, প্রকাশক : শেখ তানভীর আহমেদ কর্তৃক ন্যাশনাল প্রিন্টিং প্রেস, ১৬৭ ইনার সার্কুলার লার রোড, মতিঝিল থেকে মুদ্রিত ও ৫৬ এ এইচ টাওয়ার (৯ম তলা), রোড নং-২, সেক্টর নং-৩, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা-১২৩০ থেকে প্রকাশিত। ফোন-৪৮৯৫৬৯৩০, ৪৮৯৫৬৯৩১, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৭৯১৪৩০৮, ই-মেইল : [email protected]
আপলোডকারীর তথ্য

ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিচার শুরু দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবনও হতে পারে

ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ২ জন নিহত, আহত ২০

আপডেট সময় : ১১:৪০:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা :সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় প্রতিবেশীর পালিত ঘোড়ার লাথি দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ আব্দুল আউয়াল ও নুর মোহাম্মদ নামে দুইজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছে আরও অন্তত ২০ জন। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শিমুলবাকঁ ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামে এই সংঘর্ষ বাঁধে। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুক্তাদির হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার শিমুলবাক ইউনিয়নের থলেরবন্দ গ্রামে আশিক মিয়ার বাড়ির সামনে প্রতিবেশী শের আলী নিজের পালিত একটি ঘোড়া বেঁধে রাখেন। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ঘোড়ার লাথিতে আশিক মিয়ার ছেলে ফরিদ আঘাত প্রাপ্ত হয়। এতে আশিক মিয়ার ভাই সাহার আলী, শের আলীকে ওই জায়গায় ঘোড়া বেঁধে রাখার কারণ জিজ্ঞাসা করলে শের আলী সাহার আলীকে মারধর করেন। এ ঘটনার জের ধরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এক পক্ষ আরেক পক্ষের বাড়িঘর ভাংচুর করে। সংঘর্ষে আশিক মিয়ার পক্ষের থলেরবন্দ গ্রামের মৃত রহিম আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (২২) ও শের আলীর পক্ষের একই গ্রামের মৃত নৈমুল্লাহর ছেলে আব্দুল আওয়ালসহ (৫৫) উভয় পক্ষের প্রায় ২০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আহত নুর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে রাত ২টায় পথেই তার মৃত্যু হয়। অন্যদিকে মঙ্গলবার সকালে আহত আব্দুল আওয়াল সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মুক্তাদির হোসেন জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে আশিক মিয়ার পক্ষের ২জন এবং শের আলীর পক্ষের ৪ জনকে আটক করে। ’