৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবি

৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবি

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণাসহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের ইতিহাস সবার কাছে সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ঠজনরা। তারা বলেন, দেশে অনেক দিবস জাতীয়ভাবে পালন করা হয়। ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণের গোটা জাঁতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। তাই এই দিনকে জাতীয় ঐক্যদিবস ঘোষণা করা হোক। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘৭ মার্চের ভাষণ: জানা-অজানা তথ্য’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বক্তারা এ দাবি তোলেন। বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের (বোয়াফ) সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়ের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-সম্পাদক নুরুদ্দিন খানের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন আপিল বিভাগের (অব.) বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, বঙ্গবন্ধু চেয়ার লেখক, গবেষক ও ইতিহাসবিদ অধ্যাপক ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাংসদ ও লেখক মুক্তিযোদ্ধা মুহম্মদ শফিকুর রহমান, সৈয়দ আবুল মকসুদ ও হারুন হাবীব। সৈয়দ আনোয়ার হোসেন বলেন, বাঙালিদের সবচেয়ে বড় গুণ হলো- ইতিহাস ভুলে যায়, গুলে খায় ও বিকৃতি করে। তরুণ এই লেখকের বইয়ে অনেক তথ্য আছে ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে। সেদিন ১৮ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের ১১০৮ শব্দের ভাষণ বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন। সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, বাঙালি জাতির ইতিহাসে এত বড় জনসভা আর হয়নি। কোনোদিন হবেও না। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ছিল জ¦ালাময়ী। এটি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ ভাষণ। আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতিকে দাঁড়ানোর শক্তি দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ। তাই ৭ মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক। বইটির লেখক বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের (বোয়াফ) তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সস্পাদক মমতাজুল ফেরদৌস জোয়ার্দার। আলোচনায় আরও অংশ নেন মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, মিল্টন বিশ্বাস, আনিসুর রহমান মিঠু, ফয়সাল আহসান উল্লাহ, হাফেজ ক্বারি মো. সাজ্জাদ হুসেন প্রমুখ। মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে বোয়াফ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার জন্য তরুণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি গবেষণাধর্মী বইয়ের খুবই দরকার ছিল। মমতাজুল ফেরদৌস জোয়ার্দার মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে বইটি লিখেছেন। ইতিহাস বিকৃতি থেকে উঠে আসতে এই বই আমাদের সাহায্য করবে। বইটি একটি দলিল হিসেবে অবদান রাখবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর দায়িত্ব আমাদের সবার। তারা আরও বলেন, লেখক তার মনের তাগিদ-চেতনা থেকে অনেক কষ্ট করে বইটি লিখেছেন। তিনি কোনও পেশাদার লেখক নন। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যারা গবেষণা করছেন, তারা বইটি থেকে অনেক তথ্য উপাত্ত পাবেন। ৭ মার্চের ভাষণের নানা জানা-অজানা তথ্য এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন লেখক।

Please follow and like us:
3
20
fb-share-icon20
Live Updates COVID-19 CASES