মঙ্গল. মার্চ ১৯, ২০১৯

২০১৮ সালে গণধর্ষণের শিকার ১৮২ জন

২০১৮ সালে গণধর্ষণের শিকার ১৮২ জন

Last Updated on

নারীজীবন প্রতিবেদন : ২০১৮ সালে দেশে ৯৪২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৮২ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৬৩ জনকে। বাংলাদেশে মহিলা পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত বছর যৌতুকের জন্য নির্যাতিত হয়েছেন ২১২ জন। যৌতুকের বলি হয়েছেন ১০২ জন। ফতোয়ার শিকার হয়েছেন ১২ জন। জোরপূর্বক বিয়ের শিকার হয়েছেন ২১ জন। ১২৮ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন ৭১ জন। যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১৪৬ জন।
গতকাল বুধবার বিকেলে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১ বছরে উদ্বেগজনক হারে ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধিসহ মোট ৩ হাজার ৯১৮ জন নারী ও কন্যা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ২০১৮ সালে এসিড সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন ১৯ জন। তাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন ৭৩ জন। অগ্নিদগ্ধের কারণে মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের। অপহরণের ঘটনা ঘটেছে মোট ১৪৫টি। ৪১ জন নারী ও শিশু পাচার হয়েছে। এরমধ্যে পতিতালয়ে বিক্রি করা হয়েছে ১৫ জনকে। ৪৮৮ জন নারী ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। ৩৯ জনকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। গৃহপরিচারিকা নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৮৭ জন। তাদের মধ্যে হত্যা করা হয়েছে ৫৮ জনকে এবং নির্যাতনের কারণে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন ৪ জন। উত্ত্যক্ত করা হয়েছে ১৭১ জনকে। উত্ত্যক্তের কারণে আত্মহত্যা করেছেন ১৪ জন। ফতোয়ার শিকার হয়েছে ১২ জন। বিভিন্ন নির্যাতনের কারণে ৩০৫ জন আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ১৮ জন, আত্মহত্যায় প্ররোচনার শিকার ৪৭ জন এবং ৩৭৭ জনের হয়েছে রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। বাল্যবিবাহ সংক্রান্ত ঘটনা ঘটেছে ১৯৩টি। বাল্যবিবাহ সম্পন্ন হয়েছে ৫২টি। প্রতিরোধ করা হয়েছে ১৪১টি। পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৯ জন। শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে ২৮১ জনকে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের লিগ্যাল এইড উপ-পরিষদে সংরক্ষিত ১৪টি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

Please follow and like us:
2