সোম. অক্টো ১৪, ২০১৯

সোনারগাঁয়ে গার্মেন্টসকর্মী গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

সোনারগাঁয়ে গার্মেন্টসকর্মী গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৫

Last Updated on

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক গার্মেন্টসকর্মীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে ওই গার্মেন্টসকর্মী বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন। এর আগে সোমবার (০৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে জেলার জামপুর ইউনিয়নের ব্রাহ্মণবাওগাঁ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ওই গার্মেন্টসকর্মীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, রূপগঞ্জের রবিন গার্মেন্টেসে তিনি কর্মরত। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গার্মেন্টস ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার জন্য গার্মেন্টেসের সামনে থেকে গাউছিয়া যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। এসময় জাহাঙ্গীর নামে এক অভিযুক্ত ধর্ষক পেছনের সিটে বসাছিলেন। গাউছিয়া যাওয়ার পর ওই গার্মেন্টসকর্মী অটোরিকশা থেকে নামতে চাইলে পেছনের সিটে বসা জাহাঙ্গীর তাকে বাঁধা দেন। পরে সিএনজিচালককে সিএনজিটি দ্রুত গতিতে তালতলার দিকে চালিয়ে যেতে বলেন। চালক ধর্ষক জাহাঙ্গীরের কথা মত গাড়িটি চালিয়ে যান। এ সময় ওই গার্মেন্টসকর্মীর মুখে সাদা রংয়ের কসটেপ লাগিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তালতলা এলাকায় হালিম মিয়ার ঘরে নিয়ে আটকে রাখে তাকে। ওই সময় হালিম মিয়া বাড়িতে ছিলেন না। পরে ব্রাহ্মবাওগাঁ গ্রামের মুজিবুর রহমানের বখাটে ছেলে আবু সাইদ, রেহাজ উদ্দিনের ছেলে ইমরান, নবি হোসেনের ছেলে রনি, আবু সিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন, ভট্টু মিয়ার ছেলে মাসুদ, আমির হোসেনের ছেলে আরিফ ও সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর ওই গার্মেন্টসকর্মীকে রাতভর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। রাত সাড়ে ৩টার দিকে হালিম মিয়া বাড়িতে এসে এ ঘটনা দেখে পুলিশে খবর দেয়।
তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আহসানউল্লাহ বলেন, ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দু’জন পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

Please follow and like us:
2