বুধ. মে ২২, ২০১৯

সম্পদের ‘কুমির’ ডিপিডিসির রমিজকে দুদকে তলব

সম্পদের ‘কুমির’ ডিপিডিসির রমিজকে দুদকে তলব

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : সম্পদের ‘কুমির’ ঢাকা পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী মো. রমিজ উদ্দিন সরকারকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ৭ মার্চ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে বলে পরিবর্তন ডটকমকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।
গতকাল সোমবার দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন স্বাক্ষরিত নোটিশে তাকে তলব করা হয়। জানা যায়, ডিপিডিসি নির্বাহী পরিচালক রমিজ উদ্দিনের রাজধানীতেই ৫টি বাড়ি, গাজীপুরে একরের পর একর জমি রয়েছে। জন্মভূমি কুমিল্লাতেও একই অবস্থা। পিছিয়ে নেই স্ত্রীও। তার নামে রয়েছে জমাজমি আর পুঁজিবাজারে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ। বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পত্তির সন্ধান পেয়ে দুদক তদন্ত করছে। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে রমিজ উদ্দিনকে তার সম্পদের বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেন দুদকের উপ-পরিচালক ঋত্ত্বিক সাহা। দুদক সূত্র জানায়, রমিজ উদ্দিনের নামে রাজধানীর উত্তরা ৫নং সেক্টরের ২নং রোডে সাততলা, মিরপুরের পূর্ব মনিপুর ১৩০৭/ডি ছয়তলা, মিরপুরের ২৮ মল্লিকা মিল্কভিটা রোডে চারতলা ফ্ল্যাট, রামপুরা মহানগর হাউজিংয়ে ৮নং রোডের ২০২ ব্লক-ডি তে ৪.৫ কাঠা জমির উপর ৫টি দোকান ও টিনসেড বাড়ি, পূর্ব রামপুরা ১৭৭/৫/১ এলাকায় ৯.৪৮ শতাংশ জমি ওপর বাড়ির তথ্য পাওয়া গেছে।
টঙ্গী ও গাজীপুরে নামে-বেনামে ৩০ একর জমি রয়েছে। কুমিল্লায় গ্রামের বাড়িতেও রয়েছে একরে একরে জমি। কুমিল্লার মুরাদনগরে স্ত্রী সালমা পারভীনের নামে রয়েছে ৫০ বিঘা জমি। পুঁজিবাজারে এ দম্পতির নামে বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ ছাড়াও নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ রয়েছে। এছাড়া রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে গাজীপুরে জমি বিক্রি করে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থপাচার এবং পরে বাংলাদেশে ফেরত আনার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক। দুদক সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে রমিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ আসে। এরপর অনুসন্ধান কর্মকর্তা উপ-সহকারী পরিচালক শহিদুর রহমানের নেতৃত্বে দুদক প্রাথমিকভাবে রমিজের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে এসব সম্পদের তথ্য পায়।

Please follow and like us:
0