শুক্র. সেপ্টে ২০, ২০১৯

মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার এখনও ৩৭.৬২%

মাধ্যমিকে ঝরে পড়ার হার

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত এক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও দেশে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার এখনও উদ্বেগজনক পর্যায়ে। গতবছর মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার ছিল ৩৭ দশমিক ৬২ শতাংশ। আর প্রাথমিক স্তরে এই হার ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য তুলে ধরেন। চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তরে ঝরে পড়ার হার তুলে ধরেন।
মন্ত্রীর উপস্থাপিত তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় প্রথম দিকে ঝরে পড়ার হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ব্যবধান বেশি থাকলেও ক্রমান্নয়ে এ ব্যবধান কমেছে। ২০০৯ সালে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার ছিল ৪২ দশমিক ১৫ শতাংশ, মেয়েদের ক্ষেত্রে ৬৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ২০১৮ সালে ছেলেদের ঝরে পড়ার হার হয়েছে ৩৬ দশমিক ০১ শতাংশ; মেয়েদের ৪০ দশমিক ১৯ শতাংশ। চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক জরিপ অনুযায়ী, ২০১৮ সালে এই স্তরে ঝরে পড়ার হার ছিল ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ। দারিদ্র, অভিভাবকের অসচেতনতা, শিশুশ্রম, অশিক্ষা, বাল্য বিবাহ ও দুর্গম যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। সংরক্ষিত আসনের সাংসদ খালেদা খানমের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা অফিস ও সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীর শূন্য পদের সংখ্যা আট হাজার ৮৯৩টি।

Please follow and like us:
2