বুধ. মে ২২, ২০১৯

বুড়িগঙ্গা-তুরাগে অবৈধ উচ্ছেদ

বুড়িগঙ্গা-তুরাগে অবৈধ উচ্ছেদ

Last Updated on

নিজস্ব প্রতিবেদক : বুড়িগঙ্গা নদী ও তুরাগ নদের তীরে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার গাবতলি, আমিনবাজার অংশে অভিযান চালিয়ে মোট ৫৫টি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে বিআইডব্লিউটিএ। এ সময় নদীতীর দখল করে গড়ে তোলা কয়লার গদি নিলাম তুলে ৩১ লাখ টাকা আদায় করা হয়।
অভিযানের ১৮তম দিন শেষে ছোট-বড় মোট ২ হাজার ২৬টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয় বলে জানিয়েছেন বিআইডাব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন।
গতকাল বৃহস্পতিবার অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের দ্বিতীয় পর্বের শেষ দিন সাভার থানার বড়বরদেশী মৌজা, গাবতলী ও আমিনবাজার এলাকায় তুরাগ নদের উভয় তীরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ২০টি পাকা সীমানাপ্রাচীর, ১৫টি বাঁশের জেটি, ২০টি টিনের ঘরসহ ৫৫টি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেয়া হয়।
নদীর জায়গা দখল করে অবৈধভাবে কয়লার গদি বসানোর দায়ে আমিনবাজারের রাজ গ্রুপ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ কয়লা ৩০ লাখ (ভ্যাট ও করসহ) টাকায় নিলাম করে বিআইডাব্লিউটিএ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিলাম হওয়া এই কয়লার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা।
গত ২৯ জানুয়ারি শুরু হওয়ার পর আজ (১৪ মার্চ) পর্যন্ত মোট ১৮ কার্যদিবস অভিযান পরিচালনা করা হয়। নদীর দুই তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বহুতল ভবন, আবাসিক স্থাপনা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নদী ভরাট করে তৈরি হাউজিং উচ্ছেদ করে বিআইডব্লিউটিএ। ছোট-বড় মিলিয়ে দুই হাজার ২৬টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। অবৈধ দখলে থাকা প্রায় ৫২ একর জায়গা অবমুক্ত করা হয়। এ ছাড়া নিলামের মাধ্যমে ৩১ লাখ ৩৮ হাজার আদায় হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন বিআইডাব্লিটিএর যুগ্ম পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন।
কে এম আরিফ জানান, অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়ের তৃতীয় পর্ব ১৯ মার্চ তুরাগ নদের গাবতলী, আমিনবাজার এলাকায় শুরু হবে। তৃতীয় পর্বের অভিযান চলবে তিন দিন। এরপর চতুর্থ পর্বে তিন দিনের অভিযানের মধ্য দিয়ে শেষ হবে উচ্ছেদ অভিযানের দ্বিতীয় পর্যায়।
এর আগে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ, নদীর তীর ঘেঁষে সবুজ বনায়ন ও লাইটিং এবং ল্যান্ডিং স্টেশন তৈরি করে নদীর সৌন্দর্য বাড়ানো হবে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিতের উদ্যোগ হাতে নেয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়। প্রকল্পের বাজেট ধরা হয়েছে সাড়ে আট শ কোটি টাকা।

Please follow and like us:
0